শুক্রবার,১৭ই আগস্ট, ২০১৮ ইং,২রা ভাদ্র, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ৮:৫৮
মুক্তি পেল ‘চাঁদ কথা’ চলচ্চিত্রের টাইটেল গান ঈদযাত্রার প্রথমদিনেই দেরিতে ছেড়েছে ট্রেন কোরবানির পশু জবাইয়ের জন্য ১১ সিটিতে ২৯৩৬ স্থান নির্ধারণ বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন ক্যাপ্টেন খানের টিজারে ভরপুর অ্যাকশন (ভিডিও) ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বাজপেয়ী আর নেই কলাপাড়ায় স্কুল ছাত্রী ধর্ষন শেষে হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের।। গ্রেফতার-১

কলকাতার ঈদ বাজারে বাংলাদেশির ভিড়

2 months ago , বিভাগ : সারাদেশ,

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: বাংলাদেশের মানুষ কলকাতায় কেনাকাটা করতে আসা নতুন কিছু নয়, অন্যবারের মতো তাঁরা এসেছেন, কেনাকাটা করছেন। কলকাতার নিউ মার্কেট ঈদের আগে হয়ে উঠেছে মিনি বাংলাদেশ। তবে মিনি বাংলাদেশ শুধু কলকাতা শহরের প্রাণকেন্দ্র এসপ্ল্যানেডের পাশের নিউ মার্কেটেই সীমাবদ্ধ নয়। কলকাতার ঝকঝকে চকচকে কোয়েস্ট মল বা সাউথ সিটি যেখানেই পা বাড়াবেন, সেখানেই বাংলাদেশি। জানালেন নিউ মার্কেটের রেডিমেড গার্মেন্ট দোকানের মালিক আশফাক আহমেদ।

তবে আশফাকের মতো অনেক ব্যবসায়ী এবার একটু হতাশ। বাংলাদেশের অনেক মানুষ ঈদের কেনাকাটা রমজান মাসের আগেই করে নেন, আর কিছু মানুষ ঈদের আগে করেন। এবার কিন্তু দুই ধরনের মানুষই কম এসেছেন। তাঁর মতে অন্যবারের তুলনায় অন্তত ৩০ শতাংশ মানুষ কম।

ঘামতে ঘামতে কেনাকাটায় ব্যস্ত টাঙ্গাইলের তাবাসসুম, রংপুরের গোলাম কাজী, ঢাকার দাউলাত মণ্ডল এবং চিটাগংয়ের আয়েশা মুনিরা। একে কলকাতার ভ্যাপসা গরম, তার ওপর ইফতারের আগে কেনাকাটা শেষ করার তাড়া, তবু মুখে হাসি অধিকাংশ মানুষের।

দাউলাত বলেন, দুদিনের মধ্যে কেনাকাটা করে পালাচ্ছি। বাসায় ফিরে সবাইকে তাদের জিনিস দিতে হবে। জানতে চাইলে লজ্জা লজ্জা মুখে বললেন, প্রায় দেড় লাখ রুপির শপিং করলেন তিনি। যদিও কেনাকাটার তালিকায় আছে জামা, জুতা, কসমেটিক্স, বাচ্চাদের জন্য খেলনা, ইলেকট্রনিকস আইটেম, তবে এবারের ঈদে নিউ মার্কেটে বাংলাদেশের সব থেকে বেশি কিনছেন পাঞ্জাবি আর কসমেটিক্স পণ্য।

যদিও ঈদের আগে বাংলাদেশ থেকে কত মানুষ কলকাতায় আসেন শপিং করতে তা নির্দিষ্ট করে বলা মুশকিল। তবে ভারতের এই ইমিগ্রেশন দপ্তরের এক সূত্র জানিয়েছে, এই বছর সংখ্যাটা প্রায় এক লাখের কাছাকাছি।

কলকাতার এক বণিকসভার অর্থনীতিবিদ বলেন, ‘আমরা যদি ধরে নেই এক লাখ মানুষ এসেছেন কেনাকাটা করতে আর তাঁরা যদি গড়ে ২০ হাজার টাকার কেনাকাটা করেন তাহলে প্রায় ২০০ কোটি টাকার ব্যবসা হচ্ছে বাংলাদেশি ক্রেতাদের মাধ্যমে। এর সঙ্গে হোটেল ভাড়া, খাওয়াদাওয়ার খরচ। তাদের মতে বাংলাদেশি ক্রেতারা কলকাতার স্থানীয় অর্থনীতিতে অনেক পজিটিভ কন্ট্রিবিউশন করছেন সেটা দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরো মজবুত করবে।’

আপনার মতামত লিখুন

সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ