মঙ্গলবার,২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং,১১ই আশ্বিন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ১২:৫৩

চিরিরবন্দরের সার্জেন্ট আলতাফের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির উৎপাদন সাময়িক বন্ধ শৈলকুপায় মোবাইল চার্জার বিস্ফোরনে গৃহবধূ মৃত্যু শৈলকুপার গড়াই নদীতে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত চোট কাটিয়ে নেটে ফিরেছেন তামিম কলাপাড়ায় ১১ রাখাইন পল্লীর বাসিন্দাদের নিয়ে কমিউনিটি পুলিশিং সভা।। চিরিরবন্দরে কৃষি বিভাগের উদ্যোগে বিভিন্ন গ্রামে চলছে তাল বীজ রোপন কর্মসূচি

চিরিরবন্দরে আগাম আমন চাষে কৃষকের মঙ্গা উধাও

chir-11

মোহাম্মাদ মানিক হোসেন চিরিরবন্দর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলায় আগাম আমন ধান কাঁটতে শুরু করেছে এলাকার কৃষকেরা। ফসল ভরা মাঠ থেকে ধান কেঁটে ঘরে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। চলতি মাসেই চিরিরনব্দরের বিভিন্ন এলাকায় আগাম জাতের আমন ধান কাটা ও মাড়াই শুরু হয়েছে।

উপজেলার কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এবার উপজেলায় ২৩ হাজার ৬১ হেক্টর জমিতে ধান চাষের ল্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বছর উপজেলার কৃষকরা ১৬ হাজার ৫’শ হেক্টর জমিতে জীবন্ত পার্চিং ধৈঞ্চা গাছের চারা রোপণ ও ৬ হাজার ৫৬১ হেক্টর জমিতে ডেড পার্চিং এর ব্যবস্থা করেছে। যা গত বছরের তুলনায় দ্বিগুণ। পার্চিং পদ্ধতি ব্যবহার করে আমন চাষ এবারে ভালো হবে এমন টাই আশা করছে কৃষকরা।

এবারের আমন আবাদের শুরুটা মোটেও ভালো ছিল না। প্রথম থেকেই কৃষকের মধ্যে ছিল শঙ্কা।প্রথমত, পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়া, দ্বিতীয়ত অনাবৃষ্টি। ুদ্র ও মাঝারি কৃষকের মাথায় হাত পড়ে। আমনের যে টার্গেট তারা করেছিল, তা পূরণ না হওয়ার শঙ্কাই দেখা দেয়। বর্ষাকাল পেরিয়ে যাওয়ার পর আকাশে কালো মেঘের আনাগোনায় কাঙ্খিত বৃষ্টিপাত কৃষকের মুখে হাসি ফুটে ওঠে। সবকিছু মোকাবিলা শেষে মাঠ ঘুরে দেখা যায় আমনের ফলন এবার ভালোই হবে।

তবে উপজেলায় সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বাংলা সনের আশ্বিন শেষ হতে না হতেই চারিদিকে আগাম জাতের আমন ধান কাঁটা শুরু হয়েছে। তবে যে সকল মাঠ উচু এবং আগাম জাতের আলু রোপন করার মতো জমি। সেই সকল জমিতে আগাম জাতের আমন ধান কাঁটতে ব্যস্ত সময় পার করছেন এলাকার কৃষকেরা। সেই সাথে গৃহিনীরাও বাড়ির আঙ্গিনা ও উঠান তৈরীর কাজে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। চলতি আমন মৌসুমে এবার আবহাওয়া কিছুটা ভাল থাকায় আমন ধানের বাম্পার ফলনও হয়েছে, আবার দাম বেশি, বেশ ভালই হয়েছে।

উপজেলার সাতনালা গ্রামের মোঃ শাহীনুর রহমান বলেন, এবার ২ বিঘা জমিতে বিনা-৭ ধান চাষ করেছি। আবহাওয়া ভাল থাকায় বিঘা প্রতি ২০/২২ মন ধান হয়েছে। তাছাড়াও ধানের দামও বেশি। এই মুহুর্তে ধান বিক্রি করলে আমার সবকিছু খরচ বাবদ বাদ দিয়ে বিঘা প্রতি ৭/৮ হাজার টাকা লাভ হবে।

চিরিরবন্দর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো: মাহামুদুল হাসানের সাথে কথা হলে তিনি জানান, কৃষকেরা গত বছরের চেয়ে সঠিক সময়ে ধান চাষ করায় বর্তমান আশানুরূপ ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। এবার চিরিরবন্দরে আমন ধান চাষ বেশি হয়েছে। আবহাওয়া অনুকুল থাকায় এবারে ফলন বেশ ভাল হবে।

আপনার মতামত লিখুন

রংপুর,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ