বৃহস্পতিবার,২২শে নভেম্বর, ২০১৮ ইং,৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ১:৪৮
বিএনপি থেকে আওয়ামী লীগে আসতে অনেকেই আগ্রহী লালমনিরহাটে ইসলামী আন্দোলনে ৩ প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ লালমনিরহাটে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলে র‌্যালী ও দোয়া মাহফিল ১০ বছরের পরিবর্তন অব্যাহত রাখাই আওয়ামী লীগের লক্ষ্য শিখা অনির্বাণে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা পার্বতীপুরে ছাত্রলীগের কর্মসূচি পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) আজ

হিসাব উল্টে দিয়ে মালদ্বীপ

2 months ago , বিভাগ : খেলাধুলা,

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক:  গ্রুপ পর্বে দারুণ ফুটবল খেলা দলটি ভাগ্যের জোরে সেমিফাইনালে ওঠা মালদ্বীপের কাছে কিনা বিধ্বস্ত ৩-০ গোলে। টুর্নামেন্ট জুড়ে যে পিটার সিগার্তকে নিয়ে সমালোচনার ঝড়, মালদ্বীপের এই কোচই হাসলেন শেষ হাসি। ঢাকায় বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের শিরোপা জেতা বালগোপাল মাহার্জনও নেপালিদের সাফ ভাগ্য বদলাতে পারলেন না। আসরে ষষ্ঠবারের মতো তাদের সেমিফাইনাল থেকে বিদায়।

ক্রীড়া প্রতিবেদক : অধরা ফাইনাল ছোঁয়ার স্বপ্ন স্বপ্নই হয়ে থাকল নেপালের। গ্রুপ পর্বে দারুণ ফুটবল খেলা দলটি ভাগ্যের জোরে সেমিফাইনালে ওঠা মালদ্বীপের কাছে কিনা বিধ্বস্ত ৩-০ গোলে। টুর্নামেন্ট জুড়ে যে পিটার সিগার্তকে নিয়ে সমালোচনার ঝড়, মালদ্বীপের এই কোচই হাসলেন শেষ হাসি। ঢাকায় বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের শিরোপা জেতা বালগোপাল মাহার্জনও নেপালিদের সাফ ভাগ্য বদলাতে পারলেন না। আসরে ষষ্ঠবারের মতো তাদের সেমিফাইনাল থেকে বিদায়।

মালদ্বীপ ফাইনালে উঠল ২০০৯-এর পর। ঢাকাতেই সে আসরে ভারতের বিপক্ষে শিরোপা লড়াইয়ে নেমেছিল তারা। পরের তিন আসরে দুইবার আফগানিস্তানের কাছে এবং আরেকবার ভারতের কাছে হেরে তাদের শেষ চারে বিদায়। এবার আফগানিস্তান নেই, ভারতও পাঠিয়েছে তরুণ দল, ধরা হচ্ছিল মালদ্বীপই এই আসরের ফেভারিট। কিন্তু গ্রুপ পর্বে শ্রীলঙ্কাকেও হারাতে না পারা, ভারতের কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ সেই সম্ভাবনায় বড় প্রশ্নবোধক চিহ্ন এঁকে দিয়েছিল। এতটাই যে কাল সেমিতে হারলে কোচ সিগার্তের বিদায়—এমন খবরও ছাপা হয়েছে মালদ্বীপের পত্রপত্রিকায়। সেই মালদ্বীপই কাল বিস্ময় উপহার দিল। নেপালের দারুণ গোছানো, আক্রমণাত্মক ফুটবলকে সামলে নিল দারুণ মুনশিয়ানায়, পাল্টা আঘাতে পাল্টে দিল ম্যাচের ছবিটাই। তবে ১১ মিনিটে আকরাম আব্দুল ঘানির ফ্রিকিকের গোলটাই টার্নিং পয়েন্ট। ২৫ গজ দূর থেকে নেওয়া মালদ্বীপ অধিনায়কের শট ঢুকে যায় জালে। সামনে হামজা মোহাম্মদ ডামির মতো ছিলেন, তাতেই বিভ্রান্ত নেপালি গোলরক্ষক।

পুরো আসরে সেটাই মালদ্বীপের প্রথম গোল। আগের ৩ ম্যাচে ৭ গোল করা নেপাল এরপর গোলের জন্য হন্যে হয়েছে, কিন্তু মালদ্বীপ মাঝমাঠের দখল ছাড়েনি। তবে তুমুল বর্ষণ ও বজ পাতের কারণে নেওয়া বিরতির পর নেপালকে সত্যিই ভয়ংকর মনে হয়েছে। যদিও তখন মাঠ পিচ্ছিল, নেপালিদের পাসিং ফুটবলের অনুপযোগী। এর মধ্যেই বিমল ঘারতি মাগার ডান দিক থেকে ইনসাইড কাট করে পোস্টে শট নেওয়ার মতো জায়গায় চলে গিয়েছিলেন, কিন্তু শেষ মুহূর্তে পা হড়কে গেছে তাঁর। পরেরবার বিমলের স্কয়ার পাসেই বলে পা ছোঁয়াতে না পেরে সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করেছেন ভারত খাওয়াজ। দ্বিতীয়ার্ধে মালদ্বীপ স্বাভাবিকভাবেই লিড ধরে রাখতে মনোযোগী হয়, মনোযোগ বাড়ায় রক্ষণকাজে। এর মধ্যেও কাউন্টার অ্যাটাকে হাসান নিয়াজ সহজ সুযোগ নষ্ট করেছেন নেপালি গোলরক্ষককে একা পেয়ে। অন্যপ্রান্তে বালগোপাল গোলের জন্য নামান নবযুগ শ্রেষ্ঠাকে, মাঝমাঠে নিরাজন খাড়কার বদলে অঞ্জন বিস্টা। ট্যাকটিক্যাল বদল আনেন সিগার্তও। ডিফেন্সের ওপর বাড়তি পাহারা বসান। তবে তাঁকে ম্যাচ জিতিয়ে দিয়েছে আক্রমণে নিয়াজকে তুলে অভিজ্ঞ আসাদুল্লাহ আব্দুল্লাহকে নামানো। ২০১৬ সালে বাংলাদেশকে ৫-০ গোলে হারানো ম্যাচে হ্যাটট্রিক করা আব্দুল্লাহর সঙ্গে ওয়ান টু খেলেই ৮৪ মিনিটে ব্যবধান ২-০ গোলে করে ফেলেন ইব্রাহিম হাসান। নেপালিদের ম্যাচে ফেরার আশাও তাতে অনেকটা শেষ হয়ে যায়। তাদের সেই উদ্যমহীন অবস্থায় রেখেই জটলার ভেতর থেকে ইব্রাহিমের আরো এক গোল সাফে পঞ্চমবারের মতো ফাইনালে তুলে দিয়েছে দ্বীপ দেশটিকে। এই ঢাকা তাদের জন্য পয়মন্ত। এর আগের চার ফাইনালের দুটিই খেলেছে তারা ঢাকায়। ২০০৯-এর আগে ২০০৩-এও।সূত্র: কালের কন্ঠ

আপনার মতামত লিখুন

খেলাধুলা বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ