বুধবার,১৮ই জুলাই, ২০১৮ ইং,৩রা শ্রাবণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, সময়: সকাল ৭:০৩
পার্বতীপুরে ৩ দিন ব্যাপি ফলদ বৃক্ষ মেলার উদ্বোধন মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের কোটার বিরুদ্ধেই সাম্প্রতিক আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী দেশ গড়তে জাপানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী অবশেষে বয়সসীমার বাধ্যবাধকতা আসছে কারিগরি ও মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগে সুস্থতার জন্য চাই নিয়ন্ত্রিত জীবন ৮ শিক্ষা কর্মকর্তাকে কলেজে সংযুক্তি ‘ভাতায় খাদ্য কিনতে পারবেন কিন্তু কাজ আপনাকে করতে হবে’

ছেলেকে ২০ বছর খাঁচায় বন্দি করে রাখলেন বাবা

ঢাকা : কাঠের খাঁচায় নিজের ছেলেকে আটকে রাখার অভিযোগে ৭৩ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে আটক করেছে জাপানের পুলিশ।

জাপানের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকের কর্মকর্তাদের কাছে ইয়োশিতানে ইয়ামাসাকি বলেছেন, তার ছেলেকে তিনি আটকে রাখেন কারণ মানসিক সমস্যা দেখা দেয়ার কারণে তার ছেলে মাঝেমধ্যে হিংস্র আচরণ করত। এখন তার ছেলের বয়স ৪২।

ইয়ামাসাকি যেই খাঁচায় তার ছেলেকে আটকে রাখেন সেটি উচ্চতায় ১ মিটার ও চওড়ায় ২ মিটারের কম। খাঁচাটি সান্ডা শহরে ইয়ামাসাকির বাসার পাশে রাখা থাকত।

তার ছেলে বর্তমানে শহরের কর্তৃপক্ষের কাছে আছে। দীর্ঘদিন খাঁচায় বন্দি থাকার কারণে তিনি পিঠের সমস্যায় ভুগছেন।

স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্যানুযায়ী জানুয়ারি থেকে পশ্চিম জাপানের সমাজ কল্যাণ বিভাগের তদারকিতে রয়েছেন তিনি।

সান্ডা শহর কর্তৃপক্ষের একজন কর্মকর্তা মি. ইয়ামাসাকির বাসায় দেখা করতে গেলে কর্তৃপক্ষ ৪২ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির বন্দি থাকার ঘটনা সম্পর্কে জানতে পারে।

তদন্তকারীরা মনে করছে ইয়ামাসাকি তার মানসিকভাবে অসুস্থ ছেলেকে ১৬ বছর বয়স থেকেই বন্দি করে রাখা শুরু করে। ওই সময় থেকে তার মধ্যে মানসিক অসুস্থতার লক্ষণ প্রকাশ হওয়া শুরু করে।

আপাতত ছেলেকে ১৮ জানুয়ারি ৩৬ ঘণ্টা আটকে রাখার দায়ে অবসর ভাতায় জীবনযাপন করা ইয়ামাসাকিকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

পুলিশের তথ্যানুযায়ী ইয়ামাসাকি তার নামে আনা অভিযোগ স্বীকার করেছেন। তিনি কর্তৃপক্ষকে বলেছেন যে তার ছেলেকে তিনি প্রতিদিন খাবার দিয়েছেন ও গোসল করার সুযোগও দিয়েছেন।

সূত্র : বিবিসি

আপনার মতামত লিখুন

আন্তর্জাতিক বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ


মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষে রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা অনুমোদনরাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের আইনপ্রণেতারা। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত ভোটে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। ২০১৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপ ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রচার দলের সঙ্গে রাশিয়ার সংযোগ নিয়ে চলমান তদন্তের মধ্যেই এ নিষেধাজ্ঞা প্রস্তাবে অনুমোদন দিলেন মার্কিন আইনপ্রণেতারা। একই দিনে সন্ত্রাসে পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগে ইরান ও দেশটির বিপ্লবী ইসলামী গার্ড কোর (আইআরজিসি) এবং পরমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাবে অনুমোদন দেন তাঁরা। এর আগে ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান পার্টি নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটে প্রায় সর্বসম্মতিক্রমে এ ধরনের একটি খসড়া প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে নিম্নকক্ষে উত্তর কোরিয়ার বিষয়টি যুক্ত করে খসড়াটির অনুমোদন দেওয়া হয়। নতুন নিষেধাজ্ঞা প্রস্তাবে অনুমোদনের বিষয়ে হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের পররাষ্ট্রবিষয়ক কমিটির রিপাবলিকান পার্টির চেয়ারম্যান এড রয়েস বলেন, তিনটি দেশ যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোকে হুমকির মুখে ফেলেছে এবং প্রতিবেশীদের অস্থিতিশীল করে তুলেছে। নতুন নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাবটি কত দ্রুত হোয়াইট হাউসে পৌঁছে ট্রাম্পের অনুমোদন বা ভেটো পাবে, তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। কারণ এর আগে প্রস্তাবটি অবশ্যই সিনেটে পাস হতে হবে। নতুন এই নিষেধাজ্ঞা প্রস্তাবের বিষয়ে রুশ পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষের প্রভাবশালী সদস্য কনস্টান্টিন কসাচিওভ বুধবার বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের জবাবে মস্কোর উচিত ‘বেদনাদায়ক’ পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া।