বৃহস্পতিবার,২২শে জুন, ২০১৭ ইং,৮ই আষাঢ়, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ৮:২৩

এবারে 2017-2018 অর্থ বছরের বাজেটে বরাদ্দ নেই বেসরকারী স্কুল কলেজ মাদরাসা এমপিও ভুক্ত বন্ধ অবসর নিলেন লুক রঞ্চি মূত্র থেকে বিদ্যুৎ, চার্জ দেয়া যাবে স্মার্ট ফোন! ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র সাজিয়ে রাখার জন্য তৈরি হয়নি’ ৪০ বছর পুরনো কমপিউটারের দাম তিন কোটি! ৯৫৮ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে চাল সিন্ডিকেট ঈদুল ফিতরের চাঁদ দেখা কমিটির বেঠক ২৫ জুন

বাবার কথা শুনে উচ্চ স্বরে গান গাইতাম, দারুণ কিছু গানের কাজ করেছি

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: এক দশক আগে ফাহমিদা নবী চালু করেছিলেন ভয়েস গ্রুমিং প্রতিষ্ঠান ‘কারিগরি’। সম্প্রতি এই প্রতিষ্ঠান থেকে তিনি ছাড়াও ১১ জন শিক্ষার্থী নিয়ে প্রকাশিত হয়েছে গানের অ্যালবাম কারিগরি ১। ঢাকার একটি রেস্তোরাঁয় অ্যালবামটির প্রকাশনা শেষ হওয়ার পরদিনই ফাহমিদা নবীকে ছুটতে হয় কলকাতায়। সেখানে তাঁকে নতুন একটি অ্যালবামের রেকর্ডিংয়ে অংশ নিতে হয়েছে। ভুল করে ভালোবেসেছি নামের এই অ্যালবামের রেকর্ডিং শেষে শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকায় ফিরেছেন তিনি। তাঁর আগে কলকাতা বিমানবন্দরে বসে মুঠোফোনে প্রথম আলোর সঙ্গে কথা বলেন এই শিল্পী

কলকাতায় যে উদ্দেশ্যে গেলেন, তা সফল  হয়েছে?

খুব দারুণ কিছু গানের কাজ করেছি। কলকাতায় কাজের অভিজ্ঞতাও অসাধারণ। আমার কণ্ঠে শ্রোতারা যে ধরনের গান পছন্দ করেন, সে ধরনের কিছু গান নিয়েই এই অ্যালবাম। এতে আমার ভালো লাগার কিছু কথা ও হৃদয়গ্রাহী সুর নিয়ে কাজ করছি। আমার ১৫তম এই একক গানের অ্যালবাম প্রকাশিত হবে বেঙ্গল ফাউন্ডেশন থেকে। এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এটি আমার দ্বিতীয় কাজ।

‘ভুল করে ভালোবেসেছি’ অ্যালবামে কারা কাজ করেছেন?

সব কটি গানের কথা লিখেছেন গোলাম মোর্শেদ। আটটি গানের মধ্যে একটি গানে সুরকার হিসেবে পেয়েছি লাকি চাচাকে (প্রয়াত লাকী আখান্দ্‌)। আমি নিজেও দুটি গানের সুর করেছি। অন্য সুরকারেরা হলেন সজীব দাশ ও নীপো। গানগুলোর সংগীত আয়োজন করেছেন অরিজিৎ মুখার্জি।

কাল তো (আজ রোববার) বাবা দিবস। বাবা মাহমুদুন্নবীকে নিয়ে কিছু বলবেন?

গান শেখার ব্যাপারে আব্বা নিজে থেকে আমাদের কিছুই বলতেন না। তবে তিনি যখন গান গাইতেন, তারপরই আমাদের গাইতে বলতেন ওই গানগুলো। যত দূর মনে পড়ে, আমি তখন ক্লাস ফ্লোরে। আমরা থাকতাম এলিফ্যান্ট রোডে। আব্বা কঠিন সেই গানগুলো যখন গাইতে বলতেন, তখন মা পাশ থেকে বলতেন, ওদের যদি গান গাওয়াতেই হয়, তাহলে আগে কোনো ওস্তাদ দিয়ে গান শেখানো উচিত। এরপর বাবা আমাদের গানের তালিম দেওয়ার জন্য ওস্তাদ আমানুল্লাহ খানকে ঠিক করেন। তিনি বাসায় আমাদের গানের তালিম দিতেন। কাজ ছাড়া আব্বা বাসার বাইরে যেতেন না। যখনই বাসায় থাকতেন, গানের আসর বসত। আমাদের খুব উচ্চ স্বরে গাইতে বলতেন। আমরাও বাবার কথা শুনে উচ্চ স্বরে গান গাইতাম। এতে জড়তা কেটে যেত। একজন পারফরমারের জন্য যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

এবার ‘কারিগরি ১’ প্রসঙ্গ। যত দূর জানি, আপনার প্রতিষ্ঠান থেকে অনেক আগেই অ্যালবাম প্রকাশিত হওয়ার কথা ছিল

ঠিক তা–ই। কিন্তু নানা কারণে সম্ভব হয়নি। অবশেষে অ্যালবামটি প্রকাশ করেছি। শ্রোতাদের হাতে সংগীতের কিছু তরুণ তুর্কির গান পৌঁছে দিতে পেরে ভালো লাগছে। সজীব দাশ এ গানগুলোর অসাধারণ সুর ও সংগীত করেছেন। আমার বিশ্বাস, এ অ্যালবামের গানগুলোও শ্রোতাদের মনে জায়গা করে নেবে। এটা আমার স্বপ্নের অ্যালবাম।

গানের বাজার এখন কেমন বুঝছেন?

আমার কাছে মনে হয় খারাপও না, আবার ভালোও না। একটা অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি আমরা। সবাই যাঁর যাঁর মতো করে কাজ করছেন। সবাই যেন কিসের পেছনে ছুটছেন। সবার মধ্যে একটু স্থিরতা প্রয়োজন। তাহলে ভালোর দিকে যাবে ইন্ডাস্ট্রি।

আপনার মতামত লিখুন

বিনোদন বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ