বৃহস্পতিবার,২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ইং,৯ই ফাল্গুন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ৪:১৭
বৌ সাজানো প্রতিযোগিতা শুরু করলেন কেকা ফেরদৌসী ১৮ নম্বরে শাকিব কলকাতার সেরাদের তালিকায় পলাশবাড়ী স্বেচ্ছায় রক্তদান সংগঠনের প্রথম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত শৈলকুপায় খাবার হোটেলসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা হাতীবান্ধায় স্টুডেন্ট কাউন্সিল অনুষ্ঠিত ৩১ মার্চ চতুর্থ ধাপের উপজেলা নির্বাচন হবে : ইসি সচিব ডোমার ভিত্তি বীজ আলু উৎপাদন খামারে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা।

ভূমিহীন ও অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বাসস্থান নির্মাণ কাজ চলছে

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: ভূমিহীন ও অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বাসস্থান নির্মাণ কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন। আজ মঙ্গলবার বিকেলে ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট মো. ফজলে রাব্বী মিয়ার সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান।

সরকার দলীয় সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আরো জানান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ’ভূমিহীন ও অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বাসস্থান নির্মাণ’ শীর্ষক প্রকল্পটি স্থানীয় সরকার বিভাগের এলজিইডি কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। এ প্রকল্পের মূল প্রকল্প ব্যয় ২২৭ কোটি ৯৮ লাখ।

তিনি জানান, এ প্রকল্পের ডিপিপিতে মোট ২ হাজার ৯৭১টি বাসস্থান নির্মাণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে ২ হাজার ৬৯৮টি বাসস্থান নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। ২৭৩টি বাসস্থান নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। প্রকল্পের সংশোধিত মেয়াদ ২০১৮ সালের জুনের মধ্যে সকল বাসস্থান নির্মাণ কাজ শেষ হবে।

সরকারি দলের সদস্য এম আবদুল লতিফের লিখিত প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী জানান, ঢাকা মহানগরীতে চাহিদা মাফিক বিশুদ্ধ পানি মেঘনা নদী থেকে সরবরাহের লক্ষ্যে সরকার ‘ঢাকা এনভায়রনমেনটালী সাসটেইনেবল ওয়াটার সাপলাই প্রজেক্ট (ডিইএসডব্লিউএসপি)’ শীর্ষক একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে। এ প্রকল্পের আওতায় মেঘনা নদীর বিশনদী পয়েন্ট (আড়াইহাজার থানাধীন) থেকে পানি উত্তোলন করে শীতলক্ষ্যা নদীর পূর্বপাড়ে গন্ধর্বপুর নামক স্থানে নির্মাণাধীন পানি শোধনাগারে শোধন করা হবে।

তিনি আরো জানান, এই শোধনাগারে শোধনের মাধ্যমে দৈনিক ৫০ কোটি লিটার পানি ঢাকা মহানগরীতে সরবরাহ করা সম্ভব হবে। প্রকল্পের কাজ ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে শেষ হবে বলে জানান তিনি।

আওয়ামী লীগের সদস্য শফিকুল ইসলাম শিমুলের প্রশ্নের জবাবে খন্দকার মোশাররফ হোসেন জানান, সুপেয় পানি ও কৃষি কাজে ভূ-গর্ভস্থ পানির উপর অধিক হারে নির্ভরশীলতার কারণে ইতিমধ্যে ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর ৩ মিটার হতে ১০ মিটার পর্যন্ত নেমে গিয়েছে। ফলে শুষ্ক মৌসুমে নলকূপে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পাওয়া যায় না। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সরকার থেকে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, ৩৭৫ কোটি টাকা ব্যয়ে গৃহীত একটি প্রকল্পের আওতায় সারা দেশে ৮০৯টি পুকুর পুনঃখনন করা হচ্ছে। তাছাড়া পল্লী অঞ্চলে পানি সরবরাহ প্রকল্পের আওতায় ১৪৩টি পুকুর পুনঃখনন ও ২০০টি পুকুর নতুন ভাবে খনন করা হচ্ছে। এ জলাধারসমূহের পানি ভূ-স্তরে প্রবেশ করে ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর উন্নতিতে সহায়তা করবে।

সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবদুল মুনিম চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে খন্দকার মোশাররফ জানান, প্রতিটি সমবায় সমিতির হিসাবপত্র প্রতি বছর সমবায় অধিদপ্তর কর্তৃক নিরীক্ষা করা হয়ে থাকে। সঠিকভাবে নিরীক্ষা কার্যক্রম নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সমবায় সমিতি আইনে টেস্ট অডিটের বিধান রয়েছে। উর্ধ্বতন/নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ দৈবচয়নের ভিত্তিতে টেস্ট অডিট করে থাকেন। সেক্ষেত্রে নিরীক্ষা কর্মকর্তার কোনো ত্রুটি/গাফিলতি পরিলক্ষিত হলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। পাশাপাশি সমবায় সমিতির হিসাব শুদ্ধভাবে লিপিবদ্ধ করানো হয়।

তিনি আরো জানান, সমবায় সমিতির নিরীক্ষা কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য সমবায় সমিতির হিসাব সংরক্ষণ পদ্ধতি ডিজিটালাইজড করার লক্ষ্যে এ টু আই প্রকল্পের আওতায় ইতিমধ্যে কয়েকটি উপজেলায় রিয়েলটাইম একাউন্টিং সফটওয়্যার প্রণয়ন করে হিসাব সংরক্ষণ করা হচ্ছে। উক্ত হিসাবপত্রের ভিত্তিতে নিরীক্ষাকার্য সম্পাদন করা হচ্ছে। ফলে ইতিমধ্যে বেশ সুফল পাওয়া গেছে। এছাড়া সমবায় অধিদপ্তরের নিরীক্ষা কার্যক্রম ডিজিটালাইজড করার পরিকল্পনা রয়েছে। কালেরকন্ঠ

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তিযুদ্ধ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ