শুক্রবার,২৩শে জুন, ২০১৭ ইং,৯ই আষাঢ়, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সময়: ভোর ৫:৫৮

নাটোরের গুরুদাসপুর পৌরসভার সাড়ে ১৮ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা বাগাতিপাড়ার দরিদ্র মেধাবী সজনীকে ল্যাপটপ দিলেন ইউএনও পাঁচবিবিতে নগত অর্থ বিতরণ সৈয়দপুরে সুবিধা বঞ্চিতদের পাশে খুচরা পয়সা সংগঠন ইটভাটার কালোধোঁয়ায় ফসলের তিপূরণের দাবিতে কৃষকদের মানববন্ধন লালমনিরহাটে হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় ১ম স্থান অধিকার বায়তুল মুকাররমে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজের সময়সূচি

ঝালকাঠির রাজাপুর থানার ওসি মুনির ও এসআই চাঁনের অভিনব দূর্নীতি

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: ঝালকাঠির রাজাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মুনির উল গিয়াস ও এসআই চাঁন মিয়ার অভিনব দূর্নীতি ও অনৈতিক কর্মকান্ডের ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছে ঝালকাঠি আদালত ও আইনজীবীরা। বিচারাধীন একটি মামলায় আদালতের নির্দেশ লংঘন করে তদন্ত ছাড়াই একপক্ষে প্রতিবেদন জমা দেয়ার তথ্য-প্রমান উপস্থাপনের ঘটনায় আদালতাঙ্গনে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

রাজাপুর থানার বিতর্কিত ওসি মুনির উল গিয়াসের যোগসাজসে অর্ধলক্ষ্য টাকার ঈদ বানিজ্যের বিনিময়ে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই চাঁন এঘটনা ঘটিয়েছে বলে বাদী পক্ষ অভিযোগ করেছে। এ অবস্থায় ১৫ জুন বৃহস্পতিবার মামলার বাদী শাহাদাত মোল্লা রাজাপুর থানা থেকে তাকে দেয়া নোটিশের কপিসহ ঘুষের বিনিময়ে একপক্ষে দেয়া তদন্ত রিপোর্ট বিরুদ্ধে আদালতে নারাজি আবেদন করেন। আদালত ‘পুলিশের দেয়া প্রতিবেদন গ্রহন না করে’ সংশ্লিষ্ট উপজেলা ভূমি কর্মকর্তাকে তদন্ত পূর্বক রিপোর্ট প্রদানের ও  রাজাপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তাকে কারন দর্শানোর জন্য শোকজ করেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, রাজাপুর উপজেলার ছোট কৈবর্তখালী গ্রামের মৃত্যু শাহ-সেকেন্দার মোল্লার পুত্র মোঃ শাহাদাত হোসেন মোল্লা সাড়ে ১৭ শতাংশ সম্পত্তিতে একই এলাকার মো. সৈজদ্দিন মোল্লার পুত্র সোহরাব মোল্লা ও তার ভাই আবু মোল্লা অবৈধ পেশিশক্তি ও রাজনৈতিক প্রভাবে বিল্ডিং নির্মান শুরু করে। যে কারনে গত ৮ জুন শাহাদাত মোল্লা বাদী হয়ে ঝালকাঠি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (এমপি নং-৪১৭/১৭) মামলা দায়ের করলে আদালত শান্তি শৃংখলা রক্ষায় বিরোধীয় জমিতে স্থিতাদেশ (নং-১১০১) প্রদান করে রাজাপুর থানার অফিসার ইনচার্জকে তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দেন।
বাদী মো. শাহাদাত হোসেন মোল্লা ও তার আইনজীবী অভিযোগ করেন, আদালতের আদেশ পেয়ে রাজাপুর থানায় অফিসার ইনচার্জ মুনির উল গিয়াস মামলাটি তদন্তের জন্য এস আই চাঁন মিয়াকে দায়িত্ব দেন। এস আই চাঁন মিয়া ৯ জুন এক নোটিশে বাদি-বিবাদী উভয় পক্ষকে ১৬ জুন শুক্রবার বিকাল ৪টার জমির সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র নিয়ে রাজাপুর থানায় উপস্থিত থাকার জন্য নির্দেশ দেন। এঅবস্থায় বিবাদী পক্ষ রাজনৈতিক প্রভাবশালী বিধায় ওসি মুনির উল গিয়াস ও তদন্ত কর্মকর্তা এসআই চাঁনের সাথে গোপন আতাঁত করে অর্ধলক্ষ টাকায় তাদের পক্ষে প্রতিবেদন প্রদানের বিষয়ে দফারফা করেন।
তারা আরো অভিযোগ করেন, উক্ত আতাঁত অনুযায়ী তদন্ত কর্মকর্তা এসআই চাঁন কোন প্রকার তদন্ত ছাড়াই নোটিশে নির্ধারিত তারিখের ৪দিন পূর্বে ১২ জুন বিবাদীদের পক্ষে এক মনগড়া-বানোয়াট তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ওসি মুনির উল গিয়াসের নিকট প্রদান করলে তিনি সেই রিপোর্ট আদালতে অগ্রগামী করেন বলে বাদী পক্ষ অভিযোগ করেন। এঅবস্থায় গত ১৫ জুন বৃহস্পতিবার বাদী শাহাদাত মোল্লা ‘রাজাপুর থানা পুলিশের উক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে মিথ্যা-মনগড়া তদন্ত রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগ করে আদালতে নারাজি আবেদন জানান। পরবর্তীতে আদালত সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসের ভূমি কর্মকর্তাকে ওই জমি সংক্রান্ত ব্যপারে তদন্ত রিপোর্ট দাখিলের নির্দেশ দেন এবং উক্ত তদন্ত কর্মকর্তা এস আই চাঁন মিয়াকে আগামী ১০ দিনের মধ্যে এই রিপোর্টের কারন দর্শানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
এ বিষয়ে এএসপি (রাজাপুর সার্কেল) মোঃ মোজাম্মেল হোসেন রেজা থানা থেকে দেয়া নোটিশে নির্ধারিত ১৬ জুনের ৪দিন পূর্বে ১২ জুন রিপোর্ট দেয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, তদন্ত কর্মকর্তা তাকে জানিয়েছেন যে তিনি সরেজমিন পরিদর্শন করে আদালতে প্রতিবেদন দিয়েছেন। তবে আদালতের শোকজ এর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তা তার তদন্ত প্রতিবেদন প্রদান সম্পর্কে জবাব দেন। সেক্ষেত্রে আদালত পরবর্তী যে নির্দেশ দেবেন সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ঝালকাঠির রাজাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মুনির উল গিয়াস ও এসআই চাঁন মিয়ার অভিনব দূর্নীতি ও অনৈতিক কর্মকান্ডের ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছে ঝালকাঠি আদালত ও আইনজীবীরা। বিচারাধীন একটি মামলায় আদালতের নির্দেশ লংঘন করে তদন্ত ছাড়াই একপক্ষে প্রতিবেদন জমা দেয়ার তথ্য-প্রমান উপস্থাপনের ঘটনায় আদালতাঙ্গনে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

রাজাপুর থানার বিতর্কিত ওসি মুনির উল গিয়াসের যোগসাজসে অর্ধলক্ষ্য টাকার ঈদ বানিজ্যের বিনিময়ে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই চাঁন এঘটনা ঘটিয়েছে বলে বাদী পক্ষ অভিযোগ করেছে। এ অবস্থায় ১৫ জুন বৃহস্পতিবার মামলার বাদী শাহাদাত মোল্লা রাজাপুর থানা থেকে তাকে দেয়া নোটিশের কপিসহ ঘুষের বিনিময়ে একপক্ষে দেয়া তদন্ত রিপোর্ট বিরুদ্ধে আদালতে নারাজি আবেদন করেন। আদালত ‘পুলিশের দেয়া প্রতিবেদন গ্রহন না করে’ সংশ্লিষ্ট উপজেলা ভূমি কর্মকর্তাকে তদন্ত পূর্বক রিপোর্ট প্রদানের ও  রাজাপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তাকে কারন দর্শানোর জন্য শোকজ করেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, রাজাপুর উপজেলার ছোট কৈবর্তখালী গ্রামের মৃত্যু শাহ-সেকেন্দার মোল্লার পুত্র মোঃ শাহাদাত হোসেন মোল্লা সাড়ে ১৭ শতাংশ সম্পত্তিতে একই এলাকার মো. সৈজদ্দিন মোল্লার পুত্র সোহরাব মোল্লা ও তার ভাই আবু মোল্লা অবৈধ পেশিশক্তি ও রাজনৈতিক প্রভাবে বিল্ডিং নির্মান শুরু করে। যে কারনে গত ৮ জুন শাহাদাত মোল্লা বাদী হয়ে ঝালকাঠি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (এমপি নং-৪১৭/১৭) মামলা দায়ের করলে আদালত শান্তি শৃংখলা রক্ষায় বিরোধীয় জমিতে স্থিতাদেশ (নং-১১০১) প্রদান করে রাজাপুর থানার অফিসার ইনচার্জকে তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দেন।
বাদী মো. শাহাদাত হোসেন মোল্লা ও তার আইনজীবী অভিযোগ করেন, আদালতের আদেশ পেয়ে রাজাপুর থানায় অফিসার ইনচার্জ মুনির উল গিয়াস মামলাটি তদন্তের জন্য এস আই চাঁন মিয়াকে দায়িত্ব দেন। এস আই চাঁন মিয়া ৯ জুন এক নোটিশে বাদি-বিবাদী উভয় পক্ষকে ১৬ জুন শুক্রবার বিকাল ৪টার জমির সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র নিয়ে রাজাপুর থানায় উপস্থিত থাকার জন্য নির্দেশ দেন। এঅবস্থায় বিবাদী পক্ষ রাজনৈতিক প্রভাবশালী বিধায় ওসি মুনির উল গিয়াস ও তদন্ত কর্মকর্তা এসআই চাঁনের সাথে গোপন আতাঁত করে অর্ধলক্ষ টাকায় তাদের পক্ষে প্রতিবেদন প্রদানের বিষয়ে দফারফা করেন।
তারা আরো অভিযোগ করেন, উক্ত আতাঁত অনুযায়ী তদন্ত কর্মকর্তা এসআই চাঁন কোন প্রকার তদন্ত ছাড়াই নোটিশে নির্ধারিত তারিখের ৪দিন পূর্বে ১২ জুন বিবাদীদের পক্ষে এক মনগড়া-বানোয়াট তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ওসি মুনির উল গিয়াসের নিকট প্রদান করলে তিনি সেই রিপোর্ট আদালতে অগ্রগামী করেন বলে বাদী পক্ষ অভিযোগ করেন। এঅবস্থায় গত ১৫ জুন বৃহস্পতিবার বাদী শাহাদাত মোল্লা ‘রাজাপুর থানা পুলিশের উক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে মিথ্যা-মনগড়া তদন্ত রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগ করে আদালতে নারাজি আবেদন জানান। পরবর্তীতে আদালত সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসের ভূমি কর্মকর্তাকে ওই জমি সংক্রান্ত ব্যপারে তদন্ত রিপোর্ট দাখিলের নির্দেশ দেন এবং উক্ত তদন্ত কর্মকর্তা এস আই চাঁন মিয়াকে আগামী ১০ দিনের মধ্যে এই রিপোর্টের কারন দর্শানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
এ বিষয়ে এএসপি (রাজাপুর সার্কেল) মোঃ মোজাম্মেল হোসেন রেজা থানা থেকে দেয়া নোটিশে নির্ধারিত ১৬ জুনের ৪দিন পূর্বে ১২ জুন রিপোর্ট দেয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, তদন্ত কর্মকর্তা তাকে জানিয়েছেন যে তিনি সরেজমিন পরিদর্শন করে আদালতে প্রতিবেদন দিয়েছেন। তবে আদালতের শোকজ এর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তা তার তদন্ত প্রতিবেদন প্রদান সম্পর্কে জবাব দেন। সেক্ষেত্রে আদালত পরবর্তী যে নির্দেশ দেবেন সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আপনার মতামত লিখুন

সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ