বুধবার,১৮ই অক্টোবর, ২০১৭ ইং,৩রা কার্তিক, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ২:২৪

আইসিটি শিক্ষকদের তথ্য চেয়েছে অধিদপ্তর দেশে মানসম্মত স্কুলের অভাব: প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ৩৬তম বিসিএসের ফল প্রকাশ দুমকির টেকনিক্যাল মহিলা কলেজ স্টুডেন্ট কমিউনিটি পুলিশিং ফোরাম সভা অনুষ্ঠিত। পার্বতীপুরে চুরির অপবাদ সইতে না পেরে গৃহবধুর আত্মহত্যা রোহিঙ্গা ইস্যুতে মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ শলৈকুপায় চোরাই মোটরসাইকলে, পাঞ্ছ ম্যাশনি ও দশেীয় অস্ত্রসহ ৩ ছনিতাইকারী আটক

ফরিদপুরে বৃদ্ধ ইমামকে গলা কেটে হত্যার দায় স্বীকার করে স্ত্রী ও মেয়ের জবানবন্দি

download-5
ফরিদপুর প্রতিনিধিঃ ফরিদপুরে শহরে ইমাম আবুল বাসার (৬০)কে হত্যার দায় স্বীকার করে তাঁর বড় স্ত্রী শাহেদা বেগম (৫০) ও চতুর্থ মেয়ে মফিজা বেগম (২৫) যথাক্রমে স্বামী ও বাবাকে হত্যার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।
গত সোমবার সন্ধ্যায় ফরিদপুরের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম কাইসুন্নাহার সুরমার আদালতে এ জবানবন্দি দেন মা ও মেয়ে। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আদালতের নির্দেশে তাদের জেল হাজতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
মা মেয়ের জবানবন্দী দেয়ার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে এ হত্যামামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা ফরিদপুর কোতয়ালী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মনির হোসেন বলেন, স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে আবুল বাসারের মাথায় কুড়াল দিয়ে আঘাত করার পর বঠি দিয়ে গলাকাটা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। পুলিশ ওই বাড়ি থেকে হত্যার কাজে ব্যবহৃত আলামতও উদ্ধার করেছে।
গত রবিবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে ফরিদপুর শহরের মধ্য আলিপুর মহল্লার প্রামাণিক পাড়ায় নিজ বাড়িতে আবুল বাসারের গলাকাটা মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নিহতের বড় স্ত্রী শাহেদা বেগম (৫০) ও মেয়ে মফিজা বেগমকে (২৫) ওইদিনই রাতেই আটক করা হয়।
নিহত আবুল বাসার জেলার সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের খোঁয়াড় গ্রামের মৃত সামসুদ্দিন ফকিরের ছেলে। নিহত আবুল বাসারে দুটি স্ত্রী রয়েছে। তার দুই স্ত্রীই নিজ নিজ সন্তান নিয়ে আলাদা বসবাস করেন। আবুল বাসার বিভিন্ন মসজিদে ইমামতির পাশাপাশি ফকিরী (ঝাঁড়ফুক) চিকিৎসা করতেন। সর্বশেষ তিনি ফরিদপুরের সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের শাহ্ মসজিদ মাজার মসিজিদে ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, শহরের আলীপুরের ওই বাসায় আবুল বাসার কার বড় স্ত্রী শাহেদা বেগমকে (৫০) নিয়ে বসবাস করতেন। শাহেদা বেগমের গর্ভে তার ছয় মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। নিহতের ছোট স্ত্রী এ শাহেদা বেগম তিন বছরের একমাত্র ছেলেকে নিয়ে সালথার গ্রামের বাড়িতে থাকে।
ফরিদপুর কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) মো. নাজিমউদ্দিন আহমেদ জানান, এ ব্যাপরে নিহতের ছোট ভাই লোকমান ফকির বাদী হয়ে গত সোমবার দুপুরে অজ্ঞাতনামা ব্যাক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়েরের করেছেন। পুলিশ নিহতের বড় স্ত্রী শাহেদা বেগম (৫০) ও মেয়ে মফিজা বেগমকে (২৫) গ্রেপ্তার করে প্রথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর সোমবার সন্ধ্যায় কোটে পাঠায়। কোট তাদের স্বীকারোক্তি নিয়ে জেল হাজতে প্রেরন করেছে।

আপনার মতামত লিখুন

ময়মনসিংহ,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ