রবিবার,২৬শে মার্চ, ২০১৭ ইং,১২ই চৈত্র, ১৪২৩ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ১১:০৪
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ঝিনাইগাতীতে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত এইচএসবিসি ব্যাংকে আকর্ষণীয় পদে চাকরি করুন রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাধীনতাদিবস পালিত মার্কেটিংয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকোয় পার্বতীপুরে মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত ইসলামী ব্যাংকের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন

মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি পাচ্ছেন ৭১’র ২৩৬৭ গেরিলা

highcourt_32605মুক্তিনিউজ24.কম ডেস্ক:  উচ্চ আদালতের নির্দেশে ২০১৩ সালের ২৪ জুলা জারি করা প্রজ্ঞাপন বহাল থাকায় অবশেষে ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছেন ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়া বিশেষ গেরিলা বাহিনীর ২ হাজার ৩৬৭ জন সদস্য। অর্থাৎ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ন্যাপ, কমিউনিস্ট পার্টি, ছাত্র ইউনিয়ন সদস্যদের নিয়ে গঠিত বিশেষ গেরিলা বাহিনীর ২ হাজার ৩৬৭ জনকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আজ বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত একটি রিট আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ এই রায় দিয়েছেন।
আদালতে রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী তবারক হোসেন ও সুব্রত চৌধুরী। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের পক্ষে শুনানি করেন শ ম রেজাউল করিম। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি এটর্নি জেনারেল এস এম নাজমুল হক। পরে আইনজীবী তবারক হোসেন বলেন, ৩টি সংগঠনের সদস্যেদের নিয়ে গঠিত ২ হাজার ৩৬৭ জনকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সাথে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তাদের সকল সুযোগ সুবিধা প্রদান ও যথাযথ সম্মান প্রদানের নির্দেশও দিয়েছেন আদালত।
ঘটনার বিবরণীতে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২৪ জুলাই এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২ হাজার ৩৬৭ জনকে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দেয় মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়। তবে ২০১৪ সালের ২৯ অক্টোবর ওই প্রজ্ঞাপনকে ত্রুটিপূর্ণ আখ্যা দিয়ে তা বাতিল করে আরেকটি প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রণালয়। নতুন এ প্রজ্ঞাপন জারির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ঐক্য ন্যাপের সভাপতি ও বিশেষ গেরিলা বাহিনীর ডেপুটি কমান্ডার পঙ্কজ ভট্টাচার্য ২০১৪ সালের ১১ ডিসেম্বর রিট দায়ের করেন।
সে রিটের প্রেক্ষিতে ২০১৫ সালের ১৯ জানুয়ারি হাইকোর্ট নতুন প্রজ্ঞাপনটি স্থগিত করে রুল জারি করেন। রুলে নতুন প্রজ্ঞাপনটি কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। সরকার, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়। সেই রুলের ওপর ৬ সেপ্টেম্বর শুনানি শেষে ৮ সেপ্টেম্বর রায়ের দিন নির্ধারণ করা হয়। সে অনুযায়ী আদালত তাদেরকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দানের নির্দেশ প্রদান করে রায় দেয়।  এবিনিউজ

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তিযুদ্ধ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ