শনিবার-২৫শে মে, ২০১৯ ইং-১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: বিকাল ৫:২২
গাইবান্ধা কারাগারে আসামি নিখোঁজ-উদ্ধারের ঘটনায় তদন্তে কমিটি আন্তনগর ‘পঞ্চগড় এক্সপ্রেস’ ট্রেন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয় মেঘনা ও দ্বিতীয় গোমতী সেতু উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বসুন্ধরায় বাইতুল জান্নাত জামে মসজিদ উদ্বোধন চার সমুদ্রবন্দরে ৩, নদীবন্দরে ২ নম্বর সংকেত শুটিংয়ে আহত জন আব্রাহাম, সম্পূর্ণ বিশ্রামের নির্দেশ টয়ার ঈদ বিশেষ ‘সাইজ ৪২’

আজ বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস

2 months ago , বিভাগ : শিক্ষা,

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: বাংলাদেশে প্রতিবছর লাখে ২২১ জন মানুষ যক্ষ্মায় আক্রান্ত হচ্ছে। এদের মধ্যে মারা যান ৩৬ জন। গ্লোবাল টিবি রিপোর্টের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে এনজিও সংস্থা ব্র্যাক। এই রোগ নির্মূলে জনসাধারণের সচেতনতার পাশাপাশি অত্যাধুনিক জিন-এক্সপার্ট মেশিনের সংখ্যা ও ব্যবহার বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্ব দিয়েছে সংস্থাটি। গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ‘বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস-২০১৯’ উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে ব্র্যাক এসব তথ্য জানায়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০১৮ সালের গ্লোবাল টিবি রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতিবছর লাখে ২২১ জন নতুন করে যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয় এবং ৩৬ জন মারা যায়। এই রোগ নির্মূলে জনসাধারণের সচেতনতা বাড়াতে হবে। অত্যাধুনিক জিন-এক্সপার্ট মেশিনের সংখ্যা ও ব্যবহার বাড়াতে হবে। জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে বর্তমানে ২ লাখ ৬৭ হাজার ২৭৬ জন যক্ষ্মারোগী আছেন। এরমধ্যে শিশু যক্ষ্মারোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ৩৫২ জন।

সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক ডা. শামিউল ইসলাম বলেন, যক্ষ্মারোগ নির্মূলে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। ২০৩৫ সালের মধ্যে সরকার যক্ষ্মা রোগীর মৃত্যুর হার ৯৫ শতাংশ ও প্রকোপের হার ৯০ শতাংশ কমিয়ে আনতে চায়। এ লক্ষ্যে জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির সঙ্গে ব্র্যাকসহ ২৫টি বেসরকারি সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ডেমিয়েন ফাউন্ডেশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর অং কাই জাই মগ, ব্র্যাকের কমিউনিকেশন ডিজিজেস কর্মসূচির পরিচালক ড. মো. আকরামুল ইসলাম, সহযোগী পরিচালক ডা. মাহফুজা রিফাত, আইসিডিডিআরবি’র প্রতিনিধি ডা. সায়রা বানুসহ আরও অনেকে।

অনুষ্ঠানে যক্ষ্মা সম্পর্কে দেশের তথ্যচিত্র তুলে ধরা হয়। দেশ কতটা যক্ষ্মারোগ নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে তার একটি সচিত্র প্রতিবেদন দেখানো হয়। সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের কথাও সেখানে জানানো হয়। এছাড়া রোগ নির্ণয়ে দেশি-বিদেশি সহযোগিতার কথাও বলা হয়।

এই প্রেক্ষাপটে আজ পালিত হচ্ছে বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস। দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘এখনই সময় অঙ্গীকার করার, যক্ষ্মামুক্ত বাংলাদেশ গড়ার’। ১৮৮২ সালের ২৪ মার্চ ডা. রবার্ট কক যক্ষ্মারোগের জীবাণু মাইক্রোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকুলোসিস আবিষ্কার করেন। যক্ষ্মারোগের জীবাণু আবিষ্কারের একশ বছর পর ১৯৮২ সালে ২৪ মার্চ, জীবাণু আবিষ্কারের দিনটিকে স্মরণীয় করা ও যক্ষ্মারোগের চিকিৎসা সম্পর্কে গণসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ডব্লিউএইচও ও আইইউএলটিএডি প্রথম যক্ষ্মা দিবস উদযাপন করে। এর পর থেকে প্রতিবছর ২৪ মার্চ পালিত হচ্ছে বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস। বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস উপলক্ষে আজ জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি ও ব্র্যাকের অন্য সহযোগী সংস্থাসমূহ এক শোভাযাত্রার আয়োজন করেছে। শোভাযাত্রাটি রাজধানীর শাহবাগে সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হয়ে প্রেসক্লাবে গিয়ে শেষ হবে।সূত্র: দৈনিকশিক্ষা

আপনার মতামত লিখুন

শিক্ষা বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ