বৃহস্পতিবার,২১শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং,৬ই আশ্বিন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সময়: দুপুর ২:৪০

স্নাতক পাসেই এসকেএফে চাকরি দায় যুদ্ধাপরাধের ভিক্ষুক মায়ের পাশে ডিআইজি মোকামে চালের দর কিছুটা কমেছে, প্রভাব নেই খুচরা বাজারে সোনার দাম বাড়ার পর এবার কমলো শাবিপ্রবিতে ‘মেকানিক্যাল ইননোভেশন’ শুরু ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ০৫:৪১ জাবি ছাত্রলীগের হল কমিটি হবে কবে?

রোহিঙ্গা ইস্যু: নেতিবাচক প্রভাব পড়বে মিয়ানমারের অর্থনীতিতে

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: রাখাইন রাজ্যের সহিংসতায় বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ী মহলে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে তা মিয়ানমারের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। রাজধানী নাইপিদোতে সম্প্রতি হয়ে যাওয়া মিয়ানমার গ্লোবাল ইনভেস্টমেন্ট ফোরামে দেশটির বিনিয়োগ কমিশনের সচিব এ মন্তব্য করেছেন। তবে তিনি মনে করেন, এই উদ্বেগ ও সহিংস পরিস্থিতি দীর্ঘ না হলে তা দেশের অর্থনীতিতে কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না।

পুঁজিবাজারে গত বছরই প্রথম ইয়াঙ্গুন স্টক এক্সচেঞ্জ (ওয়াইএসএক্স) চালু করে মিয়ানমার। যেটা এখনো তেমন উন্নতি করতে পারেনি। গত এক বছরে স্টক এক্সচেঞ্জটিতে মাত্র ৪টি কোম্পানি তালিকাভুক্ত হয়েছে। শিগগিরই আরও কোম্পানি তালিকাভুক্ত ও বিদেশি বিনিয়োগ আসার কথা রয়েছে।

বর্তমানের এ সহিংসতায় সেই অগ্রগতিও বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কমিশনের সচিব উ অং নাইং বলেন, রাখাইনের উত্তরাঞ্চলে এখন সংকট চলছে। কিন্তু সব বিনিয়োগ তো দক্ষিণাঞ্চলে এবং দেশের বাইরে। সুতরাং এ সহিংসতায় দেশে বিদেশি বিনিয়োগে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না।

তিনি বলেন, “তবে এটা যদি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে রাজনৈতিক এই অস্থিরতা এফডিআইতে প্রভাব ফেলবে।”

এক পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি বলেন, ২০১৩ সালের পর রাখাইনে মোট ২.৮ বিলিয়ন ডলারের বিদেশি বিনিয়োগ অনুমোদন করা হয়েছে।

যদি এলাকাটির নেতিবাচক প্রভাব পড়তো তবে বিদেশি বিনিয়োগে কোনো আগ্রহ দেখা যেত না। সুতরাং রাখাইনের সহিংসতায় বিদেশি বিনিয়োগে কোনো প্রভাব পড়বে বলে আমি মনে করি না।

তিনি আরও জানান, সহিংসতাপূর্ণ এলাকায় কোনো স্থানীয় বিনিয়োগ নেই।

কিছুদিন আগে রাজ্যের অর্থমন্ত্রী ইউ কে আই থিন জানান, উত্তর রাখাইনের মংডু এলাকায় তারা একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়তে চান।

এই প্রকল্পের লক্ষ্য হবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দীর্ঘ মেয়াদি অর্থনৈতিক উন্নয়নের উপর ভিত্তি করে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার উন্নয়ন করা।

কিন্ত উ অং নাইং বলেন, মংডু প্রকল্পের জন্য কোনো সরকারি নির্দেশনা বা প্রস্তাবনা নেই, যা পূর্ববর্তী সরকারের অধীনে অনুমোদিত ছিল।

উল্লেখ্য, গত ২৫ আগস্ট রাখাইনে নিরাপত্তা বাহিনীর একটি সেনা ক্যাম্পে রোহিঙ্গা বিদ্রোহীরা হামলা চালায়। এতে প্রায় দুই ডজন মানুষ নিহত হয়। এর জেরেই দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী রোহিঙ্গাদের প্রতি সহিংস অভিযান শুরু করে।

জাতিসংঘের তথ্য মতে, সহিংসতা থেকে বাঁচতে গত ৩ সপ্তাহে প্রায় ৪ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।

আপনার মতামত লিখুন

আন্তর্জাতিক বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ