বৃহস্পতিবার,১৯শে অক্টোবর, ২০১৭ ইং,৪ঠা কার্তিক, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সময়: বিকাল ৩:০৭

গাইবান্ধায় শেখ রাসেলের জন্মদিন পালিত সাঘাটায় সিএনজি চালককে হত্যা গোবিন্দগঞ্জ সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের উদ্যোগে মা-সমাবেশ অনুষ্ঠিত সুন্দরগঞ্জে ৬ জুয়াড়ির কারাদন্ড পলাশবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান ও ভাইস-চেয়ারম্যানের পুনরায় দায়িত্ব গ্রহণ পঞ্চগড়ে সড়ক দূর্ঘটনায় ৫ম শ্রেণীর স্কুল ছাত্রীর মৃত্যু: মহাসড়ক অবরোধ বাগমারায় শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে শ্রীপুর ছাত্রলীগের সভা

‘রোহিঙ্গাদের একেবারে বিদায়ের লক্ষ্য মিয়ানমারের সেনাদের’

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক:  রাখাইন থেকে রোহিঙ্গাদের তাড়ানোর পাশাপাশি তাদের ঘর, শস্য ও গ্রাম জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে, যা এই জনগোষ্ঠীর সেখানে ফিরে যাওয়া ঠেকাতে করা হয়েছে বলে মনে করছে জাতিসংঘের মানবাধিকার দফতর।
জাতিসংঘের মানবাধিকার দফতরের এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রধান জ্যোতি সাংঘেরা বুধবার রোহিঙ্গাদের ওপর সহিংসতা বন্ধের জন্য মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চির প্রতি আহ্বান জানান। রোহিঙ্গারা বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে ফিরলে তারা বন্দিদশায় পড়তে পারেন বলে শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘গ্রামগুলো যদি পুরোপুরি ধ্বংস করা হয় এবং তাদের জীবিকার সম্ভাবনা নষ্ট করা হয়, তাহলে আমাদের ভয় হয় যে, তাদের বন্দি করা বা ক্যাম্পে আটকানো হতে পারে।’
মিয়ানমার সেনাবাহিনীর তাড়া খেয়ে গেল মাসে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা ৬৫ জন রোহিঙ্গার সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে তৈরি করা এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৫ অগাস্ট মিয়ানমারের পুলিশ পোস্টে বিদ্রোহীদের হামলার আগে থেকেই সেখানে ‘তাড়ানোর অভিযান’ শুরু হয় এবং তাতে হত্যা, নির্যাতন ও শিশুদের ধর্ষণের মতো ঘটনা ঘটানো হয়।
জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাই কমিশনার যাইদ বিন রাআদ আল-হুসেইন এক বিবৃতিতে বলেন, মিয়ানমার সেনাবাহিনী যে কাজ করেছে, তা ফেরার সম্ভাবনা না রেখে বিপুলসংখ্যক মানুষকে জোর করে স্থানান্তরের কৌশল বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে।
মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে রোহিঙ্গাদের সম্পদ ধ্বংস, তাদের বসত বাড়ি এবং উত্তর রাখাইনের সব গ্রাম জ্বালিয়ে দিচ্ছে বলে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়ার কথা বলা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রায়ই সশস্ত্র রাখাইন বৌদ্ধদের সঙ্গে নিয়ে নিরাপত্তা বাহিনী রোহিঙ্গাদের ঘরবাড়ি, জমি, সংরক্ষিত খাবার, শস্য ও প্রাণিসম্পদের যে ক্ষতি করেছে তাতে রাখাইনের উত্তরাঞ্চলে তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরা ‘প্রায় অসম্ভব’ হয়ে পড়েছে।
গত ১৪ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলা ওই প্রতিনিধি দলের প্রধান টমাস হানেকে বলেন, ‘সেখানে গণহত্যা হয়েছে কি না সে বিষয়ে অনুসন্ধান চালানোর মতো অবস্থায় আমরা ছিলাম না। কিন্তু রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী যে পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে তা কোনোভাবে কম গুরুতর নয়।’
আহত রোহিঙ্গাদের চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের ফেরা ঠেকাতে মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী সীমান্ত বরাবর মাইন পুঁতেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
 সূএ: এবিনিউজ 
আপনার মতামত লিখুন

আন্তর্জাতিক বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ