সোমবার-২৭শে মে, ২০১৯ ইং-১৩ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: বিকাল ৫:০৩
বিশ্বকাপে মিঠুনের দায়িত্ব আর চ্যালেঞ্জ ডেড বল বিতর্ক : ব্যাটিং দলকে ৭ রান পেনাল্টি দিতে বললেন শচীন আফসোস করছেন না তো রাজ? দীন মোহাম্মদ আই হসপিটালে চোখ দেখালেন প্রধানমন্ত্রী কাজের মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী সাধারণ ককটেলের থেকে শক্তিশালী ছিল বিস্ফোরণটি : ডিএমপি কমিশনার প্রধানমন্ত্রী ও সেতুমন্ত্রীকে বিএনপির ইফতারে দাওয়াত

নতুন গবেষণা : শুক্র গ্রহ আসলে মৃত নয়!

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: শুক্র গ্রহকে এতো দিন ‘ভূতাত্ত্বিকভাবে মৃত’ ভাবা হলেও এখন নতুন গবেষণা থেকে যেসব তথ্য পাওয়া যাচ্ছে – তাতে প্রমাণ মিলছে যে শুক্র সম্পর্কে এ ধারণা আসলে ‘কল্পনাপ্রসূত।’ সম্প্রতি নতুন একটি গবেষণার প্রেক্ষিতে বিজ্ঞানীরা শুক্রকে ‘ভীষণভাবে জীবিত গ্রহ’ বলে স্বীকার করেছেন। নতুন তথ্যের ভিত্তিতে শুক্র গ্রহের ল্যান্ডস্কেপ বা ভূচিত্র নিয়েও নতুনভাবে ভাবতে শুরু করেছেন বিজ্ঞানীরা। শুক্র গ্রহের জন্য নতুন মিশন ‘এনভিশন’ নিয়ে পরিকল্পনা করছে দি ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি।

সূর্যের নিকটস্থ গ্রহ শুক্র একটি উষ্ণ গ্রহ। এর ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা ৫০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কিন্তু শুধু তাপমাত্রার জন্যই এই গ্রহটি প্রাণ শূন্য নয়। বরং এই গ্রহের উপরিতলের চাপ-ও এতো বেশি যে তা সওয়া খুবই দুস্কর। বিজ্ঞানীরা বলেছেন, পৃথিবীর কোনো একটি মহাসমুদ্রে ৯০০ মিটার বা ২৭শ ফুট পানির গভীরে একজন মানুষ যে চাপ অনুভব করবে শুক্রের উপরিতলে সব সময়ই তেমন চাপ বিরাজমান।

এনভিশন প্রজেক্টের প্রধান গবেষক ড. রিচার্ড গেইল বলেছেন, ‘পৃথিবী ও শুক্র প্রায় একই রকম অবস্থায়, বলতে গেলে জমজের মতন হয়ে তাদের যাত্রা শুরু করেছিল। কিন্তু কালক্রমে পৃথিবী পেয়েছে অক্সিজেন, জীবন ও শীতল আবহাওয়া। আর শুক্র গ্রহ অবিরতভাবে কেবল উষ্ণ থেকে উষ্ণতর আর শুষ্ক হয়ে উঠেছে।’

মঙ্গলের মতো শুক্রেও একসময় প্রাণের বিকাশের উপযোগী পরিস্থিতি ছিল বলে মনে করা হচ্ছে। শুক্র গ্রহ তার পৃষ্ঠতলে অন্তত ১০০ মিলিয়ন বা ১০ কোটি বছর ধরে পানি রাখতে পারত বলে মনে করছেন ড. গেইল। তাছাড়া, বিলিয়ন বছর ধরে শুক্রের বুকে সাগর থাকার সম্ভবনাও খুঁজে পেয়েছেন তিনি। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, তাহলে এই পানি কোথায় গেল? শুক্র কী করে এত পানি হারাল? এটিই বিজ্ঞানীদের কাছে একটি জটিল ধাঁধাঁ হিসেবে রয়ে গেছে।

এই সমীকরণ মেলাতে পারলে, শুক্রের ভবিষ্যত বা অতীত থেকেই হয়তো পৃথিবীর ভবিষ্যৎ সম্পর্কেও অনুমান করা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিগত ৫০ বছর ধরেই শুক্রের ইতিহাস সন্ধানের চেষ্টা চলছে। ৬০ থেকে ৮০র দশক পর্যন্ত সোভিয়েতরা শুক্রকে নিয়ে ব্যাপক গবেষণা করেছে। শুক্রকে একটি ‘টফি গ্রহ’ অর্থাৎ এর বাহ্যিক স্তরটি খুবই পাতলা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই তত্ত্ব নিয়েও কাজ করছেন বিজ্ঞানীরা। তারা বলেছেন শুক্রগ্রহের অনেক জায়গায় উপরের স্তরটি অনেক পুরু হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন

তথ্য-প্রযুক্তি বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ