মঙ্গলবার-২৩শে জুলাই, ২০১৯ ইং-৮ই শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ৪:২১
ছেলে ধরা আতংক গুজব থেকে সচেতনতা বাড়াতে শহর জুড়ে পুলিশের মাইকিং।। লালপুরে ওয়ালিয়া তরুণ সমাজের ৪র্থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির দুর্নীতির দায়ে দুদুকের চার্জশিট দাখিল ॥ ডোমারে আরসিসি রাস্তা নির্মানের দাবীতে মানববন্ধন। কলাপাড়ায় পুকুরে ডুবে দুই ভাই-বোনের মৃত্যু।। গোবিন্দগঞ্জে বাঁধ ভেঙ্গে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত শৈলকুপায় গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার!

গাইবান্ধায় আদালত চত্বরে বাদীকে অপহরনের চেষ্টায় আটক ৪

গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধায় আদালত চত্বরে বাদীকে অপহরনের চেষ্টায় জনতার হাতে আটক ৪
 ২৪ জুন সোমবার দুপুরে এই গাইবান্ধা আদালত চত্বর  ঘটে।
 মামলার বাদীকে অপহরন চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে ওই আটক আসামিদের বিরুদ্ধে।
 পরে তাদের নিযুক্ত আইনজীবির জিম্মায় মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সুত্র জানায়, গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার সাংকি ভাঙ্গা গ্রামের মৃত রহিম বকসের ছেলে আব্দুল লতিফ ওরফে খাজা মিয়ার সাথে একই উপজেলার গোনিন্দী গ্রামের ময়েন উদ্দিনের ছেলে ছামিউল ইসলাম গংদের জমি জমা নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে বিরোধ চলে আসছিল।এ নিয়ে গাইবান্ধার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ছামিউলসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে আব্দুল লতিফ বাদী হয়ে ১৪৪/১৪৫ ধারায় একটি মামলা করেন। পিটিশন নম্বর-১১২/১৯। সোমবার (২৪ জুন) সেই মামলায় উভয় পক্ষের হাজিরার দিন ছিল।
প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানায়, সোমবার বেলা  ১২টার দিকে মামলার বাদী আব্দুল লতিফকে সাত থেকে আটজন ব্যক্তি টানা-হেঁচড়া করে একটি মাইক্রোবাসে তোলার চেষ্টা করে। এসময় লতিফের আত্মচিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে তিনজন সটকে পড়ে। জনতার হাতে ধরা পড়ে চারজন। পরে তাদের ওই আদালতে তোলা হয়।
মামলার বাদী আব্দুল লতিফ খাজা অভিযোগ করে বলেন, ‘মামলা করার পর থেকেই আসামিমীরা আমার ও আমার পরিবারের লোকজনকে নানা ধরনের হুমকি দিয়ে আসছে। সোমবার আমি আদালতে হাজিরা দিতে আসছি। বেলা ১২টার দিকে আমার দায়েরকৃত মামলার আসামিদের ভাড়াটে (আমার অপরিচিত) এক যুবককে দিয়ে একটি চায়ের দোকান থেকে আমাকে মূল গেটের সামনে ডেকে নেয়। পরে আমার মামলার আসামি ছামিউল,সাহাদুল ও রাজা মিয়াসহ বহিরাগত আরও চারজন যুবক আমাকে টানা-হেঁচড়া করে একটি কালো রঙের মাইক্রোবাসে তুলে নেয়ার চেষ্টা করে। এসময় আমার চিৎকারে আশে পাশের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে আমাকে উদ্ধার করে এবং ছামিউলসহ চারজনকে আটক করলেও অন্যান্য বহিরাগত যুবকরা পালিয়ে যায়। পরে আটককৃতদের ওই আদালতে নেয়া হয়।’
আদালতের বিচারক অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট (এডিএম) জেবুন নাহার সোমবার বিকেলে মুঠোফোনে বলেন, ‘শুনানি শেষে আসামিদের নিযুক্ত আইনজীবির জিম্মায় মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে।’
আপনার মতামত লিখুন

রংপুর,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ