বুধবার-১৯শে জুন, ২০১৯ ইং-৫ই আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: সকাল ৬:৪০
সার্কাসের হাতি দিয়ে চাঁদাবাজি, হাতি-মাহুত আটক, জরিমানা বাজেট বইতে উঠে এসেছে মনিকার এখন নিজের থাকার একটা আশ্রয় হয়েছে এটাই শান্তি গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে চলছে ভোট আর দুই মামলায় জামিন হলেই খালেদা জিয়া মুক্তি পাবেন : মওদুদ মাশরাফিদের ফের অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর, সাকিব-লিটনের প্রশংসা সোনার দাম কমছে নওগাঁয় ৯৩৩ কোটি টাকার আম উৎপাদন

রোগীদের সীমাহীন ভোগান্তি- ছাতকের কৈতক হাসপাতালে একজন ডাক্তার দিয়ে চলছে কার্যক্রম

ছাতক প্রতিনিধিঃ
ছাতকের কৈতক ২০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসক অনুপস্থিতির কারনে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা লোকজনকে সীমাহীন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাড়িয়েও চিকিৎসা সেবা নিতে পেরে অনেকেই ফিরে যেতে দেখা গেছে। এতে সেবা বঞ্চিতদের মধ্যে দেখা দিয়েছে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালে ৩জন চিকিৎসকের মধ্যে মেডিকেল ইনচার্জ ডাঃ মোহাম্মদ মাজাহারুল ইসলাম সরকারী ট্রেনিংয়ে ঢাকায় অবস্থান করছেন। ডাঃ মোঃ আবু সালেহীন খাঁনকে অনুপস্থিত পাওয়া যায়। কর্তব্যরত রয়েছেন ডাঃ সাইদুর রহমান। ৩জনের মধ্যে একজন ডাক্তার কর্মস্থলে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় থাকলেও চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগীদের সেবা দিতে হিমসিম খাচ্ছেন। বিভিন্ন ওয়ার্ডে ভর্তিরত রোগীরা সেবিকা ছাড়া দায়িত্বরত চিকিৎসকের দেখা পান না বলেই অভিযোগ করেন।
সিংচাপইড় গ্রামের শিপা বেগম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, হাসপাতালে গিয়ে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বসেও ডাক্তার দেখাতে না পেরে বাড়ি ফিরে আসতে হয়েছে। শত শত রোগী আর ডাক্তার একজন, যার কারণে অনেক রোগীই হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা না নিয়ে ফিরতে হয়েছে বলে তিনি জানান।
জানতে চাইলে হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ ডাঃ সাইদুর রহমান জানান, চিকিৎসক ৩জনের মধ্যে শুধু তিনিই কর্মস্থলে আছেন। মেডিকেলের ইনচার্জ ডাঃ মোহাম্মদ মাজাহারুল ইসলাম সরকারি প্রশিক্ষণে ঢাকায় রয়েছেন। আর ডাঃ আবু সালেহীন খাঁন বুধবার থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত। সালেহীন খাঁন ছুটিতে আছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, লিখিত কিংবা মৌখিক ছুটির বিষয়ে তিনি অবগত নন। মেডিকেল অফিসার ডাঃ আবু সালেহীন খাঁনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে বলেন, তিনি ছুটিতে রয়েছেন। ডাঃ মোহাম্মদ মাজাহারুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে জানান, তিনি সরকারী ট্রেনিংয়ে ঢাকায় রয়েছেন। ডাঃ সালেহীন খানের ছুটির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, বাৎসরিক ২০ দিন নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কথা থাকলেও ইতিমধ্যে তিনি ২৫ দিন ছুটি কাটিয়েছেন। ২৫ দিন নৈমিত্তিক ছুটি কাটিয়েছেন মর্মে গত ৮ মে ২০১৯ ইং তারিখে তাকে নোটিশও করা হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা অভিজিৎ শর্ম্মার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে বলেন, সরকারী ট্রেনিংয়ে থাকায় এ বিষয়ে তিনি অবগত নন। ##

 

আপনার মতামত লিখুন

রাজশাহী,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ