সোমবার,২৩শে অক্টোবর, ২০১৭ ইং,৮ই কার্তিক, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ১:১৯

উদ্বিগ্ন ভারত, রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতেই হবে: সুষমা পাঁচবিবির আটাপাড়া সীমান্তে সাড়ে ৬ লাখ টাকাসহ তালিকাভূক্ত হুন্ডি ব্যাবসায়ী আটক ফুলবাড়ীতে “জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস” পালিত ॥ স্ত্রীর অধিকার পেতে চাই : মিলা ফকিরহাটে অবিরাম বৃষ্টির ফলে শত শত পরিবার সহ কৃষি জমি পানিতে নিমজ্জিত সংস্কারের অভাবে দুমকির এলজিইডির ফুট ব্রিজটি এখন মরণ ফাঁদ ॥ চিরিরবন্দরে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত

ফুলবাড়ীতে আমন ধান রোপণ শুরু হওয়ায় ব্যস্ত কৃষকরা

 

Phulbarite Amon Dhan Ropon Shuru Haway Besto Krishokra-24.07.2016                        মোস্তাফিজুর রহমান সুমন, ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে পুরোদমে শুরু হয়েছে আমন ধান রোপণ। দুই সপ্তাহ আগেই আমন ধান রোপণের সময় শুরু হলেও অনাবৃষ্টির কারণে তা রোপণ করতে পারেননি কৃষকরা। গত এক সপ্তাহ থেকে মুষলধারে বৃষ্টিপাত শুরু হলে, মাঠ পানিতে ভরে যায়। বৃষ্টির এই পানি যাতে বিফলে না যায় এ কারণে বৃষ্টির মধ্যেই আমন ধান রোপণ করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন কৃষকরা।

ফুলবাড়ী উপজেলার সকল ইউনিয়ান ঘুরে দেখা যায় আমন ধান রোপণে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে কৃষকরা। কাজিহাল ইউনিয়নের আমড়া গ্র্রামের কৃষক মেহেদুল (৩২) জানান, আমাদের এই অঞ্চলের মানুষের প্রধান আয়ের উৎস কৃষি কাজ, তাই আমরা দুই সপ্তাহ আগে থেকে আমন ধান রোপনের জমি চাষ দিয়ে প্রস্তুতের কাজ শুরু করে দিয়েছি। আমাদের এই অঞ্চলে আমরা আমন ধান দোগাছি রোপন করছি। দোগাছি মানে বীজতলা থেকে ধানের চারা জমির এক কোণায় রোপন করে ঠিক দুই সপ্তাহ পর আবার উঠিয়ে সাধারণ ধান রোপনের মত রোপন করতে হয়। দোগাছি রোপন করলে ফলন বেশী পাওয়া যাবে।

আলাদিপুর ইউনিয়নের জিয়াত গ্র্রামের কৃষক মিনহাজুল (৪৭) জানান, এ বছর আল্লাহর রহমতে আবহাওয়া প্রতিকূল অবস্থায় থাকলে আমন ধানের বাম্পার ফলনের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই তিনি ধান চাষাবাদের প্রায় সকল জমিতে আমন ধান রোপণ করছেন। একই কথা বললেন বেতদিঘী ইউনিয়নের মাদিলা গ্র্রামের কৃষক ফারুক(৫২), খয়েরবাড়ী ইউনিয়নের আবুল কালাম(৪৪), শিবনগর ইউনিয়নের গংগাপ্রাসাদ গ্র্রামের কৃষক ফারুক(৪৮)।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এবছর ফুলবাড়ীতে আমন রোপণের ল্যমাত্রা ছিল ১৭ হাজার ৫০০ হেক্টর। এর মধ্যে ৫০ ভাগের অধিক জমিতে আমন রোপণ শেষ হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ.টি.এম হামিম আশরাফ বলেন, এ অঞ্চলে বিরি-৫০, বিরি-৫২, বিরি-২৯ ও সম্পাকাঠারী ধানের চাষ বেশি হচ্ছে। এ ছাড়া স্থানীয় কৃষকদের সংগৃহীত বীজ ও চাষ হয়।

আপনার মতামত লিখুন

কৃষি,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ