শুক্রবার,২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ইং,১০ই ফাল্গুন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ১০:২৪
চকবাজারে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলো ‘ব্যবহার অনুপযোগী’ দগ্ধদের চিকিৎসার সব খরচ বহন করবে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিহতদের স্মরণে শুক্রবার মসজিদে বিশেষ মোনাজাত জলঢাকায় ভাষা শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন” ছাতকের রাউলী স্কুলে মাতৃভাষা দিবস পালিত জলঢাকায় ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাতে সর্বস্তরের মানুষ ঢল দিনাজপুরে অবসর প্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী কল্যাণ সমিতি’র শহীদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলী

ক্রেতায় সন্তুষ্ট ব্যবসায়ীরা

4 weeks ago , বিভাগ : অর্থনীতি,

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় এখন সাধারণ দিনে ২০ থেকে ২৫ হাজার দর্শনার্থী প্রবেশ করছেন। আর ছুটির দিনে সংখ্যাটি অনেক বেড়ে যায়। মেলার দ্বিতীয় শুক্রবার (১৮ জানুয়ারি) প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার দর্শনার্থী মেলায় প্রবেশ করেছিলেন। আর শেষ শুক্রবার অর্থাৎ গতকাল প্রায় দেড় লাখ মানুষের সমাগম হয়েছিল বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের।

এদিকে মেলার এ পর্যন্ত পণ্য বিক্রি ও সরবরাহ আদেশের হার বেশ ভালো। মানুষের সমাগম ও বিক্রি বাড়ায় সন্তুষ্ট অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। পাশাপাশি মেলার বাকি দিনগুলোয় বিক্রি আরো বাড়বে বলে আশা তাদের। প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, সাধারণত মেলার শেষ ভাগ আরো বেশি জমজমাট থাকে। আর এবার মেলা চলবে ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। শেষ সময় বেতন ভাতা পেয়ে মানুষ আরো বেশি কেনাকাটা করবে বলেও আশা করছেন তারা।

এদিকে গতকাল ছুটির দিনে বিকাল থেকে জনসমুদ্রে পরিণত হয় ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা। সন্ধ্যা নাগাদ এমন পরিস্থিতি দাঁড়ায় যেন কোথাও তিল ধারণেই ঠাঁই নেই। মেলায় প্রবেশের জন্য আধাঘণ্টার জনজট পেরিয়ে যেতে হয়েছে। আর প্রবেশের পর মেলা প্রাঙ্গণের উন্মুক্ত স্থানেও ভিড় ঠেলে ঘুরতে হয়েছে মানুষকে।

দর্শনার্থীদের ঢল নামার পাশাপাশি বিক্রিও বেড়েছে প্রচুর। সকালে প্রথম এক-দুই ঘণ্টা স্টলের বিক্রয়কর্মীরা কিছুটা অলস সময় পার করলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তাদের কর্মচাঞ্চল্য বেড়ে যায়। আর বিকালে দর্শনার্থীদের ঢল নামার পর পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে তাদের যেন এক সেকেন্ড বিশ্রাম নেওয়ারও সুযোগ নেই। ক্রেতারও কোনো কোনো স্টলে মানুষের চাপে ঢুকতে পারছে না।

সরেজমিন আরো দেখা যায়, মেলা প্রাঙ্গণের পরিবেশ স্বাভাবিক ও শৃঙ্খলার মধ্যে রাখতে ভেতরে-বাইরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ ভোক্তা অধিদফতরের কর্মকর্তার তৎপরতা চলছে। তবে মেলা প্রাঙ্গণে জনজট লেগেই আছে। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের সামনে থেকেই এমন পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হচ্ছে আগতদের।

মেলায় আগত শিক্ষার্থী শান্তনু জানান, সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় শুক্রবার তারা পরিবার নিয়ে মেলায় এসেছেন। সপ্তাহের কর্মদিবসে এই সুযোগ হয় না। সবাই এসছে বলে পরিবারের জন্য কেনা কাটাও হচ্ছে বেশি বেশি।

গত ৯ জানুয়ারি শুরু হওয়া মাসব্যাপী এ মেলার পর্দা নামবে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি। মেলার গেট ও বিভিন্ন স্টল প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকছে। প্রাপ্ত বয়স্কদের প্রবেশের জন্য টিকেটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ টাকা এবং অপ্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য ২০ টাকা। এবারই প্রথম মেলার টিকেট অনলাইনে পাওয়া যাচ্ছে। ঝামেলা এড়াতে অনলাইনে টিকেট করেই মেলায় আসছেন বেশিরভাগ মানুষ। যদিও এজন্য ২ টাকা বাড়তি ব্যয় করতে হচ্ছে।

সূত্র: বাংলাদেশের খবর

আপনার মতামত লিখুন

অর্থনীতি বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ