বৃহস্পতিবার,২০শে জুলাই, ২০১৭ ইং,৫ই শ্রাবণ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ৮:৩১

২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে শিশু শ্রম মুক্ত করা হবে ————-শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী ৩৫তম বিসিএসে ক্যাডার পদে উত্তীর্ণ ১৫ প্রার্থীকে তলব জিমেইলে ভুলে পাঠানো বার্তা বাতিল করতে চান? সাইবার হয়রানি বেশি হয় ইনস্টাগ্রামে ‘নিউজ ফিড’ যুক্ত করছে গুগল কলাপাড়ায় ইয়াবাসহ দুই ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।। আসাদ-বিরোধী গেরিলাদের প্রতি সমর্থন বন্ধ করছেন ট্রাম্প

প্রতিটি জেলা রেলপথের নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হবে- রেলমন্ত্রী

pic-1
মো. জাকির হোসেন, নীলফামারী প্রতিনিধি
রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক বলেছেন, বর্তমান সরকার রেলওয়ে খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে যাত্রী পরিবহনে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। প্রতিটি জেলা রেলওয়ে নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার দুপুর (২৯ সেপ্টেম্বর) দেশের বৃহত্তম সৈয়দপুর রেলওযে কারখানা পরিদর্শন শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক একথা বলেন।
মন্ত্রী রেলওয়ে কারখানার আধুনিকায়নসহ সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়ে বলেন, যমুনা সেতুতে প্যারালার রেলসেতু করা হবে। রেলওয়ের উন্নয়নে স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আগামী ২ বছরের মধ্যে সকল নিয়োগ সম্পন্ন করা হবে।
এর আগে জাতীয় সংসদের রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্যবৃন্দ মন্ত্রীকে সাথে নিয়ে রেলওয়ে কারখানা পরিদর্শন করে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কাজে সন্তোষ প্রকাশ করেন। এই প্রথম ঢাকার বাইরে স্থায়ী কমিটির ২৬তম সভা রেলওয়ে কারখানায় বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক (ডিএস) সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী এমপি।
সভায় জানানো হয়, ভারতীয় ঋণে সৈয়দপুরে একটি নতুন রেলকোচ তৈরী কারখানা নির্মাণ করা হবে। চলতি বছরে রেলপথ মন্ত্রণালয় নয় হাজার ১১০ কোটি টাকার উন্নয়ন বরাদ্দ পেয়েছে। যা দিয়ে মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এর সাথে যোগ হবে বিদেশি অর্থায়ন। ওই পরিকল্পনায় রয়েছে চট্টগ্রামের দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ নির্মাণ, বঙ্গবন্ধুর সেতুর পাশে নতুন একটি রেল সেতু নির্মাণ।
মন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে দেশের প্রতিটি জেলায় রেলপথ সম্প্রসারণের কাজ শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ওই পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও ঢাকা থেকে মাওয়া হয়ে পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে যশোর পর্যন্ত নতুন রেলপথ নির্মাণ পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে। জাইকাসহ বিদেশি বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান এসব খাতে অর্থায়নে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বলে সভায় জানানো হয়।
এর আগে সংসদীয় কমিটি সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উপকারখানা (শপ) পরিদর্শন করে।
সংসদীয় কমিটিতে ছিলেন সভাপতি সাংসদ এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী, সদস্য ও রেলপথ মন্ত্রী মো. মুজিবুল হক, সাংসদ মোসলেম উদ্দিন, সাংসদ খালেদ মাহমুদ চৌধুরী, সাংসদ মো. আলী আজগর, সাংসদ মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, সাংসদ সিরাজুল ইসলাম মোল্লা, সাংসদ মোহাম্মদ নোমান, সাংসদ ইয়াসিন আলী ও সাংসদ ফাতেমা জোহরা রাণী।

pic-2

সংসদীয় কমিটির সভায় সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা ও বিভিন্ন স্থাপনার ওপর একটি প্রামাণ্য প্রতিবেদন প্রদর্শন করা হয়। রেলওয়ে সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন রেলপথ মন্ত্রণালয় সচিব ফিরোজ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, রেলের মহাপরিচালক মো. আমজাদ হোসেন।

আপনার মতামত লিখুন

রংপুর,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ