সোমবার,২৩শে অক্টোবর, ২০১৭ ইং,৮ই কার্তিক, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সময়: দুপুর ১২:০৪

‘সিক্রেট সুপারস্টারের’ দ্বিতীয় দিনের আয় কত? চুরিকৃত অর্থ উদ্ধার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে: বাংলাদেশ ব্যাংক ঘুরে দাঁড়াবে বাংলাদেশ : ডি কক মার্সেইয়ের সঙ্গে পিএসজির ড্র দাদির জন্মদিনে কংগ্রেসের হাল ধরবেন রাহুল গান্ধী! কাতারের সঙ্গে সরাসরি আলাপ চায় না সৌদি : টিলারসন নবজাতকদের অন অ্যারাইভাল ভিসা দিচ্ছে সৌদি আরব

মিল মালিকদের কাছে চাল ব্যবসায়ীরা জিম্মি হয়ে পড়েছে এলসি খোলা জরুরী

download-1

মোঃআরিফ সুমন,বরিশাল ব্যুরো ঃ মিল মালিকদের কাছে চাল ব্যবসায়ীরা জিম্মি হয়ে পড়েছে । ফলে দফায় দফায় চালের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরকারী ভাবে কোন তদারকি না থাকার কারনে মিল মালিকরা তাদের ইচ্ছে মতো চালের দাম বাড়িয়ে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরী করছে। জানাগেছে, দেশের ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় পাচ শতাধিক চালের মিল রয়েছে। উক্ত মিল গুলোতে ইতিমধ্যে হাজার হাজার টন চাল ও ধান মজুদ করে রাখা রয়েছে। পর্যায়ক্রমে চাল বাজারজাত করার নিয়ম থাকলে ও তা না করে এই কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে কালো বাজারে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার পায়তারা চালাচ্ছে।ফায়দা লুটে নিচ্ছে মিল মালিকেরা। ঢাকা রাইস থেকে শুরু করে দেশের বড় বড় মিল গুলো একই কর্মকান্ডে লিপ্ত হয়ে পড়েছে।
দক্ষিনাঞ্চলে চালের মিলের সংখ্যা অতি নগন্য।বরিশাল বিভাগে দপদপিয়া,নলছিটি গৌরনদীতে ছোট ছোট কায়েকটি চালের মিল থাকলে ও তা চাহিদার তুলনায় অতি নগন্য।
ফলে দক্ষিন বঙ্গে ও উত্তর বঙ্গে চালের সংকট দিন দিন তীব্র হচ্ছে। উত্তর বঙ্গের চালের মুল চালান আসে। এ দিকে বরিশালের চালের আরৎ এ খোজ নিয়ে দেখা গেছে মোটা চালের দাম বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।এ ব্যাপারে আলাপকালে ফরিয়াপট্রি চালের বাজারে মেসাস্ শাজাহান ষ্টোরের মালিক শাহজাহান হাওলাদার বলেন-মোকামে মিনিকেট চাল কুইন্টাল আগে ৪১ শত টাকা থাকলে ও বর্তমানে তা ৪৩ শত টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
বুলেট চাল মোকামে ৫০ কেজির দাম আগে ছিল ১৭ শত টাকা বর্তমানে ৩৩৫০ টাকায় পঞ্চাশ কেজির বস্তা বিক্রি হচ্ছে। সাতক্ষিরা চিংড়ি চাল মোকামে ৩২ শত টাকা কুইন্টাল বিক্রি হলে ও বর্তমানে তা ৩৭ শত টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।দাদা মিনিকেট আগে কুইন্টাল ৪২ শত টাকা ছিল বর্তমানে তা ৪৪ শত টাকা দরে মোকামে বিক্রি হচ্ছে।
আঠাশ চাল কেজিতে ৬ টাকা দাম বেড়েছে। মিল মালিকদের দৌরাত্বে এ রকম হয়েছে বলে তিনি স্বীকার করেন। তিনি আরো জানান,সরকার ৩২ টাকা দরে বুলেট চাল মিল থেকে কিনে তা হত দরিদ্রদের মাঝে ১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছে। এ দিকে আলাপকালে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ব্যবসায়ীরা জানিয়েছে, চালের এলসি খোলা জরুরী। বর্তমানে দাম বৃদ্ধি পেয়ে মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে চলে যাচ্ছে। এলসি খুললে এ সমস্যার সমাধার হবে বলে তারা জানান।

আপনার মতামত লিখুন

বরিশাল,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ