বুধবার,২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ইং,৮ই ফাল্গুন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ১০:২৬
বৌ সাজানো প্রতিযোগিতা শুরু করলেন কেকা ফেরদৌসী ১৮ নম্বরে শাকিব কলকাতার সেরাদের তালিকায় পলাশবাড়ী স্বেচ্ছায় রক্তদান সংগঠনের প্রথম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত শৈলকুপায় খাবার হোটেলসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা হাতীবান্ধায় স্টুডেন্ট কাউন্সিল অনুষ্ঠিত ৩১ মার্চ চতুর্থ ধাপের উপজেলা নির্বাচন হবে : ইসি সচিব ডোমার ভিত্তি বীজ আলু উৎপাদন খামারে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা।

পেট্রোল, ডিজেল নয়, এই বাইকের জ্বালানি অ্যালকোহল!

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক:  পেট্রোল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধিতে ওষ্ঠাগত প্রাণ। জ্বালানির ঠেলায় রীতিমতো ধুঁকছে মধ্যবিত্ত। এমন অবস্থায় বাহনটি যদি মহামূল্যবান জ্বালানির পরিবর্তে অন্য কিছুতে চলে তাহলে কেমন হয়? মন্দ হয় না। না, জৈব বা নবায়নযোগ্য কোনও জ্বালানির কথা হচ্ছে না। কথা হচ্ছে এমন এক বাইকের যেটা কিনা চলে অ্যালকোহল জাতীয় বর্জ্যপদার্থে। এমনই এক বাইক আবিষ্কার করে ফেলেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মন্টনার ৪১ বছরের ব্যবসায়ী রায়ান মন্টেগোমারি।

বছরখানেক আগে একটি পরিত্যক্ত ফাঁকা মাঠে বিকল অবস্থায় ইয়ামহার XS650 মডেলের বাইকটি খুঁজে পান রায়ান। সেখান থেকে তিনি বাইকটিকে নিয়ে যান নিজের বাড়িতে। আসলে ৪১ বছর বয়সি রায়ান উৎকৃষ্ট মানের মদ প্রস্তুতকারক। তিনি খুব ভাল করেই জানতেন ভদকা তৈরির পর যে বর্জ্য পদার্থ অবশিষ্ট থাকে তা জ্বালানি হিসেবে খুব ভাল কাজে লাগতে পারে। বাইকটি পাওয়ার পর সেই বর্জ্য পদার্থকে কাজে লাগানোর ছক খেলে যায় রায়ানের মাথায়। দীর্ঘ একবছরের পড়াশোনা এবং পরিশ্রমের পর তিনি এমন একটা বাইক তৈরি করে ফেললেন যেটি কিনা ওই ‘অ্যালকোহলিক ওয়েস্ট’ অর্থাৎ ভদকার বর্জ্য পদার্থে চলে।

রায়ান যে বর্জ্য পদার্থ দিয়ে বাইকটি চালিয়েছেন তাঁকে বলা হয় ‘হেড’। আর এই ‘হেড’ নামের তরলটি পানের অযোগ্য, কিন্তু জ্বালানি হিসেবে অসাধারণ। তাই কম খরচে বাইকটি চালাতে পারেন রায়ান। তিনি বাইকটির নাম দিয়েছেন ‘সাডেন ওয়াইজডম’। মজার ব্যাপার হল এই বাইকটি চলেও দুর্দান্ত গতিতে। বাইকটি ঘণ্টায় গড়ে ১১৩ কিমি গতিতে চলে। যা রীতিমতো রেকর্ড। তিনদিনের জন্য নাকি এটি বিশ্ব রেকর্ডও করেছিল। তাহলেই বুঝুন, কী অবাক আবিষ্কার রায়ানের। যদিও, তিনি এখনও এই বাইকের পেটেন্ট চেয়ে আবেদন করেননি।

সূত্র: বাংলাদেশপ্রতিদিন

আপনার মতামত লিখুন

তথ্য-প্রযুক্তি বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ