রবিবার-১৬ই জুন, ২০১৯ ইং-২রা আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: সকাল ১১:৪৩
কারাবন্দিদের জন্য তৈরি হলো নতুন মেন্যু বাজেটে হিসাবের বাইরে মধ্যবিত্ত বাজেটে তামাকপণ্যে উচ্চহারে কর চায় আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য বিভাগ ‘যুব সমাজকে মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে ব্যর্থ হলে তারা বোঝা হয়ে দাঁড়াবে’ মাসুদা এম রশীদের জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য পদ স্থগিত রাজধানীতে ট্রেন থেকে পড়ে এক ব্যক্তি নিহত সুন্দরবন নিয়ে শর্ত পূরণে কাজই শুরু হয়নি

গোবিন্দগঞ্জ  ১০০পিচ ইয়াবাসহ ২ জন গ্রেপ্তার

 

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ ১০(জুন) দিবাগত রাত ২ঘটিকার সময় গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ কামারদহ ইউনিয়নের বকচর খাঁপাড়া (তুলশীপাড়া) রোডস্থ কাচারাস্তার উপর হতে মাদক ব্যবসায়ীকে আটক।

আটককৃতরা হলেন বকচর গ্রামের তছিরের পুত্র এনামুল হক (৩০) ও একই গ্রামের মৃত আনার উদ্দিনের পুত্র সোহাগ (৩৮) কে ১শত পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ আটক করে।

উদ্ধার কৃত ইয়াবার মুল্য ৩০ হাজার টাকা। আসামীদের বিরুদ্ধে গোবিন্দগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মাদক মামলা রুজু হয়েছে। ছবি ০১

সেপটিক ট্যাংক থেকে মোবাইল ফোন তুলতে নেমে ২ জনের মৃত্যু

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ রংপুরে পীরগঞ্জে সেপটিক ট্যাংকে পড়ে যাওয়া মোবাইল ফোন তুলতে গিয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও একজন।

উপজেলার রামনাথপুর ইউনিয়নের বড়ঘোলা গ্রামে সোমবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

মৃতরা হলেন বড়ঘোলা গ্রামের মসের উদ্দিনের ছেলে দুলু মিয়া ও প্রতিবেশী আজহার আলীর ছেলে এনামুল হক।

এ ঘটনায় আহত শাহীন মিয়াকে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।

রামনাথপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহীদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর বলেন, দুলু মিয়া রাতে টয়লেটে যায়। এ সময় অসাবধানতায় তার হাতে থাকা মোবাইল ফোনটি সেপটিক ট্যাংকে পড়ে যায়। ফোনটি উদ্ধার করতে একটি বাঁশ বেয়ে সেপটিক ট্যাংকে নামেন দুলু। এর পর অনেকক্ষণ পর্যন্ত দুলুর কোনো সাড়া না পেয়ে এনামুল ট্যাংকে নামেন। এক পর্যায়ে দুজনের সাড়া না পেয়ে শাহীনও নামেন সেপটিক ট্যাংকে। পরে স্থানীয়দের কাছে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ৩ জনকে উদ্ধার করেন।
পীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শরেস চন্দ্র দাস বলেন, এর মধ্যে সেপটিক ট্যাংকে শ্বাসকষ্টে এনামুলের মৃত্যু হয় এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে দুলু মারা যান।

এমপি লিটন হত্যায় অস্ত্র মামলার রায় ঘোষণা

এমপি লিটন হত্যায় অস্ত্র মামলায় এমপি কাদের খানের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের ক্ষমতাসীন দলের সাবেক এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় করা অস্ত্র মামলার রায় মঙ্গলবার ঘোষণা করা হয়েছে। এমপি লিটন হত্যার অস্ত্র মামলায় একমাত্র আসামী ডাঃ আব্দুল কাদের খানকে পৃথক দুটি ধারায় একটিতে যাবজ্জীবন কারাদন্ডাদেশ এবং অন্য ধারায় পনেরো বছরের সাজা দিয়েছে আদালত। এসময় কাদের খানের উপস্থিতিতে আদালত ১১ পৃষ্টার রায় ঘোষনা করেন।
গাইবান্ধা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক দিলীপ কুমার ভৌমিক আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। এর আগে, মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ, যুক্তিতর্ক, শুনানিসহ সব কার্যক্রম শেষে গত ৩০ মে রায় ঘোষণার জন্য মঙ্গলবার সময় নির্ধারণ করেন আদালত।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘পূর্ব নির্ধারিত তারিখ অনুযারী অস্ত্র আইনের মামলার রায় মঙ্গলবার। সকাল ১০টার দিকে আদালত বসবে। এরপর বিচারক রায় ঘোষণা করবেন। রায়ের সময় অভিযুক্ত আসামি কাদের খান আদালতে উপস্থিত থাকবেন। মামলার রায় সন্তোষজনক হবে বলে আশা করি।’
মামলার তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ৫ এপ্রিল তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। চার্জশিটে লিটন হত্যা মামলায় সাবেক এমপি (অব) কর্নেল ডা. আব্দুল কাদের খানকে প্রধান অভিযুক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি গাইবান্ধা জেলা কারাগারে রয়েছেন।
এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যায় তিনটি অস্ত্র ব্যবহার হয়। এর মধ্যে একটি অস্ত্র কাদের খান নিজে থানায় জমা দিয়েছেন। দ্বিতীয় অস্ত্রটি আব্দুল কাদের খানের গ্রামের বাড়ি ছাপরহাটি থেকে উদ্ধার করা হয়। কিন্তু তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক তৃতীয় অস্ত্রটির সন্ধান এখনও পাওয়া যায়নি। ২০১৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি কাদের খানকে বগুড়ার বাসা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে কাদের খানের দেওয়া তথ্যে তার বাড়ির উঠানে মাটির নিচ থেকে ছয় রাউন্ড গুলি ও একটি পিস্তুল উদ্ধার করে পুলিশ।
প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর নিজ বাড়ি সুন্দরগঞ্জের সাহাবাজ (মাস্টারপাড়া) গ্রামে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন সাবেক এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন। এ ঘটনায় ১ জানুয়ারি নিহতের বড় বোন ফাহমিদা কাকুলি বুলবুল বাদী হয়ে অজ্ঞাত ৫ থেকে ৬ জনকে অভিযুক্ত করে সুন্দরগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন। এছাড়া হত্যার কাজে ব্যবহৃত গুলিভর্তি পিস্তুত উদ্ধারের ঘটনায় অস্ত্র আইন মামলায় সুন্দরগঞ্জ থানায় আরেকটি মামলা করে পুলিশ। হত্যা মামলায় প্রধান অভিযুক্ত কাদের খানসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযুক্তরা আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। বর্তমানে আদালতে এ মামলার স্বাক্ষ্যগ্রহণ চলছে।

আপনার মতামত লিখুন

রংপুর,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ