মঙ্গলবার,১২ই ডিসেম্বর, ২০১৭ ইং,২৮শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সময়: সন্ধ্যা ৭:৫০
আজ ১৩ ডিসেম্বর লালপুর মুক্ত দিবস আনুশকার জন্য আংটি খুঁজতেই তিনমাস গেছে বিরাটের! জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষার ফল ৩০ ডিসেম্বর ঠাকুরগাঁওয়ে জমি নিয়ে বিরোধের মামলায় জেল হাজতে যুবক খালেদা জিয়াকে গ্রেপ্তার-সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলের নতুন দিন বাগাতিপাড়ায় জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দিবস পার্বতীপুরে এসিড সহিংসতা প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা

বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদ দিনাজপুর ইউনিটের আয়োজনে বাংলাদেশের স্থাপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহোচর মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক সংবিধান প্রণেতা সাবেক সংসদ সদস্য সাবেক সভাপতি মরহুম আলহাজ্ব এম. আব্দুর রহিমের স্মারণে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

download

দিনাজপুর  মোঃ আব্দুস সাত্তারঃ বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদ দিনাজপুর ইউনিটের আয়োজনে গতকাল মঙ্গলবার বেলা ৩টায় দিনাজপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সম্প্রসারণ ভবন দ্বিতীয় তলায় বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহোচর মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সংবিধান প্রণেতা সাবেক সংসদ সদস্য, দিনাজপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি, বর্ষীয়ান জননেতা, সিনিয়র এ্যাডভোকেট মরহুম আলহাজ্ব এম.আব্দুর রহিম এর স্মরণে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এ্যাডভোকেট সরদার মোশারফ হোসেন, এ্যাডঃ আব্দুল লতিফ, এ্যাডঃ বাবু প্রফুল্ল কুমার রায়, এ্যাডঃ ওয়াহেদ আলী নোবেল, এ্যাডঃ আব্দুল হাই, এ্যাডঃ আব্দুস সালাম আমান, এ্যাডঃ মীর মোহাম্মদ ইউসুফ আলী, এ্যাডঃ খালেকুজ্জামান চৌধুরী, এ্যাডঃ মোঃ রফিকুল আমিন, এ্যাডঃ খন্দকার মাহাতাব উদ্দীন, অতিরিক্ত পিপি এ্যাডঃ মোঃ তাহেরুল ইসলাম, এ্যাডঃ মোঃ আজফার হোসেন চৌধুরী (বাবু), নারী ও শিশু আদালতের বিশেষ পিপি এ্যাডঃ মোঃ মেহেবুব হাসান চৌধুরী (লিটন), এ্যাডঃ গোলাম রহমান বাবুল, এ্যাডঃ মোঃ লতিফুর রহমান, এ্যাডঃ মোঃ সলিমুল্লাহ সেলিম, এ্যাডঃ মোঃ খাদেমুল ইসলাম, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এ্যাডঃ মোঃ এমাম আলী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন এম. আব্দুর রহিম ছিলেন দিনাজপুর তথা উত্তরবঙ্গের অভিভাবক। তিনি সবসময় সঠিক পথে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর ছিলেন। তিনি কখনই চোখের সামনে কোন অন্যায় সহ্য করতেন না। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসেবে যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে সবসময় মুক্তিযোদ্ধাদের সাহস জুগিয়েছেন। তিনি সবসময় মানুষের মাঝে সেবা দেয়ার জন্য দায়িত্ব মনে করে কাজ করতেন। তিনি হাসপাতালের রোগীদের সেবাদান নিশ্চিত করার ল্েয ডাক্তারদের বলতেন। তিনি আইনজীবীদের আইনের পেশায় ভালভাবে কাজ করার জন্য আইনের বই পড়ার পরামর্শ দিতেন। তিনি একজন সফল পিতা হিসাবে তাঁর বড় পুত্র হাই কোর্টের বিচারপতি এম. এনায়েতুর রহিম ও ছোট পুত্র বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের মাননীয় হুইপ এম. ইকবালুর রহিম সহ চার কন্যা সকলকে ভাল ভাল স্থানে অবস্থান করিয়েছেন। তিনি ভাল মানুষ হওয়ায় তার মৃত্যুতে স্মরণকালের লোকজন জানাযার নামাজে সমবেত হয়েছিল। এ্যাডঃ এম. আব্দুর রহিম ব্যক্তি নয় তিনি ইতিহাস। তিনি বার সমিতির অভিভাবক। তিনি সামাজিক, রাজনৈতিক সহ সর্বেেত্র আন্দোলনে সফল হয়েছেন। তিনি ইয়াসমিন হত্যা আন্দোলনে থাকায় বিচার সঠিক হয়েছে। তিনি তার কর্ম জীবনে এতগুণে গুণান্বিত ছিলেন যা আলোচনা করে শেষ করা যাবে না। তাদের আত্মা ত্যাগের বিনিময়ে আমরা বাংলাদেশকে স্বাধীন পেয়েছি। তিনি গুণের মানুষ ছিলেন। তাঁর গুণগুলি ধারণ করতে পারলে আমরা ভালোভাবে চলতে পারব। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদের আহবায়ক এ্যাডঃ আজিজুল ইসলাম জুগলু, সভা পরিচালনা করেন এ্যাডঃ নুরুজ্জামান জাহানী। আলোচনা সভার শেষে এম. আব্দুর রহিমের আত্মার মাগফেরাত কামনায় ওলিউল্লাহ মোঃ সাইফুল্লাহ বিশেষ মুনাজাত করেন।

আপনার মতামত লিখুন

রংপুর,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ