বুধবার-২৬শে জুন, ২০১৯ ইং-১২ই আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ২:২৩
পাইলট অভিনন্দনের গোঁফকে ‘জাতীয় গোঁফ’ ঘোষণার দাবি পার্লামেন্টে! অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য বাংলাদেশ এখন অনন্য উচ্চতায় পার্বতীপুরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি’র মৌলিক ও মানবাধিকার বিষয়ে দিনব্যাপি কর্মশালা জলঢাকায় ফারাজ হোসেন এর স্মরণে ডিসিআই ও আরএসসির দিনব্যাপি ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা “ বান্দরবানের জেএসএস কর্মীকে গুলি করে হত্যা ডিজিটাল হাজিরা অনিশ্চিত মহেশপুরের ১৫২ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঢাকায় নিয়োগ দেবে সিভিসি ফাইন্যান্স

কালশী জলাবদ্ধতামুক্ত রাখার আশাবাদ ডিএনসিসি মেয়রের

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক:  জলাবদ্ধতা নিরসনে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হলো রাজধানীর পল্লবী থানাধীন কালশী থেকে বাউনিয়া পর্যন্ত পাইপ ড্রেন সংযোগ। সাংবাদিক প্লটের প্বার্শবর্তী খালের সঙ্গে বাউনিয়া পর্যন্ত সুয়ারেজ সংযোগ দেওয়ায় অত্র এলাকার জলাবদ্ধতার সমস্যা এখন আর থাকবে না বলে আশাপ্রকাশ করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম।

আজ শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে এই ড্রেনেজ পাইপ সংযোগের উদ্বোধন করেন মেয়র আতিকুল ইসলাম। কালশী খালের ধারাবাহিকতায় ডিএনসিসি এলাকার অন্যান্য খালের জলাবদ্ধতা নিরসনেও ওয়াসাসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে কাজ করা হবে বলেও জানান মেয়র। এছাড়াও ঈদের পর ফুটপাতের দখল নিরসনে শক্ত অভিযান পরিচালনার ঘোষণাও দেন তিনি।

এতদিন অল্প বৃষ্টিতেই পানি উঠে যায় পূরবী থেকে কালশীগামী সড়কটির সাংবাদিক আবাসিক এলাকার পয়েন্টে। এতে ভোগান্তিতে পড়তে হয় আশেপাশের এলাকাবাসী এবং এই সড়ক ব্যবহারকারী যানবাহনগুলোকে। মূলত খালটি ওয়াসার অধীনে হলেও জলাবদ্ধতা নিরসনে নিজ উদ্যোগে এই সংযোগ ড্রেনেজ পাইপ নির্মাণ করে দেয় ডিএনসিসি। এক হাজার ১৮৮ মিটার দীর্ঘ এই ড্রেনেজ পাইপ নির্মাণে ডিএনসিসি’র খরচ হয় প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা।

ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, এই সড়কে সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমতো। আমি এর কারণ অনুসন্ধান করলাম এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে বললাম এর একটা সমাধানের উপায় খুঁজতে। এই খাল ওয়াসার হলেও আমরা সিটি করপোরেশন নিজেদের উদ্যোগে এটা করে দিলাম। আশা করি এবারের বর্ষায় এই এলাকায় আর কোনো জলাবদ্ধতা থাকবে না।

পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা রক্ষায় কালশী এলাকার জনগণের সচেতনতা চেয়েছেন মেয়র। মেয়র বলেন, এই খাল পরিষ্কার করতে গিয়ে আমরা দেখেছি যে কি ধরনের ময়লা এখান থেকে বের হয়েছে। এমন সব জিনিস এই খাল থেকে আবিষ্কার হয়েছে যা আমাদের অবাক করেছে। মশারি, জাজিম, তোষকের মতো বস্তু এখানে ফেলা হতো। কিন্তু এগুলো করা যাবে না। এমনটা করলে ভোগান্তিতো আমাদেরই।সূত্র: কালের কন্ঠ

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ