বুধবার,১৮ই জানুয়ারি, ২০১৭ ইং,৫ই মাঘ, ১৪২৩ বঙ্গাব্দ, সময়: বিকাল ৪:০৬
পার্বতীপুরে মাদক, সন্ত্রাস, বাল্যবিবাহ নিরোধ বিষয়ক আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ‘পোশাকশিল্পে কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ’ পার্বতীপুরে ওপেন হাউজ-ডে ঠাকুরগাঁওয়ে এক ব্যক্তিকে হত্যার দায়ে যুবকের মৃত্যুদণ্ড পটিয়া বাইপাস সড়ক নির্মাণ কাজ পরিদর্শনে এমপি সামশুল হক কোচিং থেকে অবসর নিলেন লুই ফন খাল ফের নাপোলিতে ফিরছেন মারাডোনা

ফুলবাড়ী বাজারের টিনসেটের ঘরগুলোর বেহাল দশা

phulbari-bazar-tin-shade-er-behal-dasha-19-09-2016

মোস্তাফিজুর রহমান সুমন, ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: দিনাজপুরের ফুলবাড়ী পৌর বাজারের টিনসেটের ঘরগুলো দীর্ঘদিন সংষ্কার না করায় এখন ব্যবহার অনুপোযেগী হয়ে পড়েছে। অথচ ঘরগুলো সংষ্কারের কোন উদ্যোগ নেই পৌর কর্তৃপরে। ঘরগুলো খুচরা ব্যবসায়ীদের জন্য নির্মিত হলেও এখন দখল করে আছে মুদি দোকানদার ও আড়তদারেরা। পৌর বাজার ঘুরে দেখা যায়, পৌরবাজারের খুচরা মাছ ব্যবসায়ীদের জন্য নির্মিত টিনসেটের সরকারী ঘরগুলো এখন মাছের আড়তদারেরা ব্যবহার করছে। খুচরা ব্যবসায়ীরা তাদের দোকান বসিয়েছে যাতায়াত করা রাস্তার উপর। এর পাশের টিনসেটের সরকারী ঘরগুলো ব্যবহার করছে ছাগলের মাংস বিক্রেতা ও মুরগী ব্যবসায়ীরা। সেখানেই ছাগল ভেড়া যবাই করার কারণে রক্তের র্দুগন্ধে পথচারীরা নাকে রুমাল বা কাপড় দিয়ে চলাচল করছে। খানিকটা এগিয়ে গেলে দেখা যায়, আর একটি টিনসেট, ওই সেটের ঘরের নিচে কোন খুচরা দোকানদার নেই। দুটি চা ষ্টল ও একটি জিলাপির দোকান রয়েছে। চা ষ্টল ও জিলাপির দোকানের চুলার ধোয়ায় ঘরের টিনের ছাউনী নষ্ট হয়ে গেছে। এখন ঘরের নিচ থেকে আকাশ দেখা যায়। একটু সামনে রয়েছে ফুলবাড়ী পৌর বাজারের প্রধান দুটি টিনসেটের সরকারী ঘর। এ সেট দুটি নির্মাণ করা হয়েছিল পাশাপাশিভাবে। যাতে করে ক্রেতারা নির্বিঘ্নে চাহিদামত বাজার করতে পারেন। কিন্তু ওই ঘরগুলোর একাংশ খুচরা চাউল ব্যবসায়ীরা ব্যবহার করলেও বাকী অপরাংশের বিশাল এলাকা জুড়ে ব্যবহার করছে কাচা বাজারের আড়তদারেরা। টিনসেটের সরকারী ঘরগুলোর মাঝ পথ দিয়ে আকাশের পানি জমে থাকায় লোক যাতায়াত করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। খুচরা ব্যবসায়ীরা বাজারের মেইন রোডে বসে দোকানদারী করছে। এতে পথচারীসহ স্কুল কলেজ গামী ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়াত করতে চরম অসুবিধার সৃষ্টি হচ্ছে।

জানা যায়, পৌর বাজারের ঘরগুলি নির্মাণ করা হয়েছিল হাট বাজার উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ১৯৮৮সালে। এরপর ঐ ঘরগুলোর আর কোন প্রকার মেরামত করা হয়নি। ফলে দীর্ঘদিন সংষ্কার না করায় আনেক ঘর ব্যবহার অনুপোযুগী হয়ে পড়েছে। উক্ত ঘরগুলো খুচরা ব্যবসায়ীদের জন্য নির্মাণ করা হলেও এখন এসব আড়ৎদারেরা ব্যবহার করছে। খুচরা ব্যবসায়ীরা জানায় বর্তমানে পৌর বাজারে একটি আড়ৎঘরের ভাড়া ৩-৪ হাজার টাকা। এ কারণে পৌরসভার কতিপয় অসাধু কর্মকর্তাদের ম্যনেজ করে নাম মাত্র ভাড়ায় ঘরগুলো ব্যবহার করছে। এতে পৌর রাজস্ব ঘাটতির পাশাপাশি সুবিধা বঞ্চিত হচ্ছে খুচরা ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা।এ বিষয়ে পৌর কর্তৃপরে সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে পৌর মেয়র মুরর্তুজা সরকার মানিক বলেন, ঘরগুলি মেরামত করা একান্ত প্রয়োজন কিন্তু অর্থের অভাবে একযোগে কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে জাইকা প্রকল্পের মধ্যে এগুলো দেয়া আছে। আড়ৎদারদের বিষয়ে বলেন, পূর্বের মেয়ররা তাদেরকে জায়গা করে দিয়েছেন তাই তাদেরকে স্থানান্তর সম্ভব হচ্ছে না।

আপনার মতামত লিখুন

রংপুর,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ


%d bloggers like this: