বৃহস্পতিবার,২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ইং,৯ই ফাল্গুন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ৩:০৯
বৌ সাজানো প্রতিযোগিতা শুরু করলেন কেকা ফেরদৌসী ১৮ নম্বরে শাকিব কলকাতার সেরাদের তালিকায় পলাশবাড়ী স্বেচ্ছায় রক্তদান সংগঠনের প্রথম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত শৈলকুপায় খাবার হোটেলসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা হাতীবান্ধায় স্টুডেন্ট কাউন্সিল অনুষ্ঠিত ৩১ মার্চ চতুর্থ ধাপের উপজেলা নির্বাচন হবে : ইসি সচিব ডোমার ভিত্তি বীজ আলু উৎপাদন খামারে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা।

ফুলবাড়ী বাজারে রাস্তার বেহাল অবস্থা ॥ রাস্তাগুলি ধারন ক্ষমতা হারাচ্ছে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে রাস্তা ॥

মো. আফজাল হোসেন ফুলবাড়ী দিনাজপুর প্রতিনিধি
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী পৌরসভার রাস্তার উপর ভারী যানবাহন চলাচল করায় রাস্তাগুলি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। পৌর কতৃপক্ষ এ সবের প্রতি কোন নজর দিচ্ছে না। ফুলবাড়ী পৌর শহরের বাজারের ভিতরে সম্ভু বাবুর মোড়ে ভারী যানবাহন থেকে মালামাল উঠানামা করার কারনে সেখানকার কালভাটটি প্রায় সময় ভেঙ্গে পড়ে। পুর্বপাশের্^ থাকা ড্রেনটি বারবার ভেঙ্গে পড়ছে। ফলে স্থানীয় রিক্সা ভ্যান চলাচলে যেমন বিরম্বনায় পড়ছে তেমনি ভোগান্তি বেড়েছে পৌর বাসীর। অপরদিকে ফুলবাড়ী পৌর সভা কতৃক রাস্তা গুলি নির্মানে নি¤œ মানের কাজ করার কারনে অল্প সময়ের নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। চলতি বছর ভূগর্বস্থ পানির লাইন নির্মান করতে গিয়ে অনেক রাস্তা খোড়াখুড়ির কারনে সেগুলি আর মেরামত করা হয়নি। মাটি দিয়ে ভরাট করা হয়েছে। এতে অনেক রাস্তার ক্ষতিসাধন হয়েছে। অপরদিকে বাংলাস্কুলের দক্ষিন দিক থেকে কাঁটিহারের ব্রীজ পর্যন্ত রাস্তাটির বেহাল অবস্থা। চলাচলের অযগ্য হয়ে পড়েছে। ঐ ওয়ার্ডের জন সাধারন রাস্তাটি দিয়ে চলাচল করতে পারছে না। এ দিকে বৌদ্ধনাথ ডাক্তারের বাড়ী সংলগ্ন ড্রেনটি ব্যবহারের অযগ্য হয়ে পড়েছে। ড্রেন উপচে পানি রাস্তার উপরে থাকছে। এ ছাড়া আবর্জনায় ভরপুর। এই এলাকার পানি বাহির হওয়ার উত্তর দিকে এক বিশাল জলাশয় রয়েছে। সেই জলাশয়টি ক্রমান্যয়ে ছোট হয়ে গেছে। এই জলাশয়টি এখন ফুলবাড়ী ভুমি অফিস থেকে নিজ নামে লিজ নিয়ে মাছ চাষ করছেন ভুমি দর্সুরা। এদের কারনে ঐ এলাকার পানি নিঃস্কাশন হচ্ছেনা। এখন সরু হয়ে গেছে ড্রেনটি। এ্যাডঃ লিয়াকত উকিল এর বাড়ীর ধার দিয়ে যে ড্রেন রয়েছে তাদিয়ে পানি নিঃস্কাশন হচ্ছেনা। পার্শে¦ মাটি ভরাট করে ড্রেন বন্ধকরে দেয়ার পথে। এক সময় কাঁটাবাড়ী এলাকার উত্তর দিকে বসবাসরত স্থানীয় বাসা বাড়ীর পানি বাহির হতো ঐ ড্রেন দিয়ে। একই অবস্থা উত্তর সুজাপুরের রহমান হাউজ এর বাড়ি থেকে পশ্চিম দিকে মসজিদ পর্যন্ত । এখানে একটি কালভাট নির্মান করার পর আর কোন কাজে গতি নেই। ফুলবাড়ী পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে ট্রাকে করে আবর্জনা গুলি নির্দিষ্ট জায়গায় না ফেলে বিভিন্ন এলাকায় ফেলে গর্ত পুরন করা হচ্ছে। অথচ ঐ আবর্জনা মেরিনা ফিলিং স্টেশন এর পশ্চিম দিকে সড়ক ও জনপথ এর জায়গায় ফেলা হচ্ছিল। হঠাৎ করে ভুমি দর্সুরা ঐ জায়গা দখল করে নেয়। অনেকে আবার ঐ জায়গায় গাড়ি ধোয়ার গ্যারেজ বানিয়েছে আবার বাকী জায়গায় মাছ চাষ করছে। যেখানে সেখানে আবর্জনা ফেলার কারনে পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে। স্থানীয় সরকারের দেওয়া অর্থ ও জনগনের টেক্স এর টাকায় শহরের কাজ হলেও তদারক করার দায়িত্ব কার ? এ জন্য প্রকৌশলীর দপ্তর রয়েছে। তাদের কি এসব তদারক করা দায়িত্ব নয় ? প্রতি বছর প্রায় কোটি টাকার কাছাকাছি ব্যায় হচ্ছে নির্মান কাজ গুলিতে। ফুলবাড়ী যমুনা নদীর উপর নির্মিত ব্রীজটি অন্ধকারে থাকছে। এখানে লাইটিং এর ব্যাবস্থা নেই। পাশের্^ পুরাতন ব্রীজটি সংস্কারের দায়িত্ব যদিও পৌরসভার নয় সেহেতু সংস্কারের জন্য দিনাজপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগকে বিষটি অবগত করতে পারেন। কিন্তু পৌর সভার সে দিকে কোন চিন্তা নেই। এ ভাবে চলছে ফুলবাড়ী প্রথম শ্রেনীর পৌর সভা।

আপনার মতামত লিখুন

দিনাজপুর,রংপুর বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ