বুধবার-১৯শে জুন, ২০১৯ ইং-৫ই আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: সকাল ৭:২২
সার্কাসের হাতি দিয়ে চাঁদাবাজি, হাতি-মাহুত আটক, জরিমানা বাজেট বইতে উঠে এসেছে মনিকার এখন নিজের থাকার একটা আশ্রয় হয়েছে এটাই শান্তি গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে চলছে ভোট আর দুই মামলায় জামিন হলেই খালেদা জিয়া মুক্তি পাবেন : মওদুদ মাশরাফিদের ফের অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর, সাকিব-লিটনের প্রশংসা সোনার দাম কমছে নওগাঁয় ৯৩৩ কোটি টাকার আম উৎপাদন

রাজস্ব ফাঁকি ও অর্থপাচার বন্ধে বন্দরে বসবে স্ক্যানার : অর্থমন্ত্রী

3 weeks ago , বিভাগ : অর্থনীতি,

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: আগামী অর্থবছরের বাজেটে আমদানি-রপ্তানিতে মিথ্যা তথ্যে রাজস্ব ফাঁকি ও অর্থপাচার বন্ধে কঠোর হচ্ছে সরকার। এ ফাঁকি ও অর্থপাচার বন্ধে আগামী বাজেটে প্রত্যেক বন্দরে স্ক্যানার বসানোর নির্দেশ দেওয়া হবে। এতে একটি চালানও স্ক্যানারে পরীক্ষা না করে আনা বা নেওয়ার সুযোগ থাকবে না। ফলে রাজস্ব আদায় দ্বিগুণ-তিন গুণ বেড়ে যাবে।

গতকাল শনিবার রজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের সম্মেলন কক্ষে ‘কেমন বাজেট চাই’ শিরোনামে কালের কণ্ঠ আয়োজিত বাজেটবিষয়ক গোলটেবিলে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এ কথা বলেন।

প্রসঙ্গত, আমদানিতে মিথ্যা তথ্য দিয়ে হাজার হাজার কোটি টাকার পণ্য কারখানায় ব্যবহার না করে খোলাবাজারে বিক্রি করে দিচ্ছে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী। অন্যদিকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে অর্থ পাচারও করছে তারা। বিশেষভাবে শতভাগ রপ্তানিমুখী শিল্পে বন্ড সুবিধার নামে বিনা শুল্কে কাঁচামাল আমদানিতে মিথ্যা তথ্যে অনিয়ম বেশি হচ্ছে। এতে দেশি শিল্পের ব্যবসায়ীরা প্রতিনিয়ত লোকসান গুনে নিঃস্ব হচ্ছে। সরকারের রাজস্ব আদায়কারী সংস্থা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তদন্তেও বিষয়টি উঠে এসেছে। তদন্তে দেখা যায়, মিথ্যা তথ্যে আমদানি-রপ্তানির শতকরা ৮০ ভাগই বন্ড সুবিধার অপব্যবহারে হচ্ছে। আগামী অর্থবছরের বাজেটে সরকার এ অনিয়ম বন্ধে কঠোর হচ্ছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘অসাধু ব্যক্তিরা বেশি দামের ও বেশি পরিমাণে পণ্য এনে কম দামের ও কম পরিমাণে পণ্য আনছে বলে মিথ্যা তথ্য জানিয়ে থাকে। আন্ডার ইনভয়েসিং এবং ওভার ইনভয়েসিং প্রতিনিয়ত হচ্ছে। এসব বন্ধ করা দরকার।’ এ সময় অর্থমন্ত্রী পাশে বসা এনবিআর চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়ার উদ্দেশে বলেন, ‘মিথ্যা তথ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানির বিষয়টি বহুদিন থেকে চলে আসছে। এনবিআর চেয়ারম্যানের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনিও বলতে পারবেন না, ঠিক কত টাকার পণ্য মিথ্যা তথ্যে আসছে বা যাচ্ছে।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এনবিআর চেয়ারম্যান মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য আমদানি-রপ্তানির বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ‘রাজস্ব ফাঁকি দিতেই অনেক অসাধু ব্যবসায়ী মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে আমদানি-রপ্তানি করছে। এনবিআর এ বিষয়ে নজরদারি বাড়িয়েছে। আগের চেয়ে কঠোর হয়েছে। এতে অনেকে এখন আর আমদানি-রপ্তানিতে মিথ্যা তথ্য দিচ্ছে না। আগামী বাজেটে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হলে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার পরিমাণ আরো কমে যাবে।’সূত্র: কালের কন্ঠ

আপনার মতামত লিখুন

অর্থনীতি বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ