সোমবার,২৩শে এপ্রিল, ২০১৮ ইং,১০ই বৈশাখ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ৩:৫০
‘পুষ্টিক্ষেত্রে কাঙ্খিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সমন্বিত কার্যক্রমের বিকল্প নেই’ বিএনপি-জামায়াতের অপপ্রচারের উপযুক্ত জবাব দিন : প্রধানমন্ত্রী বিয়ে না দেওয়ায় লালপুরে প্রেমিক প্রেমিকার আত্মহত্যা সৈয়দপুর মুক্তিযোদ্ধা কোটা পূণর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ বাংলাদেশ স্বাস্থ্য ও পুষ্টিখাত উন্নয়নে বিশ্বে রোল মডেল: রাষ্ট্রপতি এইচএসসি: ভূগোল দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা ১৪ মে কলকাতায় বিজ্ঞাপনের শুটিং করলেন নিপুণ

ভোল পাল্টালেন ধর্মগুরুর জননাঙ্গ কেটে ফেলা সেই ছাত্রী!

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: ধর্ষণের অভিযোগে গত মাসে এক ধর্মগুরুর জননাঙ্গ কেটে ফেলেছিলেন ভারতের কেরালা রাজ্যের ২৩ বছর বয়সী এক ছাত্রী। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, ধর্মগুরু গণেশানন্দ ১৬ বছর বয়স থেকে তাঁকে নিয়মিত ধর্ষণ করতেন। তাই তিনি ক্রুদ্ধ হয়ে জননাঙ্গ কেটে দেন।

কিন্তু সেই ছাত্রীই এখন বলছেন উল্টো কথা! তিনি গণেশানন্দের আইনজীবীকে লেখা চিঠিতে জানিয়েছেন, কেরালার কোল্লামের পানামা আশ্রমের বাসিন্দা গণেশানন্দ তাঁকে কখনোই ধর্ষণ করেননি। তিনি কখনোই যৌন নিপীড়নের শিকার হননি।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অভিযোগের সময় ওই ছাত্রী জানিয়েছিলেন, গণেশানন্দ তাঁকে বহুবার ধর্ষণ করেছেন। এমনকি যেদিন তিনি গণেশানন্দের জননাঙ্গ কাটেন, সেদিনও তাঁকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়। এতে ক্রুদ্ধ হয়ে তিনি এ কাণ্ড ঘটান।

গণেশানন্দের আইনজীবীকে দেওয়া চিঠিতে ওই ছাত্রী লেখেন, ‘স্বামীজি আমাকে কখনো যৌন নিপীড়ন করেননি। আমার বয়স যখন ১৮ ছিল, তখনো না। আমি স্বামীজির বিরুদ্ধে ১৬-১৭ বছর বয়সে প্রথম ধর্ষণ করার যে অভিযোগ এনেছিলাম, তা-ও মিথ্যা। এটা পুলিশ কর্তৃক সংযোজিত।’

ওই ছাত্রী সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে নিশ্চিত করেছেন, চিঠিটা তিনিই গণেশানন্দের আইনজীবীকে লিখেছেন।

স্থানীয় তিরুবনন্তপুরম আদালতে সোমবার এই মামলার দ্বিতীয় শুনানির দিন রয়েছে। ওই ছাত্রীর আইনজীবী জানিয়েছিলেন, তিনি আদালতে আলাদা অথবা স্বাধীন গোয়েন্দা সংস্থায় এ মামলার তদন্তের দাবি জানাবেন। আর তার ঠিক আগমুহূর্তে এই ঘটনা ঘটল।

চিঠিতে ওই ছাত্রী আরো অভিযোগ করেছেন, স্বামীকে জড়িয়ে ধর্ষণের বিবৃতি দিতে পুলিশ তাঁকে বাধ্য করেছিল। পুলিশের পুনরায় লেখা বিবৃতি তিনি পড়েও দেখেননি। কারণ, তিনি মালায়লাম ভাষা পড়তে পারেন না।

তবে পুলিশ বলছে, তাঁরা আদালতের কাছে ওই ছাত্রীর ‘মিথ্যা শনাক্তকরণ’ পরীক্ষার (লাই-ডিটেকশন টেস্ট) অনুমতি চাইবেন। কারণ তাঁরা মনে করছেন, ওই ছাত্রী মিথ্যা বলছেন।

আপনার মতামত লিখুন

আন্তর্জাতিক বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ