বৃহস্পতিবার,২২শে নভেম্বর, ২০১৮ ইং,৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ১:৫২
বিএনপি থেকে আওয়ামী লীগে আসতে অনেকেই আগ্রহী লালমনিরহাটে ইসলামী আন্দোলনে ৩ প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ লালমনিরহাটে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলে র‌্যালী ও দোয়া মাহফিল ১০ বছরের পরিবর্তন অব্যাহত রাখাই আওয়ামী লীগের লক্ষ্য শিখা অনির্বাণে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা পার্বতীপুরে ছাত্রলীগের কর্মসূচি পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) আজ

১৪১ কোটি ডলার রেমিট্যান্স আগস্টে

3 months ago , বিভাগ : অর্থনীতি,

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক:  চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের দ্বিতীয় মাস আগস্টে ১৪১ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। জুলাইয়ের তুলনায় যা ৭.২২ শতাংশ বেশি। তবে আগের বছরের আগস্টেও একই পরিমাণ রেমিট্যান্স দেশে এসেছিল। গত জুলাইয়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৩১ কোটি ৬৯ লাখ ডলার। তা ছাড়া গত বছরের আগস্টে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৪১ কোটি ৮৫ লাখ ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ পরিসংখ্যান থেকে দেখা গেছে, কোরবানির ঈদের মাস আগস্টে ১৪১ কোটি ১০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এই নিয়ে অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই ও আগস্ট) ২৭২ কোটি ৭৯ লাখ ডলারের সমপরিমাণ রেমিট্যান্স এসেছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে যা ১৯ কোটি ডলার বা ৭.৬৬ শতাংশ বেশি। মূলত হুন্ডি ঠেকাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর পদক্ষেপ এবং ডলারের দর বৃদ্ধির ফলে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স বাড়ছে বলে আসছিলেন সংশ্লিষ্টরা।

রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধির ধারা ডলারের বিপরীতে টাকা আবার তেজিভাব ফিরে পাচ্ছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা। তাঁরা বলছেন, জুলাইয়ে আমদানির এলসি খোলার প্রবণতা কিছুটা কমেছে। পাশাপাশি রপ্তানি আয়েও প্রবৃদ্ধির ধারা রয়েছে। সব মিলিয়ে দেশে পর্যাপ্ত ডলারের জোগান রয়েছে। বর্তমানে সব ব্যাংকের ডলার ধারণ করার ক্ষমতা (নেট ওপেনিং পজিশন) ১২০ কোটি ডলার এবং ব্যাংকগুলোর কাছে এখন প্রায় এই পরিমাণ ডলার রয়েছে বলেও জানা গেছে। ফলে ডলারের তেমন কোনো সংকটও হওয়ার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

টানা দুই অর্থবছর কমার পর বিদায়ী ২০১৭-১৮ অর্থবছর রেমিট্যান্সে ১৭.৩২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়। এর আগে ২০১৫-১৬ ও ১৬-১৭ অর্থবছরে রেমিট্যান্স কমার পাশাপাশি আমদানি ব্যাপক বাড়ার ফলে চাপে পড়ে বৈদেশিক মুদ্রাবাজার।

গত অর্থবছর আমদানিতে ২৫.২৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়। অথচ রপ্তানি বেড়েছে মাত্র ৫.৮১ শতাংশ। ডলারের বাড়তি চাহিদা মেটাতে গত অর্থবছর বিভিন্ন ব্যাংকের কাছে ২৩১ কোটি ডলার বিক্রি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর পরও আন্ত ব্যাংক মুদ্রাবাজারে ডলারের দর বেড়ে ৮০ টাকা থেকে বেড়ে ৮৩ টাকা ৭৫ পয়সা হয়।

বৈদেশিক লেনদেনের চলতি হিসাবের ভারসাম্যে ৯৭৮ কোটি ডলারের ঘাটতি নিয়ে ২০১৭-১৮ অর্থবছর শেষ করেছে বাংলাদেশ। আগের অর্থবছরের তুলনায় ঘাটতি বেড়েছে সাত গুণেরও বেশি।সূত্র: কালের কন্ঠ

আপনার মতামত লিখুন

অর্থনীতি বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ