বুধবার-২৬শে জুন, ২০১৯ ইং-১২ই আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ১:৩৩
পাইলট অভিনন্দনের গোঁফকে ‘জাতীয় গোঁফ’ ঘোষণার দাবি পার্লামেন্টে! অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য বাংলাদেশ এখন অনন্য উচ্চতায় পার্বতীপুরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি’র মৌলিক ও মানবাধিকার বিষয়ে দিনব্যাপি কর্মশালা জলঢাকায় ফারাজ হোসেন এর স্মরণে ডিসিআই ও আরএসসির দিনব্যাপি ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা “ বান্দরবানের জেএসএস কর্মীকে গুলি করে হত্যা ডিজিটাল হাজিরা অনিশ্চিত মহেশপুরের ১৫২ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঢাকায় নিয়োগ দেবে সিভিসি ফাইন্যান্স

বিরামপুর উপজেলায় বরেন্দ্রর সেচ পাম্প জবর দখল ॥

মোঃ আফজাল হোসেন, ফুলবাড়ী দিনাজপুর প্রতিনিধি
দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার খানপুর ইউনিয়নে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন প্রকল্পের সেচ পাম্প জবর দখল। কর্তৃপ নিরব। দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের মোঃ আজিজার রহমানের অভিযোগে জানা যায়, খানপুর ইউনিয়নের বরেনদ্র সেচ পাম্পটি ২০১৪ সালে ১ ল টাকা জমা দিয়ে পাম্পটি বরেন্দ্র কর্তৃপরে নিকট থেকে গ্রহণ করেন। একই গ্রামের মোঃ সাফিউল ইসলাম বরেন্দ্রর বহুমুখী সেচ পাম্পটি বসানোর জন্য তিনি জমি দান করেন। এর পর সেই স্থানে পাম্পটি বসানো হয়। আজিজার রহমানকে বাদ দিয়ে তৎকালীন বরেন্দ্রর প্রকল্পের উপ-সহকারী মোঃ হামিদুল ইসলাম অর্থের বিনিময়ে যোগসাজোশ করে অপারেটর হিসেবে ঐ গ্রামের মোঃ সাফিউল ইসলামকে নিয়োগ দেন। কিন্তু উক্ত পাম্পটি পরিচালনার জন্য গ্র“প লিডার হিসেবে আজিজার রহমানকে অপারেটর হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার বিধান থাকলেও তাকে রাখা হয়নি। বরেন্দ্র বহুমুখী প্রকল্পের তৎকালীন উপ-সহকারী মোঃ হামিদুল ইসলাম প্রতিপরে নিকট উৎকোচের বিনিময়ে অপারেটর নিয়োগ প্রদান করেন। সাফিউল ইসলামকে অপারেটর হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার পর আজিজার রহমানকে সেখানে কোন ভাবে পাত্তা দেওয়া হচ্ছে না। গত কিছু দিন আগে উক্ত স্থানে উভয়ের মধ্যে একপ্রকার তর্কবিতর্ক সৃস্টি হয়। পরিবেশ শান্ত রাখার জন্য স্থানীয় আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ হাসেম আলীর নির্দেশে মোঃ আসাদুল ইসলাম সাধারন সম্পাদক উক্ত স্থানে গিয়ে উভয়কে শান্ত থাকার পরামর্শ দেন এবং তারা পাম্পের ঘরটিতে তালা ঝুলিয়ে বরেন্দ্র কর্তৃপকে অবহিত করেন। কিন্তু গত ২৪শে অক্টোবর মোঃ সাফিউল ইসলাম অজ্ঞাত কিছু লোকজন এনে সেচ পাম্পের ঘরটি তালা ভেঙ্গে দখল করে নেয়। বিরামপুর উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ পারভেজ কবির এর নিকট এ বিষয়ে কুর্শাখালী গ্রামের আজিজার রহমান অভিযোগ করলে তার ঐ বিষয়ে কোন সূরাহ্ না করায় বিবাদের সৃষ্টি হয়। এদিকে বিরামপুর উপজেলার বি.এম.ডি বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন প্রকল্পের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ শহিদুল ইসলামের সাথে গতকাল বৃহস্পতিবার গভীর নলকুপের অপারেটর নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিরোধের বিষয় নিয়ে কথা বললে তিনি জানান, ঘটনাস্থান পরিদর্শন করা হয়েছে। বিষয়টি মীমাংসা করার জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে এলাকাবাসী এই ঘটনার বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপরে আশুহস্তপে কামনা করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন

দিনাজপুর,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ