সোমবার,২৩শে অক্টোবর, ২০১৭ ইং,৮ই কার্তিক, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ৪:৫৮

উদ্বিগ্ন ভারত, রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতেই হবে: সুষমা পাঁচবিবির আটাপাড়া সীমান্তে সাড়ে ৬ লাখ টাকাসহ তালিকাভূক্ত হুন্ডি ব্যাবসায়ী আটক ফুলবাড়ীতে “জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস” পালিত ॥ স্ত্রীর অধিকার পেতে চাই : মিলা ফকিরহাটে অবিরাম বৃষ্টির ফলে শত শত পরিবার সহ কৃষি জমি পানিতে নিমজ্জিত সংস্কারের অভাবে দুমকির এলজিইডির ফুট ব্রিজটি এখন মরণ ফাঁদ ॥ চিরিরবন্দরে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত

ঝিনাইগাতীর চাঞ্চল্যকর বীনা হত্যা মামলার ৪ আসামী গ্রেফতার

Nihoto Bina

মুহাম্মদ আবু হেলাল, ঝিনাইগাতী ঃ শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার বাকাকুড়া গ্রামের চাঞ্চল্যকর কিশোরী বীনা হত্যা মামলার ৪আসামীকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে, বাকাকুড়া গ্রামের হারুন উর রশিদ, নূরে আলম, আমান উল্যাহ ও আমান উল্যাহর মা সিন্দুরী বেগম। নিহত কিশোরী বীনার মা সবুজা বেগম বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে ঝিনাইগাতী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছিল। মামলার সূত্রে জানা যায়, বাকাকুড়া গ্রামের মৃত ফজল হকের ছেলে আমান উল্ল্যাহ একই গ্রামের মফিজল হকের কন্যা বীনা (১৫)কে মাঝেমধ্যেই কু-প্রস্তাবসহ রাস্তাঘাটে উত্যক্ত করত। বীনা আমান উল্যাহর কু-প্রস্তাবে রাজী না হওয়ায় গত ১৯জুলাই মঙ্গলবার রাতে আমান উল্ল্যাহর মা সিন্দুরী বেগম বীনার বাড়ী থেকে তাকে ডেকে এনে ছেলে আমান উল্যাহর হাতে তুলে দেয়। পরে আমান উল্যাহ ও অন্যান্য আসামীরা বীনাকে রাতভর ধর্ষণ করে। ধর্ষণ শেষে এসিডে ঝলসে দেয়া হয় বীনার মুখ। বীনার মৃত্যু নিশ্চিত করতে যৌনাঙ্গে বাঁশ পুরে দেয়া হয়। বীনার মৃত্যু হলে মৃত দেহটি আমান উল্যাহর বাড়ীর পাশে জিয়া খালে ফেলে রাখা হয়। দু’দিন পর গত ২১জুলাই বৃহস্পতিবার সকালে পাহাড়ী ঢলের তোড়ে বীনার লাশ ভেসে উঠলে থানা পুলিশ বীনার মৃতদেহ উদ্ধার করে। বীনার মা সবুজা বেগমের দেয়া তথ্য অনুযায়ী পুলিশ অভিযান চালিয়ে হারুন উর রশিদ ও নূরে আলমকে গ্রেফতার করে। ওই রাতেই গ্রেফতারকৃতদের দেয়া তথ্যানুযায়ী থানা পুলিশ গাজীপুর থেকে আমান উল্ল্যাহ ও তার মা সিন্দুরী বেগমকে গ্রেফতার করে। ২৩জুলাই শনিবার গ্রেফতারকৃত আমান উল্ল্যাহ ও নূরে আলমের জবানবন্দী শেরপুর আদালতে রেকর্ড করা হয়। ওই ২আসামীর স্বীকারোক্তীতে কিশোরী বীনাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যার ঘটনা স্বীকার করে। এ চাঞ্চল্যকর বীনা হত্যার ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আব্দুল করিম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, মামলার তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আরোও চাঞ্চল্যকর তথ্য পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন। ওসি মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ