শুক্রবার,২২শে জুন, ২০১৮ ইং,৮ই আষাঢ়, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, সময়: দুপুর ১:১৬
সিরাজগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে নিহত ২ ‘আগামীতে ইউপি চেয়ারম্যানদেরও বর্ধিত সভায় ডাকা হবে’ বড়পুকুরিয়া কয়লা উত্তোলন বন্ধ জাতীয় ফলদ বৃক্ষ রোপণ পক্ষ ও ফল প্রদর্শনী শুরু হচ্ছে কাল সরকার সিনেমা হল ডিজিটালাইজ করার প্রকল্প গ্রহণ করেছে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন একনেক সভায় ১৫টি প্রকল্পের অনুমোদন

পিরোজপুরে স্ত্রী ও ছেলে-মেয়েকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড

ray_24558 মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেক্স:  ৮ বছর আগে স্ত্রী, ছেলে ও মেয়েকে হত্যার দায়ে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার এক পল্লী চিকিৎসককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে তার ৫০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়।
আজ সোমাবার পিরোজপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এস এম জিল্লুর রহমান আসামির অনুপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডিত আলমগীর হোসেন মঠবাড়িয়ার পাঠাকাটা গ্রামের বাসিন্দা।
মামলার বিবরণে জানা যায়, অন্য নারীর সঙ্গে আলমগীর হোসেনের অনৈতিক সম্পর্কে বাধা দেয়ায় স্ত্রীর সঙ্গে বিরোধ হয়।
এর জেরে ২০০৮ সালের ২২ জুন রাতে আলমগীর পূর্ব পরিকল্পিতভাবে তার স্ত্রী হাফিজা বেগম (৩৫), ছেলে আশরাফুল (১১) ও মেয়ে জামিলাকে (৩) ঘুমের ওষুধ খাওয়ান। পরে ঘুমন্ত অবস্থায় তাদের ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন।
মামলায় আরও বলা হয়, প্রকৃত ঘটনা আড়াল করার জন্য আলমগীর ওই রাতেই তার শ্যালক আবুল বাশারকে ফোন করে বলেন, তাদের গ্রামে ডাকাত পড়েছে এবং ডাকাতরা তার স্ত্রী, ছেলে ও মেয়েকে গলা কেটে হত্যা করেছে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পিপি খান মো. আলাউদ্দিন বলেন, ওই রাতেই হাফিজা বেগমের ভাই আবুল বাশার মঠবাড়িয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
আলমগীরকে মঠবাড়িয়া থানার পুলিশ ২০০৮ সালের ২৪ জুন গ্রেফতার করেছিল। পরে ২০১৬ সালে হাই কোর্ট থেকে জামিন নিয়ে তিনি পলাতক হন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মাহবুবুর রহমান ২০০৮ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর আলমগীরকে আসামি করে অভিযোগপত্র দায়ের করেন।
আসমির পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট আহসানুল কবির বাদল।
আপনার মতামত লিখুন

আইন ও আদালত বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ