বুধবার,২৬শে জুলাই, ২০১৭ ইং,১১ই শ্রাবণ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ১০:৪৬

খেলতে খেলতে এবার হবে ‘রূপচর্চা’! তমা মির্জার ‘গ্রাস’ মুক্তি পাচ্ছে ২৮ জুলাই বলিউডে স্বজনপোষণ বিতর্ক নিয়ে বিরক্ত বিদ্যা আল-ফুযাইরাতে শিষ্যদের নিয়ে ফুরফুরে ম্যারাডোনা পৃথিবীর বুকে উজ্জ্বল আলোর নাচন! জাকারবার্গ দায়িত্বজ্ঞানহীনের মত আচরণ করছেন: মাস্ক এলিয়েন খুঁজতে অণুবীক্ষণ যন্ত্র

পুলিশের প্রেস বিফ্রিং ॥ গ্রেফতারের পর আদালতে স্বীকারোক্তি ॥ নবীগঞ্জে একাধিক প্রেমের কারনে কলেজ ছাত্রী তন্নীকে গলাটিপে হত্যা করে প্রেমিক রানু

ctanni104আজিজুল ইসলাম সজিব ॥ গভীর প্রেমের কারণে তাদের মধ্যে দৈহিক মেলামেশা হয়েছে একাধিকবার ॥ ঘটনার দিন ফাঁকা বাড়িতে অসুস্থ্য রানুকে দেখতে যায় তন্নী ॥ হত্যার উদ্দেশ্য ছিল না রানুর ॥ রাগান্বিত হয়ে গলা টিপে ধরে ছিল তন্নী’র ॥ এতে সে মারা যাওয়ায় ভয়ে লাশ বস্তাবন্ধি করে নদীতে ফেলে দেয়*

নবীগঞ্জে কলেজ ছাত্রী তন্নীকে গলাটিপে হত্যা করেছে ঘাতক প্রেমিক রানু। ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেফতারের পর আদালতে নিজেই এমন স্বীকারোক্তি দিয়েছে সে। চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকান্ডের ২০ দিনের মাথায় শুক্রবার দিবাগত রাতে বি-বাড়িয়া থেকে রানুকে গ্রেফতার করা হয়। জানা যায়, হত্যাকান্ডের পর ঢাকায় পালিয়ে যায় রানু। সেখানে কাজ নেয় একটি দোকানে। পরে সে চলে যায় বি-বাড়িয়ায়। শুক্রবার ডিবি পুলিশ মোবাইল নম্বর টেকিংয়ের মাধ্যমে তার অবস্থান জানতে পেরে অভিযান চালায় সেখানে। রাতে ভাদুগড় বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে রানুকে গ্রেফতার করা হয়। গতকাল শনিবার তাকে হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিশাত সুলতানার আদালতে হাজির করা হলে সে ১৬৪ ধারায় হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়। গ্রেফতার অভিযানে নেতৃত্ব দেন ডিবির ওসি আজমিরুজ্জামান, এসআই সুদ্বীপ রায় ও এসআই আব্দুল করিম।
এ ব্যাপাারে গতকাল শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করে পুলিশ। জেলা  পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এ প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলা পুলিশ সুপার জয়দেব কুমার ভদ্র গ্রেফতারকৃত রানুর বরাত দিয়ে সাংবাদিকদের জানান, রানু ও তন্নীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে গভীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ইতিপূর্বে তারা একাধিকবার দৈহিক মেলামেশাও করেছে। ঘটনার পূর্ব মুহুর্তে মোবাইল ফোনে তন্নীর সাথে কথা হয় রানু’র। ওই দিন অসুস্থ্য রানুকে দেখতে তার বাসায় যায় তন্নী। তখন রানুর বাসাটি ছিল ফাঁকা। কথা বলার এক পর্যায়ে তন্নীর একাধিক প্রেম নিয়ে বাক-বিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ে রানু। এক পর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে তন্নীকে গলা টিপে ধরে রানু। এতে নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে মারা যায় তন্নী। পরে তন্নীর লাশ বস্তা বন্ধি করে নদীতে ফেলে দেয় রানু।
তবে রানু জানায়, গলা টিপে ধরার সময় হত্যার উদ্দেশ্য ছিল না তার। উত্তেজনার বশে গলা টিপে ধরে সে। এতে তন্নী মারা গেলে ঘাবড়ে  যায় রানু। তখন ভয়ে লাশ নদীতে ফেলে দেয়। এ ঘটনার সাথে অন্য কেউ জড়িত নয় বলেও জানায় রানু। প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসম সামসুর রহমান ভুইয়া, সহকারি পুলিশ সুপার সুদিপ্ত রায় , সাজিদুর রহমান, ডিবির ওসি আজমিরুজ্জামানসহ পুলিশ কর্মকর্তাগণ।

আপনার মতামত লিখুন

সারাদেশ,সিলেট বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ