বুধবার,২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ইং,৮ই ফাল্গুন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ৯:০৩
৩১ মার্চ চতুর্থ ধাপের উপজেলা নির্বাচন হবে : ইসি সচিব ডোমার ভিত্তি বীজ আলু উৎপাদন খামারে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা। ‘দেশ, জাতি ও ভাষায় পদকজয়ীদের বিশাল অবদান রয়েছে’ পলাশবাড়ীতে মাদক সন্ত্রাস ও বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে আলোচনা সভা বাংলাদেশে ২৬৯ জাপানি প্রতিষ্ঠান ব্যবসা করছে মাধ্যমিক শিক্ষা জাতীয়করণের চিন্তা এই মুহূর্তে নেই সাব্বিরের প্রথম সেঞ্চুরি

পার্বতীপুরের বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক:  ৫৩ দিন বন্ধ থাকার পর দিনাজপুরের পার্বতীপুরে বড়পুকুরিয়া ৫২৫ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে।

শুক্রবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত আড়াইটার দিকে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার ৩ নম্বর ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়। বড়পুকুরিয়া খনি থেকে কয়লা উত্তোলন শুরু হওয়ায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চালু করা হলো।

বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী (চিফ ইঞ্জিনিয়ার) আব্দুল হাকিম সরকার শুক্রবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সোয়া ৬ টার দিকে জানান- বড়পুকুরিয়া খনি থেকে গত কয়েকদিনে প্রায় ৮ হাজার মেট্রিক টন কয়লার সরবরাহ পাওয়া গেছে। তা দিয়ে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তিনটি ইউনিটের মধ্যে ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার ৩ নম্বর ইউনিটটি চালু জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। ৩ নম্বর ইউনিটটি পুরোদমে উৎপাদনে গেলে প্রতিদিন প্রায় আড়াই হাজার টন কয়লার প্রয়োজন হবে বলে তিনি জানান।

বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানী লিমিটেডের (বিসিএমসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোঃ ফজলুর রহমান জানান- দীর্ঘ প্রায় তিন মাস বন্ধ থাকার পর গত ৭ আগস্ট রাত থেকে খনির নতুন ১৩১৪ নম্বর কোল ফেইজ হতে কয়লা উত্তোলন শুরু হয়। বৃহস্পতিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬ টা পর্যন্ত উত্তোলন করা হয়েছে ৮ হাজার ৩৬২ দশমিক ৭৫ মেট্রিক টন কয়লা। প্রতিদিন যে পরিমাণ কয়লা উত্তোলন করা হচ্ছে তা সাথে সাথে বিদ্যুৎ কেন্দ্রে সরবরাহ করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন বর্তমানে প্রতিদিন ১ হাজার ২‘শ টন থেকে ২ হাজার টন পর্যন্ত কয়লা উত্তোলন করা হচ্ছে। ক্রমান্নয়ে তা ৪ হাজার টনে উন্নিত হবে।

উল্লেখ্য, বড়পুকুরিয়া খনির ওপর নির্ভর করে খনির পার্শ্বে কয়লাভিত্তিক ৫২৫ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতার তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি গড়ে তোলা হয়। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি ও ১২৫ মেগাওয়াট করে দুটি ইউনিট রয়েছে। কেন্দ্রটি পূর্ণ উৎপাদন থাকলে প্রতিদিন গড়ে ৫ হাজার ২ শ’ মেট্রিক টন কয়লার প্রয়োজন হয়।

কয়লার অভাবে বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হওয়ার দারপ্রান্তে উপনিত হলে খনির ইয়ার্ড থেকে প্রায় ২৩০ কোটি টাকার প্রায় ১ লাখ ৪৫ হাজার টন কয়লা কেলেঙ্কারির ঘটনাটি ধরা পড়ে গত ১৯ জুলাই।

জ্বালানী সংকটে পড়ে দেশের একমাত্র কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি গত ২২ জুলাই রাতে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। তবে ঈদ উল আজহাকে সামনে রেখে রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলে লো ভোল্টেজ সমস্যা এড়াতে ২০ আগস্ট থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার ২ নম্বর ইউনিটটি চালু রেখে সীমিত আকারে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়েছিল।

 

আপনার মতামত লিখুন

রংপুর,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ