সোমবার,১৬ই জুলাই, ২০১৮ ইং,১লা শ্রাবণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ১০:২৬
পার্বতীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তারের অভাবে স্বাস্থ্য সেবা ব্যাহত মানুষের দুঃখ দুর্দশা দেখলে প্রধানমন্ত্রীর প্রাণ কাঁদে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী শপথ নিলেন পিএসসির নবনিযুক্ত সদস্য নুরজাহান বেগম রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের পাশে থাকবে আইওএম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন শুরু ৩১ জুলাই কুমিল্লায় সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত বীজতলা নষ্ট করায় প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত কৃষক

‘শেকৃবি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এদেশে কৃষি শিক্ষার গোড়াপত্তন হয়েছিল’

3 months ago , বিভাগ : শিক্ষা,

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: প্রাক্তনদের স্মৃতিচারণ, আড্ডা, ভাব-বিনিময় ও আলোচনা সভার মাধ্যমে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি) এলামনাই এসোসিয়েশনের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির ’অভিষেক ও পূণর্মিলনী’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে এটি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে ৪জন বিশিষ্ট কৃষিবিদকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

এ উপলক্ষে এলামনাই এসোসিয়েশনের সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহাম্মদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ মেজবাহ উদ্দিনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, বিশেষ অতিথি বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কৃষি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা সুদীর্ঘ ইতিহাস আছে। এর প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এ অঞ্চলে কৃষি শিক্ষার গোড়াপত্তন হয়েছিল।

তিনি আরো বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন স্নাতক পর্যায়ে ২ হাজার ৮৮ জন, স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ১ হাজার সাত জন, পিএইচডিতে ৭৪ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত আছে। তাই নিঃসন্দেহে অল্প সময়ে এটি বড় ও উন্নত বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হয়েছে।

তিনি খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে কৃষিবিদদের অবদানের প্রশংসা করে বলেন, যখন দেশের জনসংখ্যা মাত্র পাঁচ-সাত কোটি ছিল তখন বন্যা, খরাসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানুষকে না খেয়ে থাকতে হতো। কিন্ত গত বছর তিনবার বন্যা হওয়ার পরও কেউ না খেয়ে থাকেনি। এটা সম্ভব হয়েছে কৃষিবিদদের উন্নত আবিষ্কার, কৃষক ও সরকারের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলে।

বিশেষ অতিথি বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, রাজধানীতে এটি (শেকৃবি) একমাত্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। এটি দেশের কৃষি খাতের পথ প্রদর্শক। আমি চাই এটি এদেশের কৃষিকে উন্নত পথ দেখাবে। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এখানে গবেষণার জন্য আসবে। বিশ্বব্যাপী এর সুনাম ছড়িয়ে পড়বে। এটি পরিণত হবে কৃষির অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে। আগামীতে যাতে এই বিশ্ববিদ্যালয় আরো ভাল করে সেজন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাইয়ের সদস্যদের একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

আলোচনা সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা স্মৃতিচারণ করেন। সভা শেষে কৃষিখাতে বিশেষ অবদানের জন্য ৫ জন কৃষিবিদকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। তারা হলেন, এ বি এ সিরাজউদ্দৌলা, এম এ জলিল, ড. কাজী বদরুদ্দোজা, এস এম হাসানুজ্জামান ও মো. মাহাবুবুজ্জামান।

আপনার মতামত লিখুন

শিক্ষা বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ