মঙ্গলবার,১৭ই জানুয়ারি, ২০১৭ ইং,৪ঠা মাঘ, ১৪২৩ বঙ্গাব্দ, সময়: সন্ধ্যা ৬:৫৭
লিবিয়ার উপকূলে নৌকাডুবি, বহু শরণার্থী ‘নিখোঁজ’ ২ এপ্রিল এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ! পার্বতীপুরে রেল ইঞ্জিন থেকে তেল পাচার॥ দুই চালক বরখাস্ত ধোলাইখালে ট্রাকের ধাক্কায় চাচা-ভাতিজা নিহত সিরিয়ায় নিজ নৌ এবং বিমান ঘাঁটিগুলোর উন্নয়ন করবে রাশিয়া সাত খুনের মামলার রায় ন্যায় বিচারের প্রমাণ : ওবায়দুল কাদের সাথীর লাকি সেভেন

বেড়েছে ইলিশের দাম

pic_37708মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ায় দাম ছিল সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে। তবে গত কয়েক দিন থেকে আবার ইলিশের দাম বাড়তে শুরু করেছে। বাজারে এখন এক কেজি ওজনের এক হালি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৩৬০০-৪০০০ টাকায়, যা কয়েকদিন আগে ৬০০-৮০০ টাকা কমে বিক্রি হতো।

আজ শুক্রবার রাজধানীর মালিবাগ, মুগদা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এক কেজির বেশি ওজনের বড় ইলিশের হালি বিক্রি হচ্ছে ৫০০০-৭০০০ হাজার টাকা। এক কেজি ওজনের ইলিশের হালি ৩৬০০-৪০০০ হাজার টাকা, আধা কেজির মতো ইলিশের হালি ২৮০০-৩০০০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর সবচেয়ে ছোট ইলিশের হালি মিলছে ৭০০-৮০০ টাকায়।

মালিবাগ বাজারের বিক্রেতা হাজি মো. হানিফ বলেন, এবারের মৌসুমে অন্য যেকোনো বছরের তুলনায় বেশি ইলিশ ধরা পড়েছে। তাই দাম ছিল কম। তবে গত কয়েক দিন থেকে ইলিশ আমদানি অনেক কমেছে, তাই দামও বেড়েছে। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে বড় ইলিশের হালিতে দাম বেড়েছে ৬০০-৮০০ টাকা।

মুগদা বাজার থেকে এক জোড়া ইলিশ কেনেন সরকারি চাকরিজীবী মিজানুর রহমান। তিনি বলেন, ৬০০ গ্রামের কাছাকাছি এক জোড়া ইলিশ কিনলাম ১৪০০ টাকায়। দামটা বেশ চড়া। দুই এক সপ্তাহে আগে এমন ইলিশ ৮০০-১০০০ হাজার টাকায় কিনেছি।

আগামী ১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত ইলিশ আহরণ, বিপণন, ক্রয়-বিক্রয়, পরিবহন, মজুদ এবং বিনিময় নিষিদ্ধ করেছে সরকার। ইলিশের সহনশীল উৎপাদন বজায় রাখার লক্ষ্যে ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সরকার। ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরকারের এই নিষেধাজ্ঞার কারণে অনেকে ইলিশ মজুদ করবেন। ফলে বাজারে বাড়বে চাহিদা, কমবে জোগান। ফলে দামও বাড়বে।

এদিকে কাঁচাবাজারে ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি মূলা ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০০-৫৫ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা, ঝিঙা ৫০ টাকা, কাকরোল ৫০ টাকা, শশা ৪০-৫০ টাকা, বরবটি ৫০-৬০ টাকা, টমেটো ১০০-১১০ টাকা, শিম ১০০-১২০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০-৬০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১২০-১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া প্রতি পিস বাঁধাকপি ৩০-৩৫ টাকা, ফুলকপি ৩০-৩৫ টাকা, লাউ ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আঁটিভেদে শাকের দাম রাখা হচ্ছে ১০ থেকে ৩০ টাকা।

নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মধ্যে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ৩৫-৪০ টাকা, ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ ২০-৩০ টাকা, দেশি রসুন ১৬০-১৭০ টাকা, ইন্ডিয়ান রসুন ১৮০-১৯০ টাকা, আদা ১০০-১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া প্রতি কেজি গরুর মাংস ৪২০-৪৩০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১৩০-১৩৫ টাকা, লেয়ার মুরগি ১৭০-১৮০ টাকা এবং ফার্মের ডিম হালি ৩২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সূত্র-এবিনিউজ

আপনার মতামত লিখুন

অর্থনীতি বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ


%d bloggers like this: