মঙ্গলবার,২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং,১১ই আশ্বিন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ১২:৫৫

চিরিরবন্দরের সার্জেন্ট আলতাফের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির উৎপাদন সাময়িক বন্ধ শৈলকুপায় মোবাইল চার্জার বিস্ফোরনে গৃহবধূ মৃত্যু শৈলকুপার গড়াই নদীতে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত চোট কাটিয়ে নেটে ফিরেছেন তামিম কলাপাড়ায় ১১ রাখাইন পল্লীর বাসিন্দাদের নিয়ে কমিউনিটি পুলিশিং সভা।। চিরিরবন্দরে কৃষি বিভাগের উদ্যোগে বিভিন্ন গ্রামে চলছে তাল বীজ রোপন কর্মসূচি

শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী

shak-hasina_32524মুক্তিনিউজ24.কম ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শিক্ষা হলো আমাদের ছেলে-মেয়েদের অধিকার। আর তা নিশ্চিত করা যেকোনো সরকারের দায়িত্ব।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ২০১৬’-এর উদ্বোধন উপলক্ষে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধামন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার পথ অনুসরণ করে শিক্ষাকে আমরা অধিকার হিসেবে ঘোষণা দিয়েছি। শিক্ষার মাধ্যমে আমরা জাতিকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে এনেছি। সারা বিশ্বে শিক্ষায় মেয়েদের অংশগ্রহণ কম বলে ছেলে-মেয়ে সমতা আনার কথা বলা হয়। আর আমাদের দেশে উল্টো। এখানে মেয়েদের সংখ্যা বেশি বলে এখন ছেলেদের এগিয়ে আনতে হবে।
শেখ হাসিনা বলেন, নিরক্ষরমুক্ত দেশ গড়তে সাবইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। নিজ নিজ জায়গা থেকে সবাই মিলে কাজ করলে নিরক্ষর মুক্ত দেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ১৯৯৬ সালে এসে সাক্ষরতার হার বাড়িয়ে ৬৫.৫ শতাংশে উন্নত করে। এ জন্য ১৯৯৮ সালে ইউনেস্কো পুরস্কার দেয়। কিন্তু ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এলো। তারা আমাদের নেওয়া উদ্যোগগুলো বন্ধ করে দেয়। তখন সাক্ষরতার হার কমে যায়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা শিক্ষার প্রসারে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করে যাচ্ছি। ২০১০ সালে আধুনিক বিজ্ঞানসম্মত জাতীয় শিক্ষা নীতি আমরা প্রণয়ন করি। যে শিক্ষা নীতিমালা অত্যন্ত আধুনিক।
শেখ হাসিনা বলেন, আমরা শিক্ষার প্রসারে শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দিয়ে যাচ্ছি। সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা, সর্বচ্চো ২ হাজার টাকা দেয়া হচ্ছে। এর ফলে ছেলেমেয়েরা পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারছে।
ছেলেমেয়েদের জন্য বাবা-মাকে এখন আর কষ্ট করে বই কিনতে হয়না বলেও উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১০ সালে আমরা অত্যন্ত বিজ্ঞানসম্মত ও যুগোপযোগী শিক্ষানীতি ঘোষণা করেছি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্ট থেকে দরিদ্র মেধাবী ও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দিয়ে যাচ্ছি। প্রায় ১ কোটি ২৮ লাখ শিক্ষার্থী সেখান থেকে বৃত্তি পাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা তহবিল থেকেও বৃত্তি দিয়ে আমরা অভিভাবকদের ভার লাঘব করছি।
শেখ হাসিনা বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়েছি, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম চালু হচ্ছে। এখন ঝরেপড়ার হার মাত্র ২০ শতাংশ, যা আরো নামিয়ে আনা হবে।
এবারের আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবসের স্লোগান ‘অতীতকে জানব, আগামীকে গড়ব’।
আপনার মতামত লিখুন

জাতীয় বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ