বৃহস্পতিবার,১৩ই ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং,২৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, সময়: সকাল ১০:৩১
স্বাধীনতার শত্রুদের উচিত জবাব নৌকায় ভোট যতই ষড়যন্ত্র হোক আমি ভয় পাই না: প্রধানমন্ত্রী পলাশবাড়ীতে ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস পালিত নৌকায় ভোট দিয়ে সন্ত্রাসীদের ক্ষমতায় আসার পথ বন্ধ করুন পলাশবাড়ীতে চাল ক্রয়ের উদ্বোধন গোবিন্দগঞ্জে দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার পার্বতীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত বিজিবি সদস্যের মৃত্যু

কোরবানিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়বে না : পরিকল্পনামন্ত্রী

মূল্যস্ফীতি কমতির দিকে

4 months ago , বিভাগ : অর্থনীতি,

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার বাড়তি হলেও সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমতির দিকে বলে জানালেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলানগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী আশ্বস্ত করে বলেন, ‘আসছে কোরবানির ঈদে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়বে না। স্থিতিশীল থাকবে।’

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ড. শামসুল আলম, তথ্য ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব সৌরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীসহ অন্যরা।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, জুলাই মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৫.৫১ শতাংশে, যা জুন মাসে ছিল ৫.৫৪ শতাংশ। খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬.১৮ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৫.৯৮ শতাংশ। খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৪.৪৯ শতাংশে, যা তা আগের মাসে ছিল ৪.৮৭ শতাংশ।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর দেওয়া তথ্য মতে, জাতীয়, গ্রাম বা শহরে সব ক্ষেত্রে খাদ্যপণ্য মূল্যস্ফীতির হার বেড়েছে। কমেছে খাদ্যবর্হিভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি। পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘স্থানীয় বাজারে নিত্যপণ্যের চাহিদা ও জোগানের মধ্যে সমন্বয় রয়েছে। অর্থাৎ চাহিদা ও সরবরাহ ঠিক আছে। এ ছাড়া আমাদের এক্সচেঞ্জ রেট কিছুটা বাড়লেও যেসব খাদ্যপণ্য আমরা আমদানি করি সেসব পণ্যের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়েনি। ফলে মূল্যস্ফীতি কমেছে। আমরা আশা করছি, আগামীতে মূল্যস্ফীতি বাজেটের লক্ষ্যমাত্রার মধ্যেই থাকবে।’

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রামে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার কমে দাঁড়িয়েছে ৫.০৪ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৫.০৭ শতাংশ। খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫.৩৪ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৫.২৫ শতাংশ। খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৪.৪৯ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৪.৭৬ শতাংশ।

অন্যদিকে শহরে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার কমে দাঁড়িয়েছে ৬.৩৭ শতাংশে, যা জুন মাসে ছিল ৬.৩৯ শতাংশ। খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮.০৮ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৭.৬৩ শতাংশ। খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৪.৫০ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৫.০৩ শতাংশ। সূত্র: কালের কণ্ঠ

আপনার মতামত লিখুন

অর্থনীতি বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ