বৃহস্পতিবার,২১শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং,৬ই আশ্বিন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সময়: দুপুর ২:৫১

স্নাতক পাসেই এসকেএফে চাকরি দায় যুদ্ধাপরাধের ভিক্ষুক মায়ের পাশে ডিআইজি মোকামে চালের দর কিছুটা কমেছে, প্রভাব নেই খুচরা বাজারে সোনার দাম বাড়ার পর এবার কমলো শাবিপ্রবিতে ‘মেকানিক্যাল ইননোভেশন’ শুরু ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ০৫:৪১ জাবি ছাত্রলীগের হল কমিটি হবে কবে?

জাতীয় পরিবেশ পদক বিতরণ

pm-award1_24410মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেক্স: জাতীয় পরিবেশ পদক ‘বঙ্গবন্ধু এওয়ার্ড ফর ওয়াইল্ডলাইফ কনজারভেশন’ পুরস্কার পেয়েছেন দেশের ৩ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি। এর মধ্যে প্রথম হয়েছেন, বন্যপ্রাণী অঞ্চলের প্রাক্তন বন সংরক্ষক তপন কুমার দে। দ্বিতীয় হয়েছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের ড. নুর জাহান সরকার এবং তৃতীয় পুরস্কার পেয়েছেন, নওগাঁর জীববৈচিত্র্য, বন, বন্যপ্রাণী ও নদী সংরক্ষণ কমিটি (জীবন)’র প্রতিষ্ঠাতা মোঃ ইউনুছার রহমান (হেবজুল)। আজ রবিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্ট্রিটিউশনে এক অনুষ্ঠানে এ পুরস্কার বিতরন করেন। প্রসঙ্গত বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, শিক্ষা ও গবেষণা কাজকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে ২০১০ সাল থেকে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় ‘বঙ্গবন্ধু এওয়ার্ড ফর ওয়াইল্ডলাইফ কনজারভেশন’ চালু করে।
তপন কুমার দে গাজীপুর ও কক্সবাজারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্ক প্রতিষ্ঠা করা ছাড়াও ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিরল প্রজাতির বন্যপ্রাণী যেমন- প্যারা হরিণ, লোনা পানির কুমির, ময়ুর, বোস্তামি কাছিম ও ভল্লুকের বংশ বৃদ্ধির প্রজনন কাজে সম্পৃক্ত ছিলেন। তিনি অস্ট্রেলিয়া থেকে এম.এস.সি ও পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। বন ও বন্যপ্রাণীর উপর তার ১৯টি বই ও ২৮টি গবেষণা নিবন্ধন প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ প্রাণীবিজ্ঞান সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও নেচার কনজারভেশন সোসাইটির প্রধান নির্বাহী পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন।
ড. নুর জাহান সরকার  ৯৫টি গবেষণা প্রবন্ধ, ১৭০টি বৈজ্ঞানিক নিবন্ধন ও ৫টি বন্যপ্রাণী সংক্রান্ত বই প্রকাশ করেছেন। তিনি ১৯৭৮ সালে ফ্্রান্স থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। তার তত্ত্বাবধানে অনেক ছাত্র-ছাত্রী ও গবেষক উচ্চতর ডিগ্রি লাভ করেছেন। তিনি ২০১৫ সালে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন হতে “প্রকৃতি সংরক্ষণ পদক” লাভ করেন।
মোঃ ইউনুছার রহমান (হেবজুল) নওগাঁ সদরের হাসানপুর গ্রামকে পাখি শিকারমুক্ত গ্রাম হিসাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন। তার অক্লান্ত প্রচেষ্টা উক্ত গ্রামের আম বাগান ও বাঁশ ঝাড়ে শামুকখোল, সাদা বক, কানি বক, পানকৌড়ি, ডাহুক, ঘুঘু, মাছরাঙ্গা ইত্যাদি পাখি কলনির সৃষ্টি হয়।

আপনার মতামত লিখুন

জাতীয় বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ