শুক্রবার,২২শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং,৭ই আশ্বিন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সময়: বিকাল ৫:৫৪

যমুনা ব্যাংকে উচ্চ বেতনে চাকরি সাতক্ষীরার অ্যাকুরিয়ামের রঙিন মাছ রপ্তানি হচ্ছে বিদেশেও ‘শুক্রবার থেকে ত্রাণ কার্যক্রমে অংশ নেবে সেনাবাহিনী’ ‘মহাসড়ক নেটওয়ার্কে জনসাধারণের যাতায়াতে স্বস্তি ফিরে এসেছে’ একাধিক পদে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে কাজের সুযোগ গাজীপুরে পিকআপের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত পবিত্র আশুরা ১ অক্টোবর

জাতীয় সংসদে বৈদেশিক অনুদান রেগুলেশন বিল পাস

file-1মুক্তিনিউজ24.কম ডেস্ক: সংশোধিত আকারে জাতীয় সংসদে বৈদেশিক অনুদান (স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম) রেগুলেশন বিল- ২০১৬ পাস করা হয়েছে। বুধবার রাতে সংসদকার্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন। বিলে বলা হয়, আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন ব্যুরোর নিকট থেকে নিবন্ধন গ্রহণ ব্যতিত কোন সংস্থা বা এনজিও বৈদেশিক অনুদান গ্রহণক্রমে কোন স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম গ্রহণ ও পরিচালনা করতে পারবে না। তবে শর্ত থাকে যে, কোন ব্যক্তি কর্তৃক স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম গ্রহণ ও পরিচালনার উদ্দেশ্যে বৈদেশিক অনুদান গ্রহণের ক্ষেত্রে নিবন্ধনের প্রয়োজন হবে না, ব্যুরোর অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে। বিলে স্বেচ্ছামূলক প্রতিষ্ঠানের বা সংগঠনের নিবন্ধন ও নিবন্ধন নবায়নের নতুন বিধান করা হয়েছে।
বিলে জাতীয় সংসদ বা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থী, জাতীয় সংসদের সদস্য, স্থানীয় সরকার পরিষদের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, কোন রাজনৈতিক দল, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারকসহ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে অধিষ্ঠিত ব্যক্তি, সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারী, এ বিলের অধীন নিবন্ধিত এনজিও বা সংস্থার কোন কর্মকর্তা কর্মচারী, সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯ (২০০৯ সালের ১৬ নং আইন) এর ধারা ১৮ এর অধীন, ক্ষেত্রমত, তালিকাভুক্ত বা নিষিদ্ধ ঘোষিত কোন ব্যক্তি বা সত্তা বৈদেশিক অনুদান গ্রহণে নিষিদ্ধ করার বিধান করা হয়।
বিলে বলা হয়, সাহায্য গ্রহণকারীকে বাংলাদেশের প্রচলিত আইনের অধীন নিবন্ধিত সংস্থা হতে হবে। ব্যুরো থেকে অনুমোদিত সাহায্য প্রদানকারী কর্তৃক প্রণীত প্রকল্প প্রস্তাবে সাহায্য গ্রহণকারীর বিস্তারিত বিবরণ ও অর্থ ব্যয়ের রূপরেখা থাকতে হবে এবং প্রকল্প অনুমোদনের শর্ত মোতাবেক প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়ে সাহায্য প্রদানকারী সংস্থা নিশ্চয়তা প্রদান করবে। বিলে বলা হয়, প্রত্যেক এনজিও এবং ব্যক্তি নির্ধারিত পদ্ধতিতে এর হিসাব সংরক্ষণ করবে এবং হিসাবের বার্ষিক বিবরণী প্রস্তুত করবে। প্রতি অর্থবছর শেষ হবার পর নির্ধারিত পদ্ধতিতে প্রত্যেক এনজিও এবং ব্যক্তি ওই অর্থবছরে সম্পাদিত কার্যাবলীর বিবরণ সম্বলিত একটি বার্ষিক প্রতিবেদন মহাপরিচালকের নিকট পেশ করবে।
এছাড়া বিলে নিবন্ধন বাতিল বা কার্যক্রম স্থগিত, বিধি প্রণয়ন ক্ষমতা, নির্বাহী আদেশ জারিসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সুনির্দিষ্ট বিধান করা হয়েছে। বিলে কোন এনজিও বা ব্যক্তি এই বিলের বিধান বা এর অধীন প্রণীত কোন বিধি বা আদেশের বিধান লংঘন করলে উহা এ বিধানের অধীন এবং সংবিধান এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বিদ্বেষমূলক ও অশালীন কোন মন্তব্য করলে বা রাষ্ট্র বিরোধী কর্মকা- করলে বা জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসমূলক কর্মকা-ে অর্থায়ন, পৃষ্ঠপোষকতা কিংবা সহায়তা করলে অথবা নারী ও শিশু পাচার বা মাদক ও অস্ত্র পাচারের সাথে সংশ্লিষ্টতা থাকলে উহা দেশে প্রচলিত আইনের অধীন অপরাধ বলে গণ্য করার বিধান করা হয়েছে। পাশাপাশি এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট দ- প্রদানের বিধান করা হয়। এছাড়া বিলে এ সংক্রান্ত বিদ্যমান অধ্যাদেশ রহিত করা হয়েছে।
জাতীয় পার্টির সেলিম উদ্দিন, ফখরুল ইমাম, কাজী ফিরোজ রশীদ, নুরুল ইসলাম মিলন, নূর-ই হাসনা লিলি চৌধুরী, বেগম মাহজাবিন মোরশেদ, বেগম রওশন আরা মান্নান ও স্বতন্ত্র সদস্য মোঃ রুস্তম আলী ফরাজী বিলের ওপর জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে প্রেরণ ও সংশোধনী প্রস্তাব আনলে একটি সংশোধনী গ্রহণ করা হয়। বাকী প্রস্তাবগুলো তা কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। সূত্র-এবিনিউজ

আপনার মতামত লিখুন

অর্থনীতি বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ