বৃহস্পতিবার-২৭শে জুন, ২০১৯ ইং-১৩ই আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: দুপুর ১:৫৭
রোহিঙ্গারা অতিদ্রুত ফেরত না গেলে স্থিতিশীলতা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা ডিজিটাল সংসদ গড়তে এমপিদের ল্যাপটপ দেওয়া হবে : পলক বাবরের সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানের জয়, কিউইদের প্রথম হার পাইলট অভিনন্দনের গোঁফকে ‘জাতীয় গোঁফ’ ঘোষণার দাবি পার্লামেন্টে! অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য বাংলাদেশ এখন অনন্য উচ্চতায় পার্বতীপুরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি’র মৌলিক ও মানবাধিকার বিষয়ে দিনব্যাপি কর্মশালা জলঢাকায় ফারাজ হোসেন এর স্মরণে ডিসিআই ও আরএসসির দিনব্যাপি ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা “

শ্রমিক নেতা ও খনি কর্মকর্তার পরস্পর বিরোধী বক্তব্য

পার্বতীপুরের বড়পুকুরিয়ায় কয়লা উত্তোলন বন্ধ

পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
আবারো বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে কয়লা উত্তোলন বন্ধ হয়ে গেছে। এবার বাংলাদেশী শ্রমিকরা ১৯ মাসের ছুটির দিন গুলোর বকেয়া বেতনের দাবীতে কয়লা উত্তলন বন্ধ করে দিয়েছে। এর আগেও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান সিএমসি-এক্সএমসি কনসোর্টিয়ামকে খনি কর্তৃপক্ষ ১৮৬ কোটি টাকা বকেয়া পাওনা পরিশোধ না করায় তারা কয়লা উত্তোলন বন্ধ রেখেছিল। তবে খনি কর্তৃপক্ষের দাবী শ্রমিকদের একটি গ্রুপ কাজে যোগদান না করলেও অন্য গ্রুপের শ্রমিকরা কয়লা উত্তোলন কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
খনি সূত্রে জানা যায়, বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির প্রোডাকশন, মেইনটেন্যান্স অ্যান্ড প্রভিসনিং সার্ভিস চীনা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এক্সএমসি-সিএমসি কনসোর্টিয়ামের অধিন নিয়জিত ১হাজার বাংলাদেশী শ্রমিদের গত ১৯ মাসের ছুটির দিন গুলোর (৭২ দিন) বেতন বকেয়া রয়েছে। এ নিয়ে বেশ কিছু দিন থেকে আন্দোলন চালিয়ে আসছিল শ্রমিকরা। কিন্তু ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান খনি কর্তৃপক্ষের কাছে ১৮৬ কোটি টাকা বকেয়া থাকার অজুহাতে তাদের টাকা পরিশোধ না করলেও শ্রমিকরা বাধ্য হয়ে কাজ চালিয়ে আসছিল। গত ১মার্চ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কয়লা উত্তোলন কাজ বন্ধ করে দিলে খনি কর্তৃপক্ষ কিছু টাকা পরিশোধ করে তাদের। কিন্তু শ্রমিকদের ফেব্রুয়ারী মাসের বেতনসহ বকেয়া টাকা পরিশোধ করেনি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। বাধ্য হয়ে গতকাল বুধবার দুপুরের শীফটের শ্রমিকরা কাজে যোগদান থেকে বিরত থাকে। ফলে কয়লা উত্তোলন বন্ধ হয়ে যায়।
খনি শ্রমিক নুরুজ্জামান সরকার বলেন, বুধবার দুপুর ১২টায় তার খনির ভূ-গর্ভে নামার কথা ছিল। কিন্তু বকেয়া টাকা পরিশোধ না করায় তাদের শীফটের ৩-৪শ শ্রমিক কাজে যোগদান না করে ফিরে এসেছে।
বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক আবু সুফিয়ান বলেন, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ফেব্রুয়ারী মাসের বেতনসহ ১৯ মাসের ছুটির ৭২ দিনের বেতন না দেওয়ায় শ্রমিকরা কাজে যোগদান থেকে বিরত আছে।
এ ব্যপারে জানতে চাইলে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ম্যানেজার মাইনিং মোশাররফ হোসেন বলেন, খনির শ্রমিকদের মধ্যে বেশ কয়েকটি গ্রুপ রয়েছে। একটি গ্রুপ কাজে যোগদানে বিরত থাকলেও অন্য গ্রুপ গুলোর শ্রমিকরা কাজে যোগদান করেছে। কিছুটা প্রভাব পড়লেও কয়লা উত্তোলন স্বাভাবিক রয়েছে
বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফজলুর রহমান বলেন, একটি গ্রুপের দুপুরের শীফটের কিছু শ্রমিক কাজে যোগদান করেনি। তবে অন্য গ্রুপের শ্রমিকরা কাজে যোগদান করায় উৎপাদন স্বাভাবিক রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

রংপুর,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ