বৃহস্পতিবার,২৩শে নভেম্বর, ২০১৭ ইং,৯ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ১০:৫২
হবিগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩ ২০১৯ সালের মধ্যে ১শ’ কারিগরি স্কুল-কলেজ হচ্ছে পার্বতীপুরে মধ্যপাড়া পাথর খনির ২৫ শ্রমিক পুরস্কৃত আক্রোশের বলি কোমলমতি পরীার্থীরা হবিগঞ্জে মাইক্রোবাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ৩ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের সাথে পরিবহন শ্রমিকদের সংঘর্ষে ৪ জন আহত তুচ্ছ ঘটনায় দিনাজপুরে ২টি বাসে আগুন ॥ সমঝোতা বৈঠক সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ ॥ অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট ॥ চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ ফুলবাড়ীতে আন্ত : সম্পর্ক উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত

রাজধানীতে বায়ু দূষণে বাড়ছে ক্যানসারের ঝুঁকি

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক:  প্রতিনিয়তই বাড়ছে রাজধানী ঢাকার বায়ু দূষণ। বাতাসে বাড়ছে মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকারক পিএম ২.৫ এর মাত্রা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন এতে ফুসফুসজনিত নানা রোগসহ বাড়ছে ক্যানসারের ঝুঁকি। সমস্যা সমাধানে বায়ু দূষণের উৎসগুলো নিয়ন্ত্রণে কঠোর হওয়ার তাগিদ পরিবেশবিদদের। যদিও নিজেদের সীমাবদ্ধতা থাকলেও দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস দিচ্ছে পরিবেশ অধিদপ্তর।

দেখে মনে হবে কুয়াশার চাদরে মোড়া শীতের সকাল। আমলে বাস্তবতা হচ্ছে ধুলোয় ভাসছে এই তিলোত্তমা ঢাকা।

রাজধানীর মিরপুর এলাকার চিত্র এটি। এমনিতেই ধুলা তার উপর বেপরোয়া যানবাহন প্রতিনিয়ত দূষিত করছে বায়ু। ধুলোর প্রলেপে রং হারাচ্ছে প্রকৃতি। ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবন।

স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, গাড়ি আসা-যাওয়াতে রাস্তার ময়লাগুলো অনেকটা উড়ে। যার কারণে মুখে আসে শরীরে আসে।

বৈশ্বিক বায়ু পরিস্থিতি ২০১৭’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ১৯৯০ থেকে ২০১৫ সালে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি দূষণ বেড়েছে ভারত আর বাংলাদেশে। তালিকায় আছে পাকিস্তান, চীন ও মঙ্গোলিয়া।

প্রতিবেদনে বলা হয় বায়ুতে যেসব ক্ষতিকারক উপাদান রয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক পিএম ২.৫। এই উপাদান নির্গত দেশগুলোর মধ্যে চীন ভারতের পরেই বাংলাদেশের অবস্থান। আর এর ফলে প্রতিবছর দেশে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মৃত্যুর মুখে পড়ছে বছরে প্রায় ১ লাখ ২২ হাজার ৪শ’ জন মানুষ।

সাধারণত ইটভাটা আর শিল্পকারখানা থেকে নির্গত কালো ধোঁয়া,পরিবহনের ধোঁয়া, নির্মাণাধীন বিভিন্ন প্রকল্প আবর্জনা এই তিনটি উৎস থেকে দূষিত হয় বায়ু। এসব দূষিত বায়ুর কারণে প্রতিনিয়তই বাড়ছে শ্বাসকষ্ট জনিত ও ফুসফুসে ক্যানসারের মত রোগ।

দূষিত বায়ুর শহরের তালিকায় এক নম্বরের তালিকায় ভারতের নয়াদিল্লীতে গত মঙ্গলবার বায়ু দূষণের মাত্রা ছিলো বিশ্বের স্বাস্থ্য সংস্থার বেঁধে দেওয়ার সর্বোচ্চ সীমার ৩০ গুণ বেশি। ঘন কুয়াশা ঢেকে যাওয়া সেখানে জরুরি স্বাস্থ্য সর্তকতা জারি করেন প্রশাসন। দূষিত বায়ু তালিকা ভারতের নয়াদিল্লীর পর রয়েছে ঢাকা।

নিয়মনীতির তোয়াক্কা শিল্পকারখানা আর অনিয়ন্ত্রিত পরিবহন খাতেই এজন্য দায়ী করেছন বিশেষজ্ঞরা।

পরিবেশবিদরা বলেন, ‘দশ মাইক্রো অন্তত বাঁধা দিতো। অর্থাৎ বুকে যে ধাক্কা দেওয়ার আগ পর্যন্ত অনেক গুলো বাঁধা দিতো। কিন্তু ২.৫ মাইক্রো বাঁধা পায় না সরাসরি ল্যানসে চলে যায়। সব মিলে আমরা যে অবস্থানে আছি সেখান থেকে বের হয়ে আসতে হবে।’

পরিবেশ অধিদপ্তর বলছে নানা সীমাবদ্ধতার কারণে গতি আসছেন কাজে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মাসুদ ইকবাল মো.শামিম বলেন, ‘আমাদের লোকবল অত্যন্ত কম। যে হারে আমাদের কাজ করা উচিত সেভাবে কাজ করতে পারি না।’

বর্ষার সময় বায়ু দূষণের মাত্রা কমলেও শুষ্ক মৌসুমে তা বহুগুণ বেড়ে যায়।

সূএ: সময়টিভি

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ