বুধবার,২১শে নভেম্বর, ২০১৮ ইং,৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, সময়: সকাল ৬:২৫
বাংলাদেশ তিন বছরের জন্য ওপিসিডাব্লিউ’র সদস্য নির্বাচিত মির্জাপুরে ভ্রামমাণ আদালতের অভিযানে ৫ ড্রেজার মেশিন ধ্বংস ও ২ জনের সাজা পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) কাল শহীদ জিয়া জনসংখ্যাকে মানব সম্পদে পরিনত করেছিলেন একারণেই আমি বিএনপি’র রাজনীতি করি- সৈয়দপুর পৌর মেয়র হাতীবান্ধায় জলপাইয়ের বিচি গলায় আটকে শিশুর মৃত্যু “জলঢাকায় প্রত্যন্ত এলাকায় প্রাইমারী ও ইবতেদায়ী পরীক্ষা কেন্দ্র ভাবনচুর এমটিএস উচ্চ বিদ্যালয়” ইসি সচিবসহ সংশ্লিষ্ট চারজনের শাস্তি দাবি বিএনপির

জিয়া পরিবারের সম্পদ নিয়ে তদন্ত চলছে: প্রধানমন্ত্রী

মুক্তিনিউজ24.কম ডেস্ক: বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও জিয়া পরিবারের সদস্যদের নামে বিদেশে কী কী সম্পদ আছে, তা নিয়ে তদন্ত শেষ করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ বুধবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে বিরোধী দল জাতীয় পার্টির (জাপা) সাংসদ ফখরুল ইমামের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া, তাঁর ছেলেদের এবং বিএনপির একাধিক জ্যেষ্ঠ নেতার নামে বিদেশে কোথায় কী সম্পদ আছে, তা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রতিকার চান ফখরুল ইমাম। একটি বিদেশি সংস্থার প্রতিবেদন থেকে পাওয়া তথ্যে এগুলো পেয়েছেন বলে ফখরুল ইমাম জানান।

এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, তথ্যগুলো যখন বের হয়েছে, তখন নিশ্চয়ই আমাদের কাছে তা আছে। এটা নিয়ে তদন্ত চলছে। তা ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীনে মানি লন্ডারিংয়ের জন্য একটি তদন্তব্যবস্থা আছে। সেই সূত্রেও তদন্ত করা হচ্ছে। এই তদন্তের মধ্য দিয়ে সত্যতা যাচাই করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ক্ষমতায় থাকতে দুর্নীতি করে দেশের সম্পদ বিদেশে পাচারের বহু অভিযোগ তো জনগণ সব সময় করেছে। এটা সবাই জানে। ইতিমধ্যে খালেদা জিয়ার ছোট ছেলের কিছু টাকা আমরা কিছু ফেরতও আনতে সক্ষম হয়েছি। বোধ হয় বাংলাদেশের ইতিহাসে এটাই প্রথম কারও পাচার করা টাকা ফেরত আনা সম্ভব হয়েছে। যেহেতু জিআইএন রিপোর্টটা দিয়েছে, কাজেই এ রিপোর্ট আমাদের কাছে আছে এবং এটার ওপর তদন্ত চলছে।’ সূত্র-এবিনিউজ

সংসদে তথ্যটি তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা সরকার থেকে তুলে ধরলে বহু লোক আছে তারা মায়াকান্না শুরু করত, আমরা হিংসাত্মক হয়ে এটা করি। বিরোধী দল থেকে যেহেতু এটা এসেছে, নিশ্চয়ই মানুষ এটা উপলব্ধি করতে পারবে—এই জনগণের সম্পদ কীভাবে লুট করেছে। যার কারণে তাদের আমলে বাংলাদেশ পাঁচ-পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। কোনো উন্নতি করতে পারেনি। আর্থসামাজিক অবস্থার অবনতি ঘটেছে। জনগণের সম্পদ যারা লুটে নিয়েছে, নিশ্চয়ই তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্ত করে যখনই আমরা এ বিষয়ে সঠিক তথ্য পাব, নিশ্চয়ই তা ফেরত আনার ব্যবস্থা নেব। ইতিমধ্যে কিছু পদক্ষেপ আমরা নিয়েছি। তদন্তের স্বার্থে সব আমি এই মুহূর্তে বলতে পারলাম না।’

আপনার মতামত লিখুন

জাতীয়,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ