শনিবার-২০শে এপ্রিল, ২০১৯ ইং-৭ই বৈশাখ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ১০:১৯
পার্বতীপুর মধ্যপাড়া খনিতে ১৬ দিন ধরে পাথর উত্তোলন বন্ধ কাল ব্রুনাই যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী কল্পনাকে জাগ্রত করেই সঠিক সাফল্য অর্জিত হয় দিনাজপুরের হাকিমপুরের লোহা, চম্বুক ও চুনা পাথরের খনি আবিস্কারে দ্বিতীয় পর্যায়ে ভূমি জরিপ শুরু করেছে বাংলাদেশ ভূ-তাত্বিক জরিপ অধিদপ্তর। । বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি এলাকায় সড়ক দূর্ঘটনায় খনি শ্রমিক নিহত ॥ চিরিরবন্দরে ইজিবাইক ছিনতাই॥ দিনাজপুরে কৃষক লীগের ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ॥

মেয়ের বুকে ছ্যাঁকা দেওয়ার আফ্রিকার প্রথা এখন লন্ডনে

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: কিশোরীদের বুকে গরম পাথর দিয়ে আয়রন করার সেই আদিম-আফ্রিকান পদ্ধতি আবার চাঙা হয়ে উঠেছে ব্রিটেনে। আফ্রিকান অভিবাসীদের সঙ্গে এ প্রথা এখন লন্ডনে গিয়ে পৌঁছেছে।

পুরুষদের যৌন লালসা থেকে মেয়েদের বাঁচাতে স্তনের বৃদ্ধি ঠেকানোকেই অনেক মায়েরা উপায় হিসেবে মনে করছেন। আর সেজন্যই দেওয়া হয় গরম ছ্যাঁকা।

সম্প্রতি দক্ষিণ লন্ডনে এমন ঘটনার প্রমাণ মিলেছে বলে জানিয়েছে লন্ডনের সমাজকর্মীরা। ১৫ থেকে ২০ জন কিশোরীকে এভাবে ছেঁকা দেয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

এ প্রথার নাম ব্রেস্ট আইরনিং। মায়েদের ধারণা, এর ফলে তার কন্যাসন্তান পুরুষদের যৌন নির্যাতন থেকে নিজেদের বাঁচাতে পারবে। কিন্তু মেয়েদের এক যন্ত্রণা থেকে নিষ্কৃতি দিতে গিয়ে যে আরও যন্ত্রণা এবং আরও বেশি ঝুঁকির দিকে ঠেলে দিচ্ছেন তারা।

কীভাবে করা হয় এই চেস্ট আইরনিং? মা বা পরিবারের বয়স্ক নারীরা প্রথমে পাথরের টুকরো খুব গরম করে নেন। তার পর সেই পাথরের টুকরোটা কিশোরীর বুকের ওপর রাখা হয়। সেই গরম পাথরের টুকরো দিয়ে মাসাজ করা হয়। পাথরের টুকরো ঠাণ্ডা হয়ে এলে ফের সেটা গরম করে একই পদ্ধতিতে ঘষা হয়। এ ভাবে বারবার গরম ছেঁকা দিলে স্তনের কোষগুলো ভেঙে যায়। কোষের বৃদ্ধি হ্রাস পায়। ফলে স্তনের বৃদ্ধি থেমে যায় কিশোরীদের।

জানা যায়, আফ্রিকার ক্যামেরুনে এ প্রথার প্রথম প্রচলন হয়। ক্যামেরুনের পুরুষশাসিত সমাজ মনে করত যে, মেয়েদের স্তনের বৃদ্ধি শুরু হওয়া মানেই তারা যৌন সম্পর্ক স্থাপনের জন্য তৈরি। জোর করে বিয়েও দিয়ে দেয়া হতো তাদের। তা রুখতেই এ পদ্ধতি শুরু করেন মায়েরা। সে পদ্ধতি ক্রমশ আফ্রিকার অন্যান্য দেশেও ছড়িয়ে পড়ে। আর এখন তা লন্ডনেও পৌঁছেছে। সূত্র: কালের কন্ঠ

আপনার মতামত লিখুন

আন্তর্জাতিক বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ