শনিবার-২৫শে মে, ২০১৯ ইং-১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: সকাল ৮:৫৩
কলেজে ভর্তির আবেদন এখনও করেননি আড়াই লাখ শিক্ষার্থী ডোমারে আওয়ামীলীগের ইফতার মাহফিল জলঢাকায় সড়কে ধান ও খড় শুকানোর ধুমপরেছে- চলাচলে জনগনের দূর্ভোগ বিপুল জয়ে মোদিকে বিএনপির অভিনন্দন বিপুল জয়ে মোদিকে বিশ্বনেতাদের অভিনন্দন ২৫ জেলায় চলছে প্রথম ধাপের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বাড়ছে

ছাতকে রোপা আমনের বাম্পার ফলন

2 years ago , বিভাগ : কৃষি,
file-3
সুনামগঞ্জ: সুনামগঞ্জের ছাতকে চলতি বছরে রোপা আমন ধানের বা¤পার ফলন হয়েছে। কৃষকরা এখন মাঠ সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলছে মাড়াই-ঝাড়াই কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এবার রোপা আমনের ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক লক্ষ্য করা গেছে। নবান্ন উৎসবকে সামনে রেখে এখানে গ্রামে-গ্রামে চলছে স্বপ্নের সোনালী ফসল ঘরে তোলার কাজ। স্থানীয় কৃষি অধিদপ্তরের দাবি- চলতি মৌসুমে রোপা-আমন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে দ্বিগুনের চেয়ে বেশি উৎপাদন হয়েছে।
দোলারবাজারের কৃষক নজরুল ইসলাম, কালারুকার নুর উদ্দিন, নোয়ারাই সাহবাজ মিয়াসহ একাধিক কৃষক জানান, এ বছর প্রাকৃতিক দুর্যোগ বন্যা বা খড়ায় ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। যথাযথ পরিচর্যা ও সময়মত সার ব্যবহার করায় ফসল আশানুরূপ হয়েছে। অধিক ফসল উৎপাদনে এখানের কৃষকরা কৃষি ক্ষেত্রে নিয়েছে একাধিক প্রশিক্ষণ। ফলে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার ও পর্যাপ্ত সার প্রয়োগের ফলেই তারা কাংখিত ফসল ঘরে তুলতে পারছে। রোপা আমনের ফসলের মাঠে বেশ জোড়ে সুরেই চলছে ধান কাঠা। এরই মধ্যে উপজেলার ৭০ ভাগ ধান কাঠা শেষ হয়েছে। চলতি মৌসুমে ৪ হাজার ২শ, ২০ হেক্টর জমিতে রোপা-আমন চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হলেও ৯ হাজার ৫শ, ২০ হেক্টর জমিতে রোপা-আমন ধান অর্জিত হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫ হাজার ৩শ হেক্টর অধিক জমিতে আমন চাষাবাদ করা হয়েছে। এর মধ্যে উপসী জাতীয় চাষাবাদ করা হয়েছে ৬ হাজার ৪শ ৭০ হেক্টর এবং স্থানীয় জাতের ৩ হাজার ৫০ হেক্টর জমিতে রোপা-আমন চাষাবাদ করা হয়েছে। উপসী জাতীয় বিআর-১১ চাষ ৩হাজার ৮শ ৫৫ হেক্টর, বিআর-২০ চাষ ২শ ৮৮ হেক্টর ও বিআর-২২ চাষ ২শ ২২হেক্টর, পাজাম জাতীয় ৩৫ হেক্টর, ব্রি ধান-৩২ চাষ ৮৭ হেক্টর, ব্রি ধান-৩৪ চাষ সুগন্ধি ৮হেক্টর, ব্রি ধান-৩৯ চাষ ১শ ১৫ সুগন্ধি, ব্রি ধান-৪৯ চাষ ৯শ ৯০ সুগন্ধি, ব্রি ধান-৫২ চাষ ৮শ ৬০ হেক্টর, এবং বিনা ধান-১১ চাষ হয়েছে ১০ হেক্টর জমিতে। স্থানীয় জাতের মধ্যে লতি সাইল ২১০ হেক্টর, গান্ধি ৫হেক্টর, চেংগের মুড়ি ৭শ ৯৬ হেক্টর, মালতী ৩শ ১২ হেক্টর, গোয়ারচর ৪শ ৬১হেক্টর, কালিজিরা ৫শ ৭০ হেক্টর, ময়না সাইল ৩শ হেক্টর, বিরুইন সুগন্ধি ৩শ ৪৪ হেক্টর, তুলসী মালা ১২ হেক্টর ও নাজির সাইল ৪০ হেক্টর জমিতে চাষ করা হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কেএম বদরুল হক জানান, উপজেলার কৃষকদের আধুনিক চাষাবাদের মাধ্যমে অধিক ফসল উৎপাদনে কৃষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণসহ যথারীতি মাঠদিবস পালন করা হচ্ছে। কৃষকরাও তাদের গ্রহণ করা প্রশিক্ষণ ফসলের মাঠে কাজে লাগিয়েছেন বলেই ভালো ফসল উৎপাদন করা সম্ভব হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন

কৃষি বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ