বৃহস্পতিবার,১৩ই ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং,২৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, সময়: সকাল ৯:২৬
যতই ষড়যন্ত্র হোক আমি ভয় পাই না: প্রধানমন্ত্রী পলাশবাড়ীতে ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস পালিত নৌকায় ভোট দিয়ে সন্ত্রাসীদের ক্ষমতায় আসার পথ বন্ধ করুন পলাশবাড়ীতে চাল ক্রয়ের উদ্বোধন গোবিন্দগঞ্জে দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার পার্বতীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত বিজিবি সদস্যের মৃত্যু গাজীপুরে অটো চালককে গলা কেটে হত্যা

১৫ বছর ধরে কিশোরীকে গুহাবন্দি করে রেখেছিল ওঝা

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: অসুস্থ হয়েছিল ১৩ বছরের কিশোরী। বাবা মা নিয়ে গিয়েছিলেন গ্রামের ওঝার কাছে। রেখে এসেছিলেন। মেয়ে আর ফেরেনি। ওঝা বলেছিল সে সুস্থ হয়ে শহরে চলে গেছে কাজ করতে। ১৫ বছর পরে বের করা হল সেদিনের কিশোরীকে। ওঝার বাড়ির কাছে একটি গুহা থেকে। পুলিশের কাছে ওঝা স্বীকার করেছে‚ গত দেড় দশক ধরে সে ছিল তার যৌন ক্রীতদাসী। এই পৈশাচিক ঘটনা ইন্দোনেশিয়ার এক গ্রামে।

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে হানা দেয় পুলিশ। গুহা থেকে উদ্ধার করে আঠাশ বছর বয়সী কিশোরীকে। তাকে ওই ওঝা বুঝিয়েছিল আমরিন নামে এক কিশোরের বিদেহী আত্মা বা জিন ভর করেছে তার উপর। ওই আত্মা কামনা করছে কিশোরীকে। তাই তাকে তুষ্ট করতে হলে রাত কাটাতে হবে ওঝার সঙ্গে। নইলে কিশোরীকে মেরে ফেলবে জিন।

এইভাবেই ভয় দেখিয়ে দিনের পর দিন কিশোরীর সঙ্গে রাত কাটিয়েছে। একাধিকবার গর্ভবতী হয়ে পড়েছে মেয়েটি। গর্ভের ভ্রূণ নষ্ট করার জন্য ওঝাই তাকে দিয়েছে জড়িবুটি। দিনের বেলা তাকে গুহায় লুকিয়ে রাখত। রাতে থাকত ওঝার বাড়ির কাছেই একটি বাড়িতে।

পুলিশের ধারণা‚ গ্রামের আরও অনেক মেয়ের উপর অত্যাচার করেছে অভিযুক্ত ওঝা। তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনাচক্রে নির্যাতিতার বোন ওই ওঝার ছেলের বৌ! পুলিশ তাকেও জেরা করছে। তদন্তকারীদের ধারণা সে হয়তো নিজের বোনের পরিণতি জানত। কিন্তু শ্বশুরের ভয়ে মুখ বন্ধ করে থাকতে বাধ্য হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

আন্তর্জাতিক বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ