বৃহস্পতিবার-১৮ই জুলাই, ২০১৯ ইং-৩রা শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: দুপুর ১:৪৯
জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বহু অপকর্মের হুতা পারভেজ বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ অবশেষে পুলিশ হাতে আটক  ৫৫ দিনেই মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ করায় ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রী বন্যায় রাজধানীর সঙ্গে ৪ জেলার রেলযোগাযোগ বন্ধ কর্মকর্তাদের অসন্তোষে বড়পুকুরিয়া খনির এমডিকে অপসারণ পার্বতীপুরে সাংবাদিকের মেয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে চিরিরবন্দরে এইচএসসি পরীক্ষায় ফেল করায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

ওবামা কেয়ার বাতিলের পক্ষেই সিনেটের রায়

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: ওবামা কেয়ার বাতিলের বিপক্ষে অবস্থান নেয়া সিনেট কয়েক মুহূর্তের ব্যবধানে সিদ্ধান্ত বদল করে বিলটির পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে ‘সহসাই বাতিল হচ্ছে না ওবামা কেয়ার’ জাতীয় শিরোনামে প্রকাশিত খবর বদলে গেছে খুব অল্প সময়ের মধ্যে। নতুন খবরে জানানো হয়েছে, শেষ পর্যন্ত ওবামা কেয়ার বাতিলের পক্ষেই সিনেট রায় দিয়েছে। একে ‘নাটকীয় সিদ্ধান্ত’ বলে উল্লেখ করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো। ওবামা কেয়ার বাতিলের পক্ষে সিনেটের এই রায়ের কারণে এখন বিলটি বাতিল করতে সিনেটে বিতর্কের সুযোগ সৃষ্টি হলো।

১০০ জনের মার্কিন সিনেটে রিপাবলিকান সদস্যের সংখ্যা ৫২ জন। এতে ৪৬ জন ডেমাক্র্যাট রয়েছেন। সিনেটের অন্য দুই সদস্য স্বতন্ত্র সাংসদ। মঙ্গলবার এই নীতি পরিবর্তনের পক্ষে সায় দেন ৪৩ জন। আর বিরোধীতার করেন ৫৭ জন। প্রাথমিকভাবে সুসান কলিনস ও কেনটাকির র‌্যান্ড পলসহ নয়জন রিপাবলিকান এই ওবামা কেয়ার বাতিলের বিপক্ষে ভোট দেন। তখন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে ওবামা কেয়ারের পক্ষে রায় আসার কথা জানানো হয়।
হঠাৎই আবির্ভূত হন ৮০ বছর বয়সী সিনেটর জন ম্যাককেইন। বিভক্তির সমালোচনা করে রিপাবলিকানদের মাঝে বিশ্বাসের সেতু গড়ার তাগিদ দেন তিনি। ভোট দেন ওবামা কেয়ারের বিপক্ষে। এক পর্যায়ে ৫২ রিপাবলিকান-সমন্বিত সিনেটে ওবামা কেয়ারের পক্ষে অবস্থান নেওয়া রিপাবলিকানের সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ২ জনে। বিল বাতিলের পক্ষে-বিপক্ষে ভোটের সংখ্যা সমান হয়ে ৫০-৫০ এ দাঁড়ায় দুই পক্ষের অবস্থান। এই অবস্থায় ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সের দেয়া ট্রাইব্রেক ভোটে নির্ধারিত হয় ওবামা কেয়ারের ভাগ্য। বিলটি বাতিলে বিতর্ক শুরুর পক্ষে যায় সিনেটের চূড়ান্ত অবস্থান।
নির্বাচনি প্রচারণার সময়ই ওবামা কেয়ার বাতিল করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছিলেন ওবামা প্রশাসনের স্বাস্থ্যসুরক্ষা বিলটি খুবই ব্যয়বহুল। ওবামাকেয়ার বলে পরিচিত সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার স্বাস্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ ধারাগুলো বাদ দিয়ে ট্রাম্প এই স্বাস্থ্য বিল প্রস্তাব করেন। দুই দফা ব্যর্থ প্রচেষ্টার পর চলতি মাসের শুরুর দিকে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে মাত্র ৪ ভোটের ব্যবধানে পাস হয় ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রস্তাবিত স্বাস্থ্য বিল। ২১৭-২১৩ ভোটে বিলটি পাস হয়।
প্রসঙ্গত, ওবামার স্বাস্থ্যনীতি অনুযায়ী, নিম্ন আয়ের মার্কিন জনগণ, কর্মজীবী ও বেকার উভয়েই ওই স্বাস্থ্যসেবার আওতাভুক্ত ছিলেন। ওবামা প্রশাসনের সময়কার স্বাস্থ্যবিলে অঙ্গরাজ্যগুলো কর্মজীবী ও কাজ খুঁজতে থাকা মার্কিন জনগণের জন্যই স্বাস্থ্যসেবার আবেদন করতে পারতো। তবে অঙ্গরাজ্যগুলো স্বাস্থ্যসেবা পেতে কাজের বাধ্যবাধকতা আরোপ করতে রাজি হয়নি। বেশ কয়েকজন রিপাবলিকান গভর্নর কর্মক্ষম জনগণ, যাদের শিশু সন্তান নেই, অথবা নিঃসন্তান, তাদের জন্য কাজ করার বাধ্যবাধকতা আরোপের ক্ষমতা অঙ্গরাজ্যগুলোকে দেয়ার দাবি জানিয়ে আসছেন। ট্রাম্পের প্রস্তাবিত স্বাস্থ্যনীতিতে অঙ্গরাজ্যগুলো নিজেদের সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা দেয়ার কথা বলা হয়।
আপনার মতামত লিখুন

আন্তর্জাতিক বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ