মঙ্গলবার-২৩শে এপ্রিল, ২০১৯ ইং-১০ই বৈশাখ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: বিকাল ৪:৫৪
হাতীবান্ধায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ পালিত সন্ত্রাসীর জিম্মিদশা থেকে মুক্তি পেতে দুইদিন ধরে ব্যবসায়ীদের দোকানপাট বন্ধ।। বর্তমান ১০০ শয্যার জনবল সংকট ৪৮ জন। চিকিৎসা সেবা ব্যাহত, ৩২ কোটি টাকা ব্যয়ে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট লালমনিরহাট সদর হাসপাতালের কাজ এগিয়ে চলছে। “জলঢাকা উপজেলা চেয়ারম্যান পদের নির্বাচন ৫ মে” সালের নির্বাচন ছিল অশুভ আতাতের ফসল, যা কারো জন্যই কল্যান বয়ে আনবে না- বদিউল আলম মজুমদার এক্সিকিউটিভ পদে ক্যারিয়ার গড়ুন জায়ান্ট গ্রুপে এক্সিকিউটিভ পদে নিয়োগ দেবে নভোএয়ার

জীবন যুদ্ধে হার না মানা রিক্সা চালক প্রতিবন্ধী জিলানী

খান জাহান আলী চৌধুরী,নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়ীয়া) প্রতিনিধি ঃ
আমি পঙ্গু বলে মানুষ আমার রিস্কায় উঠতে চাই না। যাদের আমার লাইগা মায়া লাগে তারাই আমার রিস্কায় উঠেন। প্রতিদিন রিস্কা চালাইয়া এক/দেড়শটাহা রুজী করি এভাবেই নিজের কষ্টের কথাগুলো বলেছেন হার না মান সৈনিক জিলানী। শারিরীক প্রতিবন্ধী জিলানী হার মানেনি পঙ্গুত্বের কাছে। দু-পা পুরো অচল, আর হাত দুটি আংশিক অচল থাকার পর ও বেছে নেয়নি ভিা ভিত্তি । জীবিকার তাগিদে রিক্সাকে বেছে নিয়েছেন হাতিয়ার হিসেবে ।পঙ্গুত্ব ¡নিয়ে নেমে পড়ে জীবনের নতুন এক যুদ্ধে যেখানে ওকে সহযোগিতা করার মত কেউ ছিলো না। এক বেলা ঠিকমত পেটে ভাত জুটানোর জন্য দুই পা পুঙ্গ নিয়েই ধরে বসে রিক্সার হাতল। তবুও কারো কাছে হাত পাতেননি জিলানী । ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার কাইতলা (দঃ) ইউনিয়নের গোয়ালী গ্রামের নোয়াব মিয়ার ছেলে মো: জিলানী (৩৫), পিতার ৭ ছেলের চতুর্থ সন্তান জিলনী। প্রতিবন্ধী বলে ৬ ভাই থাকা সর্তে¡ও যেন তাদের কাছে তার কোন ঠাই নেই। তাই কারো কছে মাথা নিচু না করে বেছে নেন রিক্সা চালানোর কাজ। শিশু কালে সুস্থ থাকলেও পাঁচ বছরের পর ট্রাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয়ে পঙ্গু হয়ে যান জিলানী। শত প্রতিকুলতার মাঝেও তিন ছেলের জনক জিলানী। নিজের মেধা ও কারিগর দিয়ে তৈরী করেন একটি রিক্সা। অন্যের সহযোগিতা ছাড়া উঠতে পারেনা তার নিজের রিক্সায় । নিয়তির নিষ্ঠুরতা যে কতটা ভয়াবহ তা টের পেয়েও নিজের কাছে নিজে হার মানেনি জিলানী। গত পাঁচ বছর ধরে এই ভাবে চালিয়ে যাচ্ছেন রিক্সা। তাই প্রতিদিন আয় হয় মাত্র একশ থেকে দুইশত টাকা। তবে সপ্তাহের সাতদিন রিক্সা চালানো সম্ভব হয়না তার প।ে অনেক কষ্ট করে ছোট একটি টিনের ঘরে মেধা শক্তি দিয়ে, করে যাচ্ছে ইলেক্ট্রনিক্স কাজও, তবে এই কাজেও তার দারিদ্রতা মোচন হয়নি ।
জিলানীর স্ত্রী ফাতেমা আক্তার বলেন আমাদের সংসারে অভাব অনটন শেষ নেই । দুই বেলো দুই মুঠো ভাত খেতে আমাদের কষ্ট হয় । ৩ টি সন্তান নিয়ে আমরা কার কাছে যাবো । জিলানীর পিতা নোয়াব মিয়া বলেন, পোলার তলে মেলা টেহা ডালছি কোন কাজ হয়ছে না। বাচ্চাগু নিয়া বিপদের আছে জিলানী।
এ ব্যাপারে কাইতলা ৮ নং ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য মো: আব্দুল্লাহ কামাল বলেন, আমি চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলে জিলানীর সকল প্রকার সহযোগিতার চেষ্টা করবো।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ