শুক্রবার-১৯শে জুলাই, ২০১৯ ইং-৪ঠা শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ৩:১৭
সেবা না পেয়ে ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সরকারি এ্যম্বুলেন্স ভাংচুর। ফুলবাড়ীতে মৎস্য সপ্তাহ উদ্ভোধন। গোবিন্দগঞ্জে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ- ১ ডোমারে স্কুল ছাত্র সুমন নিখোঁজ সন্ধান চায় পরিবার। আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সভা শনিবার বুবলীই থাকছেন শাকিবের ‘বীর’ ছবির নায়িকা ছাতকে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ’র উদ্বোধন উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা

‘গণহত্যা দিবসের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ে কাজ করছে সরকার’

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, ২৫ মার্চকে আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভের জন্য কাজ করে যাচ্ছে সরকার।

তিনি বলেন, ‘সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় গণহত্যার ওপর ৯ ডিসেম্বর একটি কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। আর তখন থেকেই ওই দিনটি আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস হিসেবে পালন করা হয়ে আসছে।’

আজ রবিবার দুপুরে রাজধানীর সোহরাওয়াদী উদ্যানে শিখা চিরন্তনের সামনে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত‘ রক্তাক্ত ২৫ মার্চ : গণহত্যার ইতিবৃত্ত’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী এসব কথা বলেন। মন্ত্রণালয়ের সচিব অপরূপ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান।

৯ ডিসেম্বর গণহত্যা দিবস পালনের কোনো পটভূমি নেই উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ৯ ডিসেম্বরের পরিবর্তে ২৫ মার্চকে আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভের জন্য সরকারের পররাষ্ট্র ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধে স্মৃতিচিহ্ন মুছে ফেলার জন্যই বঙ্গবন্ধু যে স্থানে দাঁড়িয়ে ৭ মার্চের ভাষণ দিয়েছিলেন সেই স্থানে শিশুপার্ক নির্মাণ করেছিলেন।

তিনি বলেন, তিনি (জিয়া) মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতেই এ হীন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন, যা দেশের মানুষের কাছে এখন দিবালোকের মত স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আরো বলেন, এই ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন এবং পাকিস্তান হানাদার বাহিনী এই ঐতিহাসিক উদ্যানেই আত্মসমর্পণ করেছিল। আর ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত ইন্দিরা গান্ধী এই ঐতিহাসিক উদ্যান থেকেই ভারতীয় সেনা ফিরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, ঐতিহাসিক সোহরাওয়াদী উদ্যান হলো দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অবিচ্ছেদ্য অংশ। আর শিশুরা দেশের স্বাধীনতার ইতিহাস জানার জন্যই এই ঐতিহাসিক স্থানে আসবে।

জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু করা হয়। জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। তারা ২৫ মার্চের ভয়াল কালরাতের ইতিহাসের বর্বরতম গণহত্যার কথা শুনে। আর আলোকচিত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ হল, রাজারবাগ পুলিশ লাইন ও পিলখানার গণহত্যাসহ মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর চালানো বর্বর গণহত্যার বিভিন্ন ছবি স্থান পায়।

আপনার মতামত লিখুন

জাতীয়,মুক্তিযুদ্ধ,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ