বুধবার,২৬শে জুলাই, ২০১৭ ইং,১১ই শ্রাবণ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ১০:৪৪

খেলতে খেলতে এবার হবে ‘রূপচর্চা’! তমা মির্জার ‘গ্রাস’ মুক্তি পাচ্ছে ২৮ জুলাই বলিউডে স্বজনপোষণ বিতর্ক নিয়ে বিরক্ত বিদ্যা আল-ফুযাইরাতে শিষ্যদের নিয়ে ফুরফুরে ম্যারাডোনা পৃথিবীর বুকে উজ্জ্বল আলোর নাচন! জাকারবার্গ দায়িত্বজ্ঞানহীনের মত আচরণ করছেন: মাস্ক এলিয়েন খুঁজতে অণুবীক্ষণ যন্ত্র

এক্রিডিটেশন কাউন্সিল আইন অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা

fileমুক্তিনিউজ24.কম ডেস্ক: বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষাসহ বাংলাদেশে উচ্চ শিক্ষার মান নিশ্চিত করতে এক্রিডিটেশন কাউন্সিল আইন- ২০১৬’র খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার সাপ্তাহিক নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। তিনি বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দীর্ঘ প্রতিক্ষীত আকাক্সক্ষা ও দেশে উচ্চ শিক্ষা নিশ্চিত করতে এ অনুমোদন দেয়া হয়েছে। খসড়া আইন অনুযায়ী চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে ১৩ সদস্যবিশিষ্ট কাউন্সিল গঠন করা হবে। ৪ জন পূর্ণকালীন ও ৮ জন খ-কালীন সদস্য থাকবেন। এই কাউন্সিল দেশে শিক্ষার মান নিশ্চিত করার দায়িত্ব পালন করবে।
কাউন্সিলের সদস্য ও চেয়ারম্যানের কমপক্ষে ১০ বছর প্রফেসর হিসেবে দায়িত্ব পালনসহ কোন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৫ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। খন্ডকালীন সদস্যদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন একজন, যুগ্ম সচিব পদমর্যাদার একজন সরকার মনোনয়ন দেবে। বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির সভাপতি বা সংস্থাটির একজন প্রতিনিধি, স্বীকৃত বিদেশী একটি অ্যাক্রিডিটেশন এজেন্সির একজন এবং সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী সংগঠনের একজন প্রতিনিধিও নিয়োগ দেবে সরকার। এছাড়া এফবিসিসিআই’র একজন উদ্যোক্তা, শিক্ষা প্রশাসনের একজন বিশেষজ্ঞ এবং এক আইটি বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দেবে সরকার।
সচিব বলেন, মানসম্মত উচ্চ শিক্ষা নিশ্চিত করতে উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দেয়া কনফিডেন্স সার্টিফিকেট বা অ্যাক্রিডেটেশ স্থগিত ও বাতিল করতে পারবে এ কাউন্সিল। কাউন্সিল দেশের উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর অ্যাক্রিডিটেশন এবং বিভিন্ন উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রত্যেক বিভাগে পৃথক অ্যাক্রিডিটেশন কমিটি গঠন করবে। এছাড়া সংস্থাটি অ্যাক্রিডিটেশন ও কনফিডেন্স সার্টিফিকেট প্রদানের শর্তও নির্ধারণ করবে।
শফিউল আলম বলেন, কাউন্সিল আন্তঃরাষ্ট্র পর্যায়ে এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনের লক্ষ্যে কাজ করবে। সংস্থাটি অ্যাক্রিডিটেশনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার মাঝে অনুপ্রেরণা জোগাবে এবং সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, উন্নয়ন ও প্রচার অভিযানের আয়োজন করবে।

আপনার মতামত লিখুন

জাতীয় বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ