মঙ্গলবার,২১শে নভেম্বর, ২০১৭ ইং,৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ৮:০০
কাঁদলেন, কাঁদালেন অতঃপর বিদায় নিলেন সাজেবুর রহমান বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ২টি গ্রামের বাসিন্দাদের ক্ষতিপূরণ দাবী দিনাজপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় বাইসাইকেল আরোহী নিহত হাজী দানেশ বিশ্ববিদ্যালয়ে জয় বাংলা শ্লোগান দিয়ে অবরুদ্ধ ভিসিকে উদ্ধার ছাত্রদের হামলায় ৬ শিক্ষক আহত ॥ মানববন্ধন প্রতিবাদ সমাবেশ ॥ মামলা রেকর্ড হয়নি ব্যর্থতার দায় নিয়ে ইতালিয়ান ফুটবল প্রধানের পদত্যাগ সন্ধ্যায় মুখোমুখি ঢাকা ডায়নামাইটস-রংপুর রাইডার্স পার্বতীপুরে মধ্যপাড়া পাথর খনির মৃত্যুবরনকারী শ্রমিকের পরিবারকে ৬ লাখ টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করলো জিটিসি

‘হাসিনার হাতে বাংলাদেশ থাকলে কৃষক মায়ের কোলে থাকবে’

akberমুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: শেখ হাসিনার হাতে বাংলাদেশ থাকলে এদেশের কৃষক সমাজ মায়ের কোলে থাকবে। তার দেশপ্রেম, দেশের মানুষের প্রতি ভালোবাসা এমনটাই আশ্বস্ত করেছে আমাদের এমনকি কৃষকদেরকেও।

রবিবার বিকেলে গুলিস্তানে বঙ্গবন্ধু এভিনিউ প্রাঙ্গণে আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠন কৃষক লীগ আয়োজিত ‘কৃষক বাঁচাও–বাঁচাও দেশ, শেখ হাসিনার নির্দেশ’ শীর্ষক ‘কৃষক সমাবেশে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী।

আক্ষেপের সঙ্গে তিনি বলেন, ‘যখনই এদেশের বিএনপি-জামায়াত সরকার ক্ষমায় আসে তখনই অকারণে তাদের বুলেটে আমার কৃষক ভাইয়ের বুক বিদ্ধ হয়। শ্রমিক-মেহনতি মানুষের সামনে নেমে আসে অন্ধকার। কেন তা সবাই জানে। যে কারণে ইতোমধ্যে মানুষের ভালোবাসা থেকে তারা বঞ্চিত হয়েছে। এর চূড়ান্ত প্রমাণ আগামী নির্বাচনে তারা পাবে।’

কৃষকদের প্রতি আওয়ামী লীগের অঙ্গীকার অবিচল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা কৃষকদের জন্য কী করেছি তার প্রমাণ আওয়ামী লীগ-বিএনপি সরকারের ক্ষমতাকাল তুলনামূলক বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যাবে। সারের দাম বৃদ্ধিসহ নানারকম দুর্নীতি করে তারা কৃষককে নিরন্ন করেছে। আমরা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে প্রাকৃতিক দুর্যোগে কৃষকের পাশে থেকেছি। সবার আগে সেটাই বিবেচনা করেছি। কারণ আমরা জানি কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। সে ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখেই ২০১৯ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করবো।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘এদেশের প্রায় ৭০ ভাগ মানুষ কৃষিজীবী। বাংলাদেশের রাজনীতি, অর্থনীতি ও সংস্কৃতি সব কিছু নির্ধারিত হয় এই কৃষি দ্বারা। তাই কৃষকের মূল্য আমরা বুঝি। কিন্তু বিএনপি সরকার কৃষকদের জন্য কিছু করেনি। বরঞ্চ সারের দাম বৃদ্ধি ও নানা দুর্নীতি করে কৃষকদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে। আমরা তা থেকে উন্নত অবস্থায় এনেছি। আমরা বিশ্বাস করি এই সরকার কৃষকদের দেশের সার্বিক উন্নয়নে অংশীদার নিশ্চিত করে একটি মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে যাবে।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব-উল আলম হানিফ বলেন, ‘যখন মানুষ আশান্বিত তখন বিএনপির নেতারা হতাশ হয়। কারণ এরা এদেশের উন্নয়ন পছন্দ করে না। সম্মেলনে সারাদেশের মানুষ যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে এই ধারাবাহিকতা যদি অব্যাহত থাকে তবে এই লুটেরা বিএনপি আর কোনোদিন ক্ষমতায় আসতে পারবে না।’

আগামী নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সংবিধান অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন এবং তারা নির্বাচন পরিচালনা করবেন।’ বিএনপিকে আগামী নির্বাচনের আমন্ত্রণ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যদি জনগণের প্রতি আস্থা থাকে তবে নির্বাচনে আসবেন। সেখানে বোঝা যাবে এদেশের মানুষ কাদের চান।’

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন আয়োজক সংগঠনের সভাপতি মো. মোতাহার হোসেন মোল্লা।

তথ্যসূত্র: দ্য রিপোর্ট

আপনার মতামত লিখুন

রাজনীতি বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ